ঢাকা, শুক্রবার , ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ঝড় বুলবুল মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:২৯ পিএম

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
আজ রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। শহীদ নূর হোসেন সংসদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলার প্রস্তিত ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে বারবার নির্দেশনা দিয়েছেন, নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। আর যে বিএনপি আমাদের সরকারের প্রস্তুতিকে অপর্যাপ্ত বলছে, তাদের নেত্রীর প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, তাদের সময় ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর যখন মানুষের লাশ পানিতে ভাসছে, সমস্ত চট্টগ্রামে লাশের গন্ধ, তখন নওয়াজ শরিফ আসায় বেগম খালেদা জিয়া দিনে সাতটি শাড়ি বদল করেছেন।
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি বলেছে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি নাকি যথেষ্ট নয়। অথচ ব্যাপক ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতির ফলে আমাদের প্রাণ ও সম্পদ উভয়ই ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। আমি তাদের বলবো, নিজের চেহারাটা আয়নায় দেখতে। কারণ, তাদের সময়ে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে লক্ষ লক্ষ প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।
তিনি বলেন, সে সময়ে বিমান বাহিনীর ৩৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল শুধু ব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে, কারণ বিমান তো উড়িয়েই অন্যত্র নেয়া যেতো। বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারগুলো চলে এসেছিলো রাস্তায়।
হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যার রক্তধমনীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রক্ত¯্রােত প্রবাহমান, তিনি বারবার মৃত্যুর উপত্যকা থেকে ফিরে এসে দেশ ও মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন, মেহনতী মানুষের জীবনের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন। সে কারণেই শেখ হাসিনার অপর নাম গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধেও চেতনা আর দেশ ও জাতির উন্নয়ন।
নূও হোসেন সম্পর্কে তিনি বলেন, নূর হোসেন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের রক্ত বৃথা যায়নি। তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সে সঙ্গে এ দেশের মানুষ ভাত ও ভোটের অধিকার পেয়েছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় হাছান মাহমুদ সবাইকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা জানান।
শহীদ নূও হোসেন দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি তছলিম আহম্মেদের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সহসভাপতি নূরুল আমিন রুহুল এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি, প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন, শহীদ নূর হোসেনের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী হোসেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (6)
Miah Muhammad Adel ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:১১ পিএম says : 0
আশ্রয় কেন্দ্রের লোকেরাও বিনিদ্র রজনী উদযাপন করেছেন।
Total Reply(0)
Miah Muhammad Adel ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:১১ পিএম says : 0
আশ্রয় কেন্দ্রের লোকেরাও বিনিদ্র রজনী উদযাপন করেছেন।
Total Reply(0)
Saha Alom Khan ১০ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:৫৯ পিএম says : 0
ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি কি যেগে ছিলেন নাকি ঘুমিয়ে ছিলেন। সেটাও জাতিকে জানিয়ে এই দুঃসময়ে জাতিকে একটু ...দিন।
Total Reply(0)
Sohel Rana ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম says : 0
তথ্য মন্ত্রী এই ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেও তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আবহাওয়া খারাপ বিধায় তিনি ঘরের খবর রাখছে। ধন্যবাদ
Total Reply(0)
Nazimul Islam Niloy ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম says : 0
বলার কি বেশি দরকার ছিল আমরা তো জানি তিনি তা করেছেন।
Total Reply(0)
Jahir Uddin Ripon ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম says : 0
মমতাময়ী মা জননী বঙ্গকণ্যা বলে কথা। দেশের মানুষের চিন্তায় তিনি সবসময়ই জাগ্রত থাকেন।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন