ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

প্রসিকিউটর তুরিন আউট আসামির সঙ্গে আঁতাত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন ইউনিট থেকে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে অপসারণ করা হয়েছে। একাত্তরে মানবতাবিরোধ অপরাধীর সঙ্গে গোপন আঁতাতের অভিযোগে তাকে অপসারণ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ এবং ‘গুরুতর পেশাগত অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
উপ-সলিসিটর এস এম নাহিদা নাজমীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও পেশাগত অসদাচরণ এবং গুরুতর অসদাচরণের দায়ে ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি প্রজ্ঞাপনে প্রদত্ত নিয়োগ বাতিলক্রমে প্রসিকিউটর পদ হতে অপসারণ করা হলো।

এর আগে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার আসামি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) এবং পাসপোর্ট অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুহাম্মদ ওয়াহিদুল হককে ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্ত করেন মতিউর রহমান। প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে দায়িত্ব দেয়া হয় ওয়াহিদুল হকের বিরুদ্ধে করা মামলাটি পরিচালনার। কিন্তু তুরিন আফরোজ ওই আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ রয়েছে জানিয়ে তাকে পালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বিনিময়ে ওয়াহিদুল হকের কাছে তুরিন মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করেন।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের দু’টি চিঠি, তার (তুরিন আফরোজ) সঙ্গে আসামির কথোপকথনের সিডিসহ যাবতীয় নথি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তুরিনকে অপসারণের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে এই পদ থেকে অপসারণ করেছি।

প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে পারিবারিক সম্পত্তি দখলসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। নিজ মা এবং ভাইকে পৈতৃক বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। ১৩ জুনের এ ঘটনায় চলতি বছর ২০ জুন ল’ রিপোর্টার্স ফোরামে তুরিন আফরোজের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন মা শামসুন নাহার তসলিম এবং ছোট ভাই শাহনেওয়াজ আহমেদ শিশির।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Enayet Kabir ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৪৯ এএম says : 0
You should think about your father. What he did for you.you know very well. Being a educated person We can't aspect such behavior from you which you did with your family. Mind it ,man is mortal. Allah tomake hedayet korun.
Total Reply(0)
Mohan Ashraf ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
কী দাপট যে দেখিয়েছেন,, নিজের মা, ভাইকে পর্যন্ত রেহাই দেন নি! দাপট শেষ হয়েছে,ভাল হয়েছে।এখন বিচার হোক।
Total Reply(0)
Majumder Nazrul ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
মহান আল্লাহ যার উপর অসন্তুষ্ট হন তার পাপ কার্যের পথে কোন বাধা দেন না, বরং অবারিত সুযোগ দেন যেন তার অপমানজনক পরিনতি অবধারিত হয়ে যায়।
Total Reply(0)
Ali Azgar Ratan ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
মায়ের সাথে খারাপ আচরনের ফল পেলেন আর কি!!! ভাবছিলেন সারাজীবন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকবেন!! কিন্তু উপরে একজন ঠিকই সব দেখেন,
Total Reply(0)
Salsabil Jannat ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫০ এএম says : 0
সে তার জন্মধারিনী মাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে সেটা আর বড় মানবতা বিরোধী অপরাধ। তার বিচার সব বিচারকের বড় বিচারক অবশ্যই করবেন।
Total Reply(0)
Jamal Hossain ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
একজন অপরাধীকে অপসারণের সাথে সাথে তাকে আইনের আওতায় এনে তার যথাযথ বিচার করা দরকার।
Total Reply(0)
Mujib Khan ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
বাস্তব এটাই পাপের শাস্তি ভয়াবহ দুনিয়াতে ও আখেরাতে। এখন হয়তো দুনিয়ার কিছু সাজা ভোগ করবে। যা পরকালের এক শতাংশের সমান হবে না।
Total Reply(0)
Reza Islam ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
এসব অপরাধীদের মাধ্যমে জামাত ইসলামের নেতাদের বিচার করা হয়েছে। মানুষ একদিন জামাত নেতাদের মজলুম জ্ঞান করবে।
Total Reply(0)
Md Abdul Hannan ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৫১ এএম says : 0
ক্ষমতা থাকা অবস্থায় যে সকল কু কর্মের কথা বলতে পারে নি।ক্ষমতা চলে গেলে তখন সবাই সত্য কথা বলে দেয়। কিন্ত তখন আর কিছুই করবার থাকে না।
Total Reply(0)
Yourchoice51 ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৩৪ এএম says : 0
তওবা করার এখনো সময় আছে; আল্লাহর গজব থেকে বাঁচতে হলে আজরাইল আসার আগে তওবা করে সৎপথ ধরো।
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন