ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

অভ্যন্তরীণ

সময়ের আগেই বাজারে তরমুজ

মো. মনসুর আলী, আদমদীঘি (বগুড়া) থেকে | প্রকাশের সময় : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০২ এএম

বগুড়ার সান্তাহারে অসময়ে বাজারে এসেছে আগাম জাতের ফল তরমুজ। দাম কম হওয়ায় বিক্রিও বেশি বলে জানান স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা। সাধারনত গ্রীষ্মকালে হাট-বাজারে পাওয়া যেত সব জাতের তরমুজ। বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির আবিস্কারে দেশে সবকিছুর বদলের সাথে তরমুজ চাষের পদ্ধতি বদলেছে। এখন দেশের তরমুজ চাষিরা এই লাভজনক ফল চাষ আগাম শুরু করেছে। ফলে শীতকাল শেষ না হতেই অসময়ে বাজারে উঠতে শুরু করেছে প্রিয় ফল তরমুজ। বর্তমানে এর দাম কম হওয়ায় বিক্রি হচ্ছে বেশী।
স্থানীয় বিসমিল্লাহ বীজ ভান্ডারের মালিক মো. মকছেদ আলী জানান, এখন বাজারে যেসব তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর নাম জাপানি টাকি কোম্পানির বিগ ফেমেলি ও রোয়েল ফেমেলি, কালো বøাকবেবি, বøাক লায়ন, বøাক সুইট। এসবের আগাম চাষ হচ্ছে সিলেট, সুনামগঞ্জের চর এলাকায়। তরমুজ শুধু শীতলকারক, তৃষ্ণা নিবারক ও প্রশান্তি দায়কই নয় চিকিৎসকরা জানায়, তরমুজে বিদ্যমান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে টিউমারের বৃদ্ধি হ্রাস করে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং হৃদযন্ত্রের শক্তি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হার্টএ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিহত করে।তরমুজে দেহের বিদ্যমান পটাশিয়াম ফ্লুরিড ও মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক রাখে, মাংসপেশীর অতিরিক্ত সংকোচন দূর করে। সারাদেহে স্নায়ু উদ্দীপনা প্রেরণ করে। শুধু তাই নয়, এটি মস্তিস্ক ফুসফুস যকৃৎ কিডনি ও পাকস্থলীকে শক্তিশালী করে, পেপটিক আলসার সৃষ্টিতে বাধা দেয় এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে থাকে। গ্রীষ্মকালিন সময়ে সব বয়সের মানুষের কাছে এটি প্রিয় ফল।
বর্তমানে এর দাম কম হওয়ায় বিক্রি হচ্ছে বেশী, সান্তাহারের হাটে-বাজারে আগাম জাতের বাংলালিংক এবং কালো তরমুজ ব্যাপক আমদানি হচ্ছে। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। যা গ্রীষ্মকালে যখন বাজারে প্রথম তরমুজ উঠে তখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হয়ে থাকে। ফলে বর্তমানে এর দাম কম বলে সবশ্রেনীর মানুষ কিনছে বলে স্থানীয় তরমুজ ব্যাবসায়ী আফতাব হোসেন।
আদমদীঘি উপজেলার কায়েতপাড়া গ্রামের তরমুজ ক্রেতা, ছাহের আলী জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ ফলের দাম বেশী তাই ছেলে মেয়েদের জন্য অন্যফলের চেয়ে তরমুজের দাম কম বলে তরমুজ কেনেছি।
স্থানীয় তরমুজ ব্যবসায়ী ছালাম আলী ও স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল জানান, বছরের প্রথম বাজারে তরমুজ উঠেছে মোকামের সাথে সামজস্ব রেখে অল্পলাভে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এখন যেদামে বিক্রি হচ্ছে গ্রীষ্মকালে এলে এর দাম বাড়বে এবং স্থানীয় নাটোর, নওগাঁর নজিপুর ও সাপাহারের তরমুজ বাজারে আমদানী হলে ফের কম দামে পাওয়া যাবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন