ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৭ আশ্বিন ১৪২৭, ১৪ সফর ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ফায়ার ফাইটিং যন্ত্রপাতি দেশেই তৈরী করতে হবে

ফায়ার সেফটি এক্সপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৬:১০ পিএম

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু বাংরাদেশের স্বাধীনতা এবং দেশের মানুষের অর্থনৈকিত মুক্তির জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে আমি একুশ বছর বয়সে বাবার সাথে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। আজ তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই আমরা এখন স্বনির্ভর। তৈরী পোশাক শিল্পে আমরা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছি। অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। শিল্পের জন্য ফায়ার সেফটি এন্ড সিকিউরিটি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন। এ সেক্টরের অনেক যন্ত্রপাতি এখনো আমরা আমদানি করছি। আমাদের সুযোগ ও দক্ষতা আছে এ ধরনের যন্ত্রপাতি তৈরী করার। ফায়ার ফাইটিং যন্ত্রপাতি দেশেই তৈরী করতে হবে। নিজেরাই এ যন্ত্রপাতি তৈরী করলে আমাদের আর আমদানি নির্ভর থাকতে হবে না, একই সাথে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহষ্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এসোসিয়েমন অফ বাংলাদেশ (ইএসএসএবি) আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী ৭ম ইন্টারন্যাশনাল সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, তৈরী পোশাক শিল্পে দেশে অভাবনীয় সফলতা এসেছে। রপ্তানির সিংহ ভাগ আসে তৈরী পোশাক খাত থেকে। বিশ্বর সেরা ১০টি গ্রীন ফ্যাক্টরির মধ্যে বাংলাদেরই সাতটি। এগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইলেক্ট্রনিক সেফটি এন্ড সিকিউরিটি একান্ত প্রয়োজন। একসময় এগুলোর ডিজাইন বিদেশ থেকে এক্সপার্ট নিয়ে এসে বিপুল অর্থ ব্যয় করে করতে হতো। এখন দেশের এক্সপার্টরাই তা করছেন। আমাদের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালে যারা জীবন দিয়ে আমাদের মায়ের ভাষা রক্ষা করেছেন, তারই পথ ধরে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তারা চায়নি সোনার বাংলা হোক। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জয়বাংলা শ্লোগান বদল করে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ করেছিল, বাংলাদেশ বেতারের নাম বদল করে রেডিও বাংলাদেশ করেছিল। এতেই তাদের উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয়ে যায়। ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু আজ নেই, আমরা তাঁর উদ্দেশ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।

উল্লেখ্য, এবারের এক্সপোতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মান, ইতালি, তাইওয়ান, তুরষ্কসহ ২৫টি দেশের ফায়ার সেফটি এন্ড সিকিউরিটি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য ৭৫টি স্টলে প্রদর্শিত হচ্ছে। রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে কোন ফি ছাড়াই এক্সপোতে প্রবেশ করা যাবে। এক্সপো চলবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

ইলেক্ট্রনিক সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর প্রেসিডেন্ট মো. মোতাহার হোসান খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক লেফট্যানান্ট কর্নেল এস এম জুলফিকার রহমান, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুনতাকিম আশরাফ, বিজিএমইএ’র প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহা. আব্দুস সালাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন, এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহা. মাহমুদ এবং এক্সপোর আহবায়ক জাকির উদ্দিন আহমেদ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন