ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ২১ নভেম্বর ২০১৯, ০৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

জাবিতে আন্দোলন: ‘টাকা ছাড় না হলেও কাজ হচ্ছে, দুর্নীতিও সম্ভব’

জাবি সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:১০ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভিসির অপসারণ দাবিতে ৬০ গজ দীর্ঘ কাপড়ে আঁকা ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। শনিবার মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে শেষ হয়। এদিকে চলমান আন্দোলন নিয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা বলছেন অর্থ যদি ছাড় না হয় তাহলে কাজ চলছে কিভাবে? টাকা ছাড়ের সাথে দুর্নীতির সম্পর্ক নেই; দুর্নীতির সম্পর্ক ঠিকাদার ও প্রশাসনের সাথে। নিয়ম হলো সরকারী টেন্ডারের কাজ শেষ করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টাকা পাবে। সুতরাং দুর্নীতির জন্য টাকা ছাড়ের প্রয়োজন হয় না। শনিবার সন্ধ্যায় আন্দোলনকারী শিক্ষক খন্দকার হাসান মাহমুদ সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ জমা দিতে পারেনি, শিক্ষা উপমন্ত্রীর এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রীর সাথে আমাদের কথা ছিল ৮ তারিখে অভিযোগ পত্র জমা দেয়ার। আমরা কষ্ট করে হলেও সেটি নির্দিষ্ট সময়ে জমা দিয়েছি। হয়তো শিক্ষা উপমন্ত্রীর কাছে তথ্যের ঘাটতি রয়েছে।’

তদন্ত চলাকালীন সময়ে উপাচার্যের পদত্যাগ চাইবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হাসান মাহমুদ বলেন, ‘যখন কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হয় তখন তাকে তার পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। জাবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন গুরুতর অভিযোগ তদন্ত করার সময়ও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাই তদন্ত চলাকালে উপাচার্যকেও অব্যাহতি দিতে হবে। না হলে তদন্ত প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েই যাবে।

আন্দোলনে শিক্ষকদের কম উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে উপাচার্যের পদত্যাগ সহ ২০টি দাবি নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছি। একাডেমিক, সিনেট ও সিন্ডিকেটের নির্বাচনেও আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছি। সুতরাং আমাদের দাবিতে অধিকাংশ শিক্ষকের সমর্থন রয়েছে। উপাচার্য ত্রাসের মাধ্যমে ঠুনকো অজুহাতে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে নিজের দল ভারী করেছেন। কিন্তু সমর্থন আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। উপাচার্য গোপন ভোটের ব্যবস্থা করে দেখুক অধিকাংশ শিক্ষকই তার বিপক্ষে অবস্থান নিবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাই এখন কোন আন্দোলন চলতে পারেনা। এটা আইনের লঙ্ঘন। যেহেতু সরকার এখানে সরাসরি অনুসন্ধান করছে। তাই সরকারের প্রতি সবার আস্থা রেখে আন্দোলন প্রত্যাহার করে ঘরে ফেরা উচিত।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন