ঢাকা, বুধবার , ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আন্দোলনের কৌশল ঠিক করতে পারলেই সরকারের পতন হবে -দুদু

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৪:০৩ পিএম

গণবিরোধী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কৌশল ঠিক করতে পারলেই সরকারের পতন ত্বরান্বিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু।

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলনের কৌশল ঠিক করতে হবে। রাস্তার আন্দোলন হবে কৌশলগত কারণে। আমরা কিভাবে রাস্তায় নামবো এবং কিভাবে আন্দোলন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবো এই পথটি আমরা বের করতে পারলেই সরকারের পতন হবে। আজকে বের করতে পারলে কালকেই সরকারের পতন হবে। কালকে বের করতে পারলে পরশু সরকারের পতন হবে।’

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা এবং গণতন্ত্রের মুক্তি কোন পথে?” শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে তারেক পরিষদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা রাখেননি মন্তব্য করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘শেখ হাসিনা বলেছিলেন উন্নত গণতন্ত্র দেবেন। ১০ টাকা সের চাল খাওয়াবেন। ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন, কৃষকদেরকে ফ্রি সার দেবেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটা কবিতা আছে না- ‘কেউ কথা রাখেনি...’- আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কথা রাখেননি।’

ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকনের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমার পাশেই বসে আছেন আমার সহকর্মী। তিনি একজন প্রবীণ আইনজীবী। তিনি বললেন- ‘আইন-আদালতের এখন স্বাধীনতা নেই’- এটা উনি বলছেন তা নয়, এটা এখন দেশব্যাপী নয় বিশ্বব্যাপী সবাই জানে।’

বিএনিপর ভাইস-চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সবশেষ মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকাকে সরকার যথাযথ সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে অভিযোগ করে ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘কালকে আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধাকে শেষ বিদায় জানিয়েছি। বিএনপির নাকি কোনও জনপ্রিয়তা নাই। গতকাল ঢাকা শহর ছিল বিএনপির, ঢাকা শহর ছিল বেগম জিয়ার, ঢাকা শহর ছিল সাদেক হোসেন খোকার। সরকার তাকে যথাযথ সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নেত্রী এখন জেলখানায়। বাস্তবতা হলো আমাদের নেত্রীকে চিকিৎসার জন্য কোর্টের অর্ডার নিতে হয়। কোর্ট অর্ডার দিলেও সরকার তাঁর চিকিৎসার কোনও ব্যবস্থা করছে না। আমরা এমনই একটি সভ্য জাতি যে, তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য কোর্টের আশ্রয় নিতে হয়। দেশের সকল মানুষ জানে, বেগম জিয়া শারীরিকভাবে অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছেন। কিন্তু সরকার এবং পিজি হাসপাতালের ডাইরেক্টর বলেন- ‘না, তিনি অসুস্থ নন’।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি সাহিদুল ইসলাম লরেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) মো: হানিফ, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, কে এম রফিকুল ইসলাম রিপন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
মজলুম জনতা ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৪:২৫ পিএম says : 0
।।আপনারা আন্দলনের কৌশল নিয়ে ভাবতে ভাবতে সময় শেষ।।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন