ঢাকা, সোমবার , ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

পাবনায় পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা সামান্য কমেছে

পাবনা থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৪:২৫ পিএম

পাবনায় কন্ড পেঁয়াজ, আগে থেকে বাজারে মজুদ থাকা মিশর, মিয়ানমার ও ভারতীয় এবং দেশী পেঁয়াজের প্রভাবে অস্থিরতা সামান্য কমেছে। কেজি প্রতি দাম কমেছে ২০ টাকা। জেলায় স্থান ভেদে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ আজ সোমবার কেজিতে ২০ টাকা কম দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা খামারবাড়ীর উপ পরিচালক আজাহার আলী আজ সোমবার জানান, জেলায় এবার ৪৯ হাজার ৪শত ২০ হেক্টর জমিতে পেয়াজ আবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কন্ড পেঁয়াজ লক্ষ্য মাত্রা ৯ হাজার ৮শত হেক্টর । রোপন করা পেঁয়াজ সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে প্রবল বর্ষণ ও বানের কারণে অর্ধেকের বেশী তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। এখন বাজারে ৪ হাজার হেক্টর জমির কন্ড পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। কৃষক আবার ৪৯ হাজার ৪শত ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ রোপনের জন্য বীজতলা তৈরী করছেন। এই পেঁয়াজ বাজারে আসতে ২ মাসের মতো সময় লাগবে। এই পেঁয়াজ বাজারে উঠলে বাজার স্থিতিশীল হয়ে আসবে।
পাবনা জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পেঁয়াজ উৎপাদন হয় সুজানগর, সাঁথিয়া , বেড়া ও চাটমোহরে। এর মধ্যে বেশী আবাদী এলাকা হলো সাঁথিয়া ও সুজানগর বলে জানান, পাবনা খামারবাড়ীর উপ সহকারী পরিচালক মো: ওমর আলী ।
এদিকে, নতুন পেঁয়াজ উঠতে দেরি হওয়ায় বাজারে নাবি মূলকাটা কন্ড পেঁয়াজ সামান্য উঠলেও সেটি পেঁয়াজ বাজার মূল্যে তেমন প্রভাব ফেলে দাম কমাতে পারছে না। সারা দেশেই পেঁয়াজের বাজার মূল্য আকাশ ষ্পর্শ করতে চাইছে। সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে এই দশা তৈরী হয়েছে বলে অভিজ্ঞজনেরা বলছেন। আমাদানীকৃত পেঁয়াজ দ্রুত বাজারে আসলে পেঁয়াজের মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে। তবে এর মধ্যেই পেঁয়াজ থেকে কোটি কোটি কালো টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মুনাফা লুটেরা দল। সূত্র মতে,
সিন্ডিকেট এবার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমাদানী বন্ধ হওয়ায় এবং দেশে প্রবল বর্ষণ, বন্যার অজুহাতে পেঁয়াজের দাম আকাশ ছোঁয়া অবস্থায় নিয়ে যায়। এই অবস্থা এখনও চলছে। পেঁয়াজের বাজার মূল্য চড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কাচা তরিতরকারির দামও বাড়ছে প্রতিদিন। ২০ টাকা প্রতি কেজির মূলা পাবনার বাজারে ৩০ টাকা , কাঁচা মরিচ ৫০-৬০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, কপি ৬০ টাকা, শিম ৬০ টাকা বেগুন ৬০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন