ঢাকা, শনিবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

রাজনীতি

আওয়ামী লীগের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন : আলাল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:০৫ পিএম

‘এই আওয়ামী লীগ শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগ নয়, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর, মওলানা ভাসানীর আওয়ামী লীগ না। এই আওয়ামী লীগের ডিএনএ টেস্ট করা প্রয়োজন। কারণ, আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন দলে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে, তাই ডিএনএ টেস্ট করে দেখা দরকার এটা আসল আওয়ামী লীগ কিনা।’- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে ৭ নভেম্বর জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে ‘বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও অবৈধ সরকার বাতিল এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

আলাল বলেন, ৭ নভেম্বর বা এর প্রেক্ষাপট নিয়ে আমি আজ কোনো কথা বলবো না। রাজনীতিবিদরা যদি ইতিহাস নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি করেন তাহলেই ইতিহাসবিদরা এই দেশে কোন ঠাঁই পাবেন না। যদিও তাদের না থাকাটা শেখ হাসিনা পাকাপোক্ত করেছেন। সেই জায়গায় আমি আবার নতুন সংযোজন দিতে চাই না।

তিনি বলেন, আজ আমি যে কথাগুলো বলব একটি কথাও আমার নিজের না, সব কথা সরকারি দলের নেতাকর্মীদের। স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সভায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন ক্ষমতা চিরস্থায়ী জন্য আসে নেই। দয়া করে কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না। এটা কার উদ্দেশে বলেছেন জনগণ তা জানে না এর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ আপনারা করে নেবেন।

তিনি আরও বলেন, নূর হোসেনকে নিয়ে মশিউর রহমান রাঙ্গা যে কথা বলেছেন তার অপর পৃষ্ঠায় আরও ভয়ঙ্কর কথা বলেছেন, রাঙ্গা বলেছেন শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল করে গণতন্ত্রের পেরেকে সর্বশেষ কফিন ঠুকে দিয়েছিলেন। রাঙ্গা আরও বলেছেন এরশাদকে যদি স্বৈরাচার বলেন, খালেদা জিয়াকে যদি স্বৈরাচার বলেন তাহলে শেখ হাসিনা বড় স্বৈরাচার। দেশে গুম খুন হচ্ছে আমরা মানুষের আত্ম কান্না শুনতে পাচ্ছি। নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে এরশাদকে মামলা দিয়ে কষ্টে রাখা হয়েছিল। এই সরকার' হচ্ছে সবচেয়ে বড় স্বৈরাচারী সরকার বাণীতে মশিউর রহমান রাঙ্গা।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপা একাংশের মহাসচিব খন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
মজলুম জনতা ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:২৮ পিএম says : 0
আপনাদের দলের দিকে তাকান।এত পদত্যাগ কেন? সরকার দলে অনুপ্রবেশ?এ যেন একই সুত্রে গাথা!!
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন