ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬, ০১ রজব ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

ভারত ছেড়ে মুসলিমের পালানোর সংখ্যা বাড়ছে

এনআরসি আতঙ্কে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ এএম | আপডেট : ১২:০৬ এএম, ২২ জানুয়ারি, ২০২০

ভারতে সিএএ ও এনআরসি নিয়ে এখনো বিক্ষোভ চলছে। কেন্দ্রীয় সরকারের আনা এই আইনগুলোর ফলে ভারতে বসবাসকারী মুসলমানরা নির্যাতিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে আতেঙ্কের কারনে ভারত অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসার ঘটনা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৫০ লাখ কথিত বাংলাদেশি মুসলিমকে ফেরত পাঠানো হবে।

গত সোমবার প্রকাশিত ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো (এনসিআরবি) এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে যাওয়ার পথে অবৈধ লোকের সংখ্যা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৮ সালে, বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার জন্য ২ হাজার ৯৭১ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল, যখন ২০১৭ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৮০০ জন। এনসিআরবি জানিয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১ হাজার ৫৩২ জন পুরুষ, ৭৪৯ জন মহিলা এবং ৬৯০ শিশু। অন্যদিকে, রিপোর্ট অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমে গিয়েছে। ২০১৭ সালে, এই সংখ্যা ১ হাজার ১৮০ জন, ২০১৮ সালে সেই সংখ্যা ১ হাজার ১১৮ জনে পৌঁছেছে।

এনসিআরবি-র রিপোর্টে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেরোজাম ও আসামে বিএসএফ জওয়ানরা গ্রেপ্তারকৃতদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে উল্লেখ করেনি। তবে বলা হচ্ছে যে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা মানুষের সংখ্যাতে এই বৃদ্ধি আসামের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধকের (এনআরসি) দ্বিতীয় তালিকার পরে এসেছে।

এদিকে, গত রোববার উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় সিএএ ও এনপিআরের সমর্থনে সভাসমাবেশে দিলীপ ঘোষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন, সরকার দেশজুড়ে এনআরসি চালু করতে বদ্ধ পরিকর। তার হুশিয়ারি, ভিন্ন সম্প্রদায়ের ৫০ লাখ অনুপ্রবেশকারী, যারা ওপার বাংলা থেকে এ দেশে এসে ঘাঁটি গেড়েছেন, তাদের চিহ্নিত করে প্রথমে ভোটার কার্ড থেকে নাম কাটা হবে। তার পরে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। দিলীপ ঘোষের ভাষ্য, এই মুসলিমরা সরকারের দেয়া দু’রুপি দরে ভর্তুকির চাল হজম করে দিচ্ছে। এরাই রাজ্যজুড়ে হিংসার ঘটনায় যুক্ত। তার মতে, যারা সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছেন তারা আসলে বাঙালি-বিরোধী এবং ভারত-ভাবনার বিরোধী। তাই তারা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিরোধীতা করছে। এদিন সিএএ-এর সমর্থনে নৈহাটিতে এক সভায় দিলীপ ঘোষ বলেন, যারা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নষ্ট করবে, তাদের গুলি করে মারা হবে। আমরা ক্ষমতায় এলে গুলির পর গোলাও চালাবো। সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে, টিওআই।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
Abdullah As Sultani ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ২:১৭ এএম says : 1
اللهم احفظ المسلمين في مكان امين يارب العالمين
Total Reply(0)
শফিক রহমান ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৪ এএম says : 1
এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়
Total Reply(0)
মিনার মুর্শেদ ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৫ এএম says : 1
বিশ্ব মুসলিম নেতাদের উচিত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া।
Total Reply(0)
কাওসার আহমেদ ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৫ এএম says : 1
এনআরসি আতঙ্কে ভারতের জন্য অমঙ্গল ডেকে আনবে।
Total Reply(0)
খুরশিদ শাহ ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৬ এএম says : 1
হে আল্লাহ তুমি ভারতের মুসলমাদেরকে তুমি হেফাজত করো।
Total Reply(0)
তুষার আহমেদ ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৭ এএম says : 1
ভারতের দেশপ্রেমিক মানুষদের উচিত এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করা।
Total Reply(0)
সাব্বির আহমেদ বাবু ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ৩:০৭ এএম says : 1
এভাবে চলতে থাকলে এর একটা বিশাল প্রভাব বাংলাদেশে পরবে।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন