ঢাকা, সোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

শিল্পায়ন করব কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করেই

কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম

কৃষি জমি নষ্ট করে যত্রতত্র শিল্পকারখানা করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষা করেই শিল্পায়ন করবো আমরা। আমরা ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। এটার অর্থ হলো যেন কৃষি জমি নষ্ট না হয়। যারা ইন্ডাস্ট্রি করতে চায়, তাদের ওইসব অঞ্চলে প্লট দেওয়া হবে। এছাড়া সব ধরনের সার্ভিস দেওয়া হবে। তারা সেখানে শিল্প গড়ে তুলবে। কারণ আমার কৃষি জমি বাঁচাতে হবে।

গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কৃষক লীগের ১০ম সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি আমরা উন্নত হবো, শিল্পায়ন করবো। তবে কৃষকদের বা কৃষিকে বাদ দিয়ে নয়। কাজেই আমরা উন্নয়নে কৃষকদের সবসময় গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষকরাই বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখে। কৃষক ফসল ফলায়, আমরা খেয়ে বেঁচে থাকি। একটি সমাজ ও দেশের জন্য কৃষক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগে কৃষক ফসল ফলাতো, কিন্তু তার পেটে খাবার ছিল না। তাদের পরনের কাপড় ছিল না। কৃষকের অধিকার সংরক্ষণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষক যেন তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ই-কৃষি চালু হয়েছে। কৃষকরা যেকোনও সমস্যার সমাধানে ‘১৬১২৩’ নম্বরে কল করে জানতে পারে। আমাদের কৃষকরাও এখন যথেষ্ট পরিপক্ক। মোট কথা কৃষকদের যত ধরনের সুবিধা দেওয়ার কথা, আমরা তা দিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশকে কীভাবে উন্নত সমৃদ্ধশীল করে গড়ে তুলবো। সেদিকে লক্ষ রেখেই কাজ করে যাচ্ছি। আমরা ইতোমধ্যে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষি খাতে আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। আগে কৃষকদের ভর্তুকি দিতে গেলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক মানা করতো। আওয়ামী লীগ সরকার তা সচল রেখেছে। আজ আমরা ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছি। গত ১১ বছরে আমরা কৃষি খাতে ৬৫ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, কোনও জমি আর অনাবাদি থাকবে না। আনাচে-কানাচে, ঘরের পাশে, এমনকি ছাদেও যেন কিছু চাষ হয়, ফসল উৎপাদন হয়। যেসব কৃষকের নিজেদের বাড়ি আছে, ভিটা আছে বা ভিটার পাশে জমি আছে, সেখানেও তারা যেন উৎপাদন করতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়েই ‘আমার বাড়ি, আমার খামার’ প্রকল্প আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

কৃষিখাতে গবেষণার গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, গবেষণা ছাড়া কৃষি উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা গবেষণার মাধ্যমে উন্নতমানের বীজ উৎপাদন করছি। বর্তমানে দেশেই গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সবজি ১২ মাসই উৎপাদন করা যাচ্ছে। আমরা কৃষি উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্য উৎপাদনে সারাবিশ্বে আমরা চতুর্থ অবস্থানে আছি। বাংলাদেশে একটি মানুষও আর গৃহহারা থাকবে না। তাদের প্রত্যেকের যেন মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়, আমরা সে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।##

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (5)
মুক্ত বিহঙ্গ আমি ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
কৃষির উন্নয়নই কি পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির নিশানা???
Total Reply(0)
মোঃ হাসান ইমাম শিমুল ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
দেশের উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে,তবে কৃষক ও কৃষিকে বাদ দিয়ে নয়; দেশরত্ন শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন পাশে থাকুন।
Total Reply(0)
শেখ বায়জিদ ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৪ এএম says : 0
জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার মহোদয়, কৃষক দের মারলে কিন্তু কারো পাতেই ভাত জুটবে না। কৃষকরা হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। কৃষকের ধানের দাম ১০০০/ টাকা করুন। অথবা সার,তেল,বীজসহ যাবতীয় খরচ দিন।
Total Reply(0)
Antora Yeasmin ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 1
Feeling Proud to get our honourable Prime Minister and as a Agriculturist...
Total Reply(0)
Md Reaj Hossain ৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৩ এএম says : 0
কৃষক লীগের কাম কি আমার মাথায় ধরে না তারা শুধু নিজেদের নিয়ে আছে কই ধানের দাম কম,সারের দাম বেশি কিটনাশক এর দাম বেশি কৃষী উপকরণ যন্ত্র অভাব এই সব নিয়ে কথা কয় না
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন