ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭ আশ্বিন ১৪২৭, ০৪ সফর ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

দাবানলের পর বন্যার কবলে অস্ট্রেলিয়া

বিরূপ প্রকৃতির বিপরীত চিত্র

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ এএম

ভয়াবহ দাবানলের পর এবার আকস্মিক বন্যার কবলে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার। বিভিন্ন রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে দেশটির ভিক্টোরিয়া, নিউ সাউথ ওয়েলস এবং কুইন্সল্যান্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, ভিক্টোরিয়ার উপকূলে ফ্রেঞ্চ দ্বীপে দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় সেখান থেকে নিরাপত্তার কারণে পর্যটক ও স্থানীয়দের চলে যেতে বলা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা বলছেন, বৃষ্টিপাতের কারণে দাবানল মোকাবিলায় সুবিধা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে তারা দাবানল নিয়ন্ত্রণে আবহাওয়ার সুবিধা পাচ্ছেন। তবে নিউ সাউথ ওয়েলসে প্রবল বর্ষণ ও ঝড়ের ফলে বেশ কিছু এলাকায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভিক্টোরিয়ার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার দিনভর রাজ্যের কেন্দ্রীয় ও পূর্বাঞ্চলে বজ্রঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজ্যের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ঝড় আরও তীব্রভাবে আঘাত হানতে পারে। স্থানীয় দমকল বিভাগ এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, আগুনে জ্বলতে থাকা বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টি পড়ছে, তবে দূরবর্তী দক্ষিণ উপকূল এবং ওই এলাকার সীমান্তে এখনো আর্দ্রতা পৌঁছায়নি।

গত কয়েকমাসে অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সবচেয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে কুইন্সল্যান্ডে। কয়েকটি স্থানে পানি ১৩ ইঞ্চি উচ্চতায় পৌঁছেছে। বেশ কিছু প্রধান সড়ক ও আবাসিক এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে এতে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। খারাপ আবহাওয়ায় কুইন্সল্যান্ডের বড় কয়েকটি সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া নিউ সাউথ ওয়েলসের কিছু এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এসব অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতে বন্যার সম্ভাবনা দেখা দিলেও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এখনো দাবানলের আগুনে পুড়ছে। ক্যাঙারু আইল্যান্ডে এখনো বৃষ্টি নামেনি। এদিকে, মেলবোর্নের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে ফ্রেঞ্চ দ্বীপের রিজ ট্র্যাকে দাবানলের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা দ্রুত দক্ষিণে ম্যাকলিডস রোডের দিকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখান থেকে সবাইকে জরুরি ভিত্তিতে চলে যেতে বলেছে ভিক্টোরিয়া সরকার। ফ্রেঞ্চ দ্বীপ হচ্ছে ভিক্টোরিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ, এর ৭০ শতাংশ এলাকা হচ্ছে জাতীয় উদ্যান। অস্ট্রেলিয়ায় এই দ্বীপেই সবচেয়ে বেশি কোয়ালা বাস করে।

গত প্রায় চার মাস ধরে চলা ভয়াবহ দাবানলে অস্ট্রেলিয়ায় এখন পর্যন্ত ছোট-বড় মিলে প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি প্রাণী মারা গেছে। ধ্বংস হয়েছে হাজার হাজার ঘরবাড়ি, পুড়ে ছাই হয়েছে লাখ লাখ একর জমির গাছপালা। তার উপর ভারী বৃষ্টিপাতে নতুন করে বন্যার শঙ্কায় পড়েছে দেশটি। সূত্র: ডেইলি মেইল, নিউ ইয়র্ক পোস্ট।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Taibur Rahman Babul ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০২ এএম says : 0
যে জাতি পানির জন্য হাজার হাজার নিরীহ প্রাণী উট কে হত্যা করতে পারে আল্লাহর উপর কোন ভরসা করতে পারেনা তাদেরকে বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে তলিয়ে ফেরাউনের মতো ধ্বংস করুক আমিন।
Total Reply(0)
Shafiul Islam Shafi ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০২ এএম says : 0
পানির জন্য হাজার হাজার নিরীহ উট গুলিকরে হত্যা করার গজব।
Total Reply(0)
Zunaid Jamshed ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০৩ এএম says : 0
এবার তাড়াতাড়ি মিডিলইস্ট থেকে প্রচুর উট আমদানি করুন, যাতে তারা বন্যার পানি খেয়ে পানি কমিয়ে দিতে পারে
Total Reply(0)
Mizanur Rahman ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০৩ এএম says : 0
হে ওদের তো পানির দরকার!
Total Reply(0)
Mohammad Siam ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০৩ এএম says : 0
উ‌টের বদ দোআ
Total Reply(0)
Faisal Ahammad ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০৪ এএম says : 0
এইবার পানি খা
Total Reply(0)
মোহাম্মদ কাজী নুর আলম ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ১:০৪ এএম says : 0
আল্লাহ সর্বশক্তিমান, তার কোনো কিছুই বিষয় না।
Total Reply(0)
Rezaul Karim ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:১৪ পিএম says : 0
Allah Tader hedayet dan korun,
Total Reply(0)
সার্জেন্ট মোঃ শাহজাহান হায়দার (অবঃ) ২০ জানুয়ারি, ২০২০, ৮:২৫ এএম says : 0
উটের জীবন বাঁচাতে মহান সৃষ্টিকর্তার এ বার্তা। নিরীহ প্রাণীকে হত্যা না অনুরোধ জানাচ্ছি।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন