ঢাকা, রোববার , ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

দীর্ঘ ভারতবাসের কারণে কেমব্রিজ গবেষকের নাগরিকত্বের আবেদন খারিজ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:৩০ পিএম

ভারতে দীর্ঘ সময় কাটানোর অভিযোগে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতীয় বংশোদ্ভূত গবেষককে নাগরিকত্ব প্রদানে অস্বীকার করেছে ব্রিটেন। প্রতিবাদে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখার অনুরোধ জানিয়ে লেখা চিঠিতে সই করেছেন প্রায় নয়শো শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকর্মী।

এক দশকেরও বেশি সময় ব্রিটেনে বসবাসকারী আসিয়া ইসলাম কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা নিউনহ্যাম কলেজ থেকে পিএইচডি সম্পূর্ণ করার পরে চলতি বছরেই তিন বছরের জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ অর্জন করেন। গত সপ্তাহে তার ‘ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন’-এর (আইএলআর) আবেদনপত্র খারিজ করে দিয়েছে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ভারতে কাটানোর ফলে এই আবেদনের যোগ্যতা হারিয়েছেন ওই গবেষক। তবে আসিয়ার দাবি, দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ জানিয়ে তিনি এর মধ্যে আবেদন জমা দিয়েছেন। ‘নাগরিক ভারতের নতুন অর্থনৈতিক প্রেক্ষিতে লিঙ্গ, শ্রেণি ও শ্রম’ সম্পর্কে সরেজমিনে গবেষণা করার জন্যই নয়াদিল্লিতে তাকে দীর্ঘ দিন থাকতে হয়েছিল বলে দাবি করেছেন আসিয়া। আবেদন বাতিল হওয়ার পরে সম্প্রতি টুইটারে আসিয়া জানিয়েছেন, ‘হ্যাঁ, কথাটা সত্যি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আমার আবেদন খারিজ করেছে কারণ ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গবেষণার কাজে আমি দেশের বাইরে ছিলাম।’ তার দাবি, ‘একাধিক চিঠিতে আমি জানিয়েছিলাম যে, আমার কাজের জন্য ফিল্ডওয়ার্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে গবেষণার কাজকে না ধরতে। কিন্তু না, বুঝতে পারছি দেশের বাইরে থাকার সপক্ষে যথেষ্ট কারণ আমি ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছি বলেই আবেদন গ্রাহ্য হয়নি।’

নিউনহ্যাম কলেজের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘নিউনহ্যাম কলেজ তথা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগের অত্যন্ত মূল্যবান সদস্য ডক্টর আসিয়া ইসলামের শিক্ষাগত কৃতিত্ব প্রশ্নাতীত। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটস স্কলার, লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিকস-এর বেস্ট ডিগ্রি পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড অধিকারী এবং আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধার স্বীকৃতি হিসেবে ডক্টর জাকির হুসেন পদকপ্রাপ্ত।’

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, ‘টায়ার ৪’ ভিসা ক্যাটাগরির অধীনে থাকা গবেষকরা দশ বছর সময়কালে ৫৪০ দিনের বেশি দেশের বাইরে কাটালে তার ‘আইএলআর’ আবেদন বাতিল করা হয়। সূত্র: বিবিসি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন