ঢাকা, সোমবার , ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

গ্রামীণ ফোন ও রবিতে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান আছে

সংসদে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

বেসরকারী মোবাইল অপারেটর গ্রামীণ ফোন লিমিটেড ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডে প্রশাসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। তিনি মোবাইল কোম্পানীর কাছ থেকে বকেয়া আদায়ে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেছেন, লাইসেন্স বাতিল করা হবে মর্মে ওই মোবাইল অপারেট দু’টিকে ইতোমধ্যে পত্র প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া তাদেরকে সকল প্রকার এনওসি (ছাড়পত্র) প্রদান বন্ধ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার বিকেল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এতথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মমতা হেনা লাভলী। জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারী রাজস্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিটিআরসি কর্তৃক মোবাইল অপারেটরসমূহ নিয়মিত অডিট করা হয়। ইতোমধ্যে গ্রামীণ ফোন ও রবি’র অডিট কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
একই প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার জানান, রাষ্ট্রের অনাদায়ী বকেয়া পাওনা আদায়ে মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন আছে।
বিএনপি’র সংসদ সদস্য বেগম রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, আগামী ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে ফাইভজি প্রযুক্তি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
তিনি জানান, মোবাইল কমিউনিকেশনের সর্বশেষ সংস্কার হলো ফাইভজি প্রযুক্তি। ইতোমধ্যে কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ডসহ বেশকিছু দেশে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্যাটেলাইট সার্ভিসসমূহকে একটি নির্দ্দিষ্ট পলিসির আওতায় আনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ল্যান্ডিং রাইট নামক একটি নীতিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে। যা চূড়ান্তকরণের অপেক্ষায় আছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Yourchoice51 ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:১১ এএম says : 0
খুব ভালো কথা; এই প্রশাসকরা ওখানকার রাজা হয়ে যাবেন আর যথেচ্ছা লুটেপুটে খাবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে জাতীয়করণকৃত শিল্পগুলোতে তাই হয়নি কি?
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন