ঢাকা, বুধবার , ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আমিই এলডিপি, বাকিরা ভুয়া: কর্নেল অলি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:৫৯ পিএম

‘আমি এলডিপি প্রতিষ্ঠা করেছি এবং ১২ বছর যাবৎ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এলডিপি থেকে বাদ পড়ে যারা আজ নতুন কমিটি করেছে তারা আমার ভাইয়ের মতো ও সন্তান সমতুল্য। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার শিক্ষা আমার বাবা-মা দেননি। বাংলাদেশে বহু দল আছে তারা না হলে আরও একটা করল। তাতে ক্ষতির কি আছে?’- লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় মুক্তিমঞ্চের আহ্বায়ক ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম এসব কথা বলেছেন।

অলি আহমদ বলেন, আমিই এলডিপি, বাকিরা ভুয়া। এলডিপি আমার নামে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। যার নিবন্ধন নম্বর ০১। অন্য কারও এলডিপি নামে দল করার অধিকার নেই।

সোমবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

এলডিপির এ নেতা বলেন, কেউ যদি নিজের বাবার নাম বাদ দিয়ে আমার নামে পরিচিত হতে চায় তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। যারা নতুন কমিটি করেছে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নয় যে, তাদের নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল এলডিপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, দেশে বিরাজমান নৈরাজ্য, দুর্নীতি, বিচারহীনতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, জনগণের ওপর অত্যাচার, অনাচার এবং জবাবদিহিহীন পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকার দায়ী। কারণ তারা কখনও জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়নি। অনতিবিলম্বে তাদের উচিত ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করে, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য পথ সুগম করা।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় মুক্তিমঞ্চ কোনো অবস্থাতেই প্রতিশোধ এবং প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। কারো প্রতি অবিচার হোক সেটা আমরা কামনা করি না। বরং সবার প্রতি ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগ এবং সমান অধিকারে আমরা বিশ্বাসী। সুতরাং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করে যেতে হবে। দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশ আমাদের সবার। কারো প্রতি আমরা অবিচার বা অন্যায় করব না। জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা এবং অন্যায় কাজ পরিহার করতে হবে। গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম বীরপ্রতীক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ ও জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এহসান হুদা, জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
মজলুম জনতা ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:০৮ পিএম says : 0
রাজনিতিতে আমিত্ব থাকলে দলের মধ্যে গনতন্ত্র আছে এমনটা মনে হয়না।আসলে আমাদের দেশে নেতা নেত্রীকেন্দ্রিক রাজনিতি।গনতন্ত্রের চর্চানেই।নেতা যা বলেন তা ই মেনে নিতে হবে।এখন এমনটা ই গনতন্ত্র।কাউনসুলর/ডেলীগেট কেন করা হয়?এদের ভোটের মাধ্যমে কি পদ পদবী করা হয়।
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন