ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২ ফাল্গুন ১৪২৬, ৩০ জামাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

ইসলামী জীবন

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

| প্রকাশের সময় : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০২ এএম

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
প্রশ্ন : আমার বয়স ৬০ এর উপরে। বিভিন্ন অসুস্থতার জন্য প্রায়ই হাসপাতালে যেতে হয়। সেখানে মহিলা ডাক্তার, নার্সদের সেবা নিতে হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তারা দেহে স্পর্শও করেন। এটা কি আমার জন্য জায়েজ হবে।
আব্দুল হামিদ, মিরপুর, ঢাকা।
উত্তর : যথা সম্ভব চেষ্টা করবেন মহিলা ডাক্তার ও নার্সদের স্পর্শ বা সংগ এড়াতে। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে চিকিৎসার প্রয়োজনে জরুরী পরিমাণ সহায়তা নেওয়া যাবে। যেমনটি পর্দানশীন নারীদের বেলায়ও শরীয়ত জায়েজ রেখেছে। যদি মহিলা ডাক্তার পাওয়া না যায়, তাহলে নারীরাও বেগানা পুরুষ ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে পারেন। ইসলাম সহজ ও বাস্তববাদী ধর্ম। আর নিজেকে মানসিক ভাবে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রত্যেকের নিজের দায়িত্ব। যা তাকওয়ার দ্বারা অর্জিত হয়।
প্রশ্ন : আমি একজন অবিবাহিত ছেলে। আমার বিয়ের বয়স হয়েছে। আমার ফ্যামিলি আমাকে বিয়ে করাতে চাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে ইসলাম কোন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে গুরুত্ব দিয়েছে? জানালে উপকৃত হবো।
মোহাম্মাদ নাসিম, জগন্নাথ পুর, ভৈরব।
উত্তর : প্রথম দেখবেন তাদের ঈমান আকীদা ও ধার্মিকতা। পারিবারিক শিক্ষা-দীক্ষা সংস্কৃতি ও আদব কায়দা। পাত্র-পাত্রীর দাদা নানার পরিবার ও ঐতিহ্য। এরপর উভয় পরিবারের চিন্তা, রুচি, অর্থ ও সামাজিকতার সমতা। ইসলামে যে নীতিমালা দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা আছে, ১. ধার্মিকতা, ২. বংশ, ৩. সৌন্দর্য, ৪. অর্থ সম্পদ। এসব বিষয়েই উভয় পক্ষের একটি সমন্বয় প্রয়োজন। আর এ সমতার নামই ‘কুফু’। শরীয়তে কুফুর গুরুত্ব অত্যধিক। এক্ষেত্রে সমন্বয় না থাকলে সংসারে চরম অশান্তি বিরাজ করে। তবে সবকিছুর ওপর ধার্মিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার হুকুম দিয়েছেন মহানবী সা.।
-আল্লামা মুফতী উবায়দুর রহমান খান নদভী

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন