ঢাকা, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ জামাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-ক্ষমতা খর্ব হলো ট্রাম্পের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ১১:৩২ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন নিজের ইচ্ছামতো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন সেজন্য তার ক্ষমতা খর্ব করতে প্রতিনিধি পরিষদে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের এই ভোটে ট্রাম্পের ক্ষমতা খর্বের পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। খবর বিবিসির।

বৃহস্পতিবার ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ওই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন বিরোধী ডেমোক্রেট দলের সদস্যরা। এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ২২৪ জন এবং বিপক্ষে ১৯৪ জন ভোট দিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হলেও কোনো পক্ষই সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়নি। গত সপ্তাহে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে গত বুধবার ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।

তারপর থেকে দু'দেশের মধ্যে যুদ্ধের দামামা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প যেন হুট করেই নিজের সিদ্ধান্তে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে না পারেন সেজন্যই প্রতিনিধি পরিষদে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনার পক্ষে ভোট হয়েছে।

এই প্রস্তাবনা পাসের ফলে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অবশ্যই কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে।

প্রতিনিধি পরিষদের এই প্রস্তাবনা সিনেটে ওঠা অন্যান্য প্রস্তাবনার মতোই। এই প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, কংগ্রেস থেকে পরবর্তীতে কোনো অনুমোদন না পেলে প্রেসিডেন্টকে ৩০ দিনের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া বন্ধ করতে হবে।

তবে এই প্রস্তাবনা রিপাবলিকান অধ্যুষিত সিনেটে পাস হওয়া বেশ কঠিন হবে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ রিপাবলিকান সদস্যদের বেশিরভাগেরই ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন রয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (8)
Imran H Rahat ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৪ পিএম says : 0
সম্পূর্ণটাই একটা নাটক। মুসলিম বিশ্বের সামরিক বীর সোলায়মানিকে হত্যা করে এখন তারা শাক দিয়ে মাছ ডাকতেছে। আমেরিকান কোনো পলিটিশিয়ানই মুসলমানদের মিত্র হয় না, ইতিহাস তাই বলে। যখনই মুসলিম বিশ্বে কোনো বীর উঠে এসে আমেরিকানদের বিরোধী করে তখনই তাকে হত্যা করা হয় তারপর এমন ভাবে শাক দিয়ে মাছ ঢাকা হয় যেনো পরিস্থিতি মুসলিমদের অনুকূলে এমনটা সাজানো হয় আর আমরা মুসলিমরা বোকাও বোনে যাই ওদের নাটকে। কিন্তু নতুন আবার কোনো প্রেসিডেন্ট আসলে আবারও মুসলমানদের অত্যাচার করতে থাকে। মুসলিম বীরের জাতি কিন্তু কিছু বাটপার মুসলিম লিডারদের ব্যাবহার করে সাধারণ মুসলমানদেরও বোকা বানাচ্ছে ঐ মার্কিনীরা।
Total Reply(0)
Liakot Ali ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৪ পিএম says : 0
চিন্তা করিস না ভাল হয়ে যা।
Total Reply(0)
Amjad Hossain Akas ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৪ পিএম says : 0
সহমত পোষণ করছি
Total Reply(0)
Md Maroof Korhi ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৫ পিএম says : 0
very good decision indeed for the world
Total Reply(0)
Abul Kashem Bablu ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৫ পিএম says : 0
আমেরিকার টার্গেট সফল হয়ে গেছে। ইরানের মিশাইলে আমেরিকার চুলও নষ্ট হয়নি।
Total Reply(0)
কাজী হাফিজ ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৬ পিএম says : 0
ট্রাম্পের উচিত রাজনীতি ছেড়ে রেস লিং খেলায় যোগ দেয়া
Total Reply(0)
Rakib Hasan ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৬ পিএম says : 0
মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিনীরা চলেগেলেই এই ভুখন্ড শান্ত থাকবে। তারা ২০০৩ সালের পর থেকে এই অঞ্চলে শান্তির নামে মানুষ মেরেছে, বরং অশান্তি বহু গুন বেরেছে, ইরানের উচিত হবে যদি মার্কিনীরা হামলার জবাব না দেয়, তবে তারা যুদ্ধ পরিহার করা, যদ্ধ কখনো শান্তির পথ দেখায় না
Total Reply(0)
Anwarul Chowdhury ১০ জানুয়ারি, ২০২০, ৪:০৬ পিএম says : 0
ইরান ই একমাএ দেশ ,জিহাদ করতে জানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে,জয় ইউক সত্যের ,জয় ইউক মানবতার , পয়োজনে এভাবেই সবাইকে জিহাদ করতে হবে.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন