ঢাকা, শনিবার , ২৫ জানুয়ারী ২০২০, ১১ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

খেলাধুলা

কায়েসের ব্যাটে লড়াইয়ের আভাস

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৪:১৯ পিএম

ফাইল ছবি


ফার্নান্দোর বিদায়ের পর দ্রুতই দলকে আবার সাফল্য এনে দেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক। তার বলে লেগ বিপোরের ফাঁদে পড়ে আউট হন রায়ান বার্ল। তারপর কায়েস ও ওয়ালটন হাল ধরেছেন দলের। কায়েসের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এগুচ্ছে চট্টগ্রাম। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৩৫ রানে অপরাজিত আছেন।

স্কোর : ১২ ওভারে ৪ উইকেটে ৯১ রান। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৮ ওভারে ৭২ রান।

৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে চট্টগ্রাম

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরতে ভালোই জবাব দিচ্ছিল ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ১৮ রান তোলার পর চতুর্থ ওভারে জুনায়েদ ও নাসিরকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দিয়ে চট্টগ্রামকে চাপে ফেলেন নাজমুল। অবশ্য পরের ওভারে সোহাগ গাজীর বলে ২টি ছয় ও ২টি চারে ২০ রান আদায় করেন লঙ্কান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো। কিন্তু পরের ওভারে ক্যারিবীয় পেসার সান্তোকির বলে মিসটাইমিংয়ে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন এই ওপেনার। ক্যাচ নিতে ভুল করেননি মেন্ডিস। ৩৩ রানেই শেষ হয় তার ইনিংস।ইমরুল কায়েস ১ রানে অপরাজিত আছেন।

চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৬ ওভারে ৩ উইকেটে ৪২ রান।

চট্টগ্রামকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল সিলেট

টসে হেরে যাওয়ার পর সিলেট অধিনায়ক জানিয়েছিলেন ১৭০ রান হতে পারে প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ। সিলেটের ইনিংসের শুরুটা উইকেট পতণ দিয়ে হলেও শেষটা হয়েছে কাঙ্খিত অর্জণের কাছাকাছিতেই। রনি তালুকদারের দ্রুত ফেরার পর ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান জনসন চার্লসের প্রতিরোধ। তবে সেই প্রতিরোধ নাসুমের স্পিনের সামনে হার মানে। সরাসরি বলের লেন্থ না বুঝে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। তখন ক্রিকেজ মিঠুনের সঙ্গে যোগ দেন শ্রীলঙ্কান মারকুটে ব্যাটসম্যান জীবন মেন্ডিস। তবে চট্টগ্রাম অধিনায়কের বলে ক্যাচ দিয়েই ফিরে যান তিনি। তারপর মোসাদ্দেককে সঙ্গে নিয়ে মিঠুন করতে থাকেন তার কাজ। মাত্র ১৪ ওভারেই পূর্ণ করেন দলীয় শতরান। এরপর ১৯তম ওভারে দলীয় দেড়শ রানও আসে এই দুই ব্যাটসম্যানের যৌথ প্রযোজনায়। ইনিংসের শেষ ওভারে রুবেলের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২৯ রানে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন মোসাদ্দেক। তার বিদায়ে ভাঙে ৯৬ রানের জুটি। শেষ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ১ উইকেট তুলে নিলে সিলেটের সংগ্রহ আটকে যায় ১৬২ রানেই। মিঠুন ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর : 
সিলেট থান্ডার : ২০ ওভারে ১৬২/৪ (রনি ৫, চার্লস ৩৫, মিঠুন ৮৪*, মেন্ডিস ৪, মোসাদ্দেক ২৯, নাজমুল ১; নাসুম ১/৩৪, রুবেল ২/২৭, ইমরিত ১/৩৮, মুক্তার ০/২২, নাসির ০/২২, বার্ল ০/১৫)
মিঠুনের ব্যাটে এগুচ্ছে সিলেট
শুরুতেই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রনি তালুকদারের পতণের পর ঝড় তুলেছিলেন আরেক ওপেনার জনসন চার্লস (৩৫)। তাকে ফেরানোর পর চ্ট্গ্রামের অধিনায়ক রায়াদ এমরিত তুলে নেন লঙ্কান অলরাউন্ডার জীবন মেন্ডিসকে (৪)। তারপর মিঠুন-মোসাদ্দেক জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছে সিলেট। মিঠুন ৪৬ ও মোসাদ্দেক ৫ রানে অপরাজিত আছেন।
দলীয় সংগ্রহ ১৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯৯ রান।
প্রথম উইকেট রুবেলের
জমকালো উদ্বোধনের দু’দিন পর শুরু হয়েছে মাঠের লড়াই। সেই লড়াইয়েও জৌলুস ধরে রেখেছেন ক্রিকেটাররা। তবে চার-ছক্কার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখালেন এক বোলার। এবারের বিশেষ ‘বঙ্গবন্ধু’ বিপিএলের প্রথম উইকেট শিকারি বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন।
আজ বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর দেড়টায় শুরু হওয়া সপ্তম আসরের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মুখোমুখি সিলেট থান্ডার। টস জিতে বোলিং বেছে নেয়া চট্টগ্রামকে শুরুতেই সুফল এনে দেন রুবেল।
নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই চতুর্থ বলে রনি তালুকদারকে উইকেটের পেছনে নুরুল হাসান সোহানের তালুবন্দি করান তিনি। একটি চারে রনির করা ৫ রানই তখন চট্টগ্রামের দলীয় সংগ্রহ।
তবে এরপর চট্টগ্রামের বোলারদের উপর চড়াও হন আরেক ওপেনার জনসন চার্লস। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে সিলেটকে কক্ষপথে ফিরিয়ে ফিরে গেছেন তিনিও। বাংলাদেশি বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের বলে বোল্ড হবার আগে ২৩ বলে ৭টি চারে এই ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান খেলেন ৩৫ রানের ঝলমলে এক ইনিংস।
৮ ওভার শেষে ২ উইকেট হারানো সিলেটের সংগ্রহ ৫৮। মোহাম্মদ মিঠুন ব্যাটকরছেন ১৩ রান নিয়ে। ২ রান নিয়ে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লঙ্কান জীবন মেন্ডিস।
একই ভেনুতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে দুই হেভিওয়েট দল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ওরিয়র্স ও রংপুর রেঞ্জার্স।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন