ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ওড়না খুলে নেয়া শিক্ষক রুবিনা সুলতানাকে শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৩৩ এএম

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বনশ্রী শাখায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রীদের ওড়না খুলে ক্লাসে ঢুকতে বাধ্য করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক রুবিনা সুলতানা। তার ক্লাসে কোন ছাত্রী ওড়না দিয়ে বুক ঢেকে রাখতে পারবে না এবং বোরকা পরতে পারবে না বলেও সতর্ক করে দেন। ছাত্রীদের ওপর অমানসিক এই নির্যাতনের পর কেউ প্রতিবাদ করলে স্কুল থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে গত ১৯ ও ২০ ফেব্রæয়ারি দৈনিক ইনকিলাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। অনেক অভিভাবক ইনকিলাব অফিসে ফোন করে ওই শিক্ষকের এমন কর্মকাÐকে ঘৃণ্য ও বিকৃত মানসিকতার উল্লেখ করে শাস্তির দাবি জানায়। কেউ কেউ দাবি করে বলেন, ছাত্রীদের যেভাবে তিনি ওড়না ছাড়া পোষাক পরতে বাধ্য করছেন একই রকম পোষাকে তাকেও স্কুলে আসতে বাধ্য করা হোক।

এদিকে ইনকিলাবে সংবাদ প্রকাশের পর ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক রুবিনা সুলতানাকে শোকজ (কারণ দর্শানো) নেটিশ দিয়েছেন আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল শাহান আরা বেগম। তিনি বলেন, আমি রুবিনা সুলতানাকে শোকজ নোটিশ দিয়েছি। কি কারণে করেছি সেটি বলতে চাই না। তবে বনশ্রী শাখার এক শিক্ষক জানান, ওড়না খুলে নেয়ার বিষয়টি যেভাবে ইনকিলাব পত্রিকায় তুলে ধরা হয়েছে এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে অভিভাবকসহ সর্বমহলে নেতিবাচক অবস্থান তৈরি হয়েছে। অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভেরও সঞ্চার হয়েছে। এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে শোকজ করেছে।

বৃহস্পতিবার ওড়না খুলেননি রুবিনা: গত মঙ্গলবার বনশ্রী শাখায় ৮ম শ্রেণির ইংরেজি ক্লাসে যেসব ছাত্রী ওড়না পরে উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের ওড়না খুলে নিয়ে টেবিলের ওপর রেখে দেন রুবিনা সুলতানা। ওই ক্লাসের ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, তিনি ছাত্রীদের বলেছেন ওড়না পরতে চাইলে মাথা ও ঘাড়ের মধ্যে জড়িয়ে রাখতে হবে কোনভাবেই কাধের নিচে ও বুকে তা রাখা যাবে না। এছাড়া ওই ক্লাসে বোরকা পরে আসা তিন ছাত্রীকে তিনি বোরকা ছাড়া ক্লাসে আসার নির্দেশ দেন। অন্যত্থায় ক্লাসে প্রবেশ করতে দেবেন না বলেও সতর্ক করেন। পরের দিন বুধবারও একই রকম কাজ করেন তিনি। যারা ওড়না পরে স্কুলে আসেন তাদের ওড়না খুলে তারপর ক্লাসে প্রবেশ করতে দেন। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষকের ক্লাসে আর এধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে ছাত্রীরা জানান। এদিন যারা ওড়না পরে গিয়েছিলেন তারা স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস করতে পেরেছেন। ###

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
shahed ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:০৬ এএম says : 0
আমরা একটি সুস্থ মানসিকতা সম্পন্ন শিক্ষাঙ্গন প্রত্যাশা করি। এসকল দুশ্চরিত্র-দুশ্চরিত্রাদের থেকে কোমল মতিরা নিরাপদ থাকুক।অবিভাবকরা সচেতন হোক। অভিযুক্ত শিক্ষিকার যথোপযুক্ত শাস্তি কামনা করি।আমিন।।
Total Reply(0)
Billal ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০০ এএম says : 0
এই মহিলা শিক্ষক নন। ওকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া দরকার
Total Reply(0)
Billal ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০০ এএম says : 0
এই মহিলা শিক্ষক নন। ওকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া দরকার
Total Reply(0)
Billal ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:০০ এএম says : 0
এই মহিলা শিক্ষক নন। ওকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া দরকার
Total Reply(0)
Md Habib ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:২৮ এএম says : 0
আইনমন্ত্রী নামের এলিয়েনটা উচু আওয়াজে বলে নামাজ বাধ্যতামূলক করা সংবিধানের বিরোধী এখন ওই এলিয়েন কে প্রশ্ন করা হোক কাউকে নিজের ধর্ম পালন করতে না দেয়া এটা কিসের মধ্যে পড়ে
Total Reply(0)
Abdullah ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ২:৫৯ এএম says : 0
ইসলামে মেয়েদের পর্দার বিধান একটি ফরজ বিধান। সুতরাং কোন ব্যক্তি জোর করে কাউকে ইসলাম পালনে বাধা দান করলে সেটা আইনের পরিপন্থি নয় কি!!!
Total Reply(0)
salman ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৫:৪৯ এএম says : 0
Purush Teacher holay na hoi onno kotha selo, J Oni hoito Luccha Teacher, BUK dekhtay chai. But WOMEN Teacher?? Rubila Rultana ? Amar Monay hoi Ai .... NASTIK, Na hoi LESBIUN.
Total Reply(0)
honolulu ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৬:২০ এএম says : 0
এই মহিলা শিক্ষক মুনাফেক বা লেসবিয়ান। আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম বজায় রাখতে, তাকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া এবং প্রকাশ্যে নগ্ন করা উচিত, যদি সে তার এই কাজের কারণ বলতে না পারে। এটাই হবে তার যথাযথ শাস্তি।
Total Reply(0)
মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:২৭ এএম says : 0
বেশকিছু দিন ধরেই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে মেয়েদের বোরকা, নিকাক এবং ওড়না পড়া নিষেধ করার বিষয়টি নিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীদের এবং তাদের অভিভাবকদের মধ্যে একটা চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। আমরা যখন পড়াশুনা শুরু করছি তখন থেকেই শুনেছি মাষ্টারমশাইয়েরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। আসলেও তাই। কারন বাবা মা তার সন্তানকে নিজে না পড়িয়ে একজন মাষ্টারের নিকট তুলে দেন একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য। আমার লেখাটি কিন্তু আপনাকে আক্রমন করার জন্য নয় বরং সামান্য উপদেশ দেয়ার জন্য। এইযে আপনি কোমলমতি মেয়েদের ওড়না পড়তে দিচ্ছেননা কাজটি ভাল করলেন। আচ্ছা বলুনতো আপনার মেয়েদের কি খুলা বুক রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছেন। নিশ্চয় দেননি। তাহলে কেন আপনার সন্তানতুল্য এসব কোমলমতি মেয়েদের সাথে এ রকম আচরন করলেন। আর আপনি এবং আপনার মেয়েরা যদি খোলা বুক নিয়ে রাস্তায় চলেন সেটা আপনি চলেন সেখানে আমি আপনাকে কিছু বলবনা। কিন্তু আপনি অন্য মেয়েদের আপনার মত চালাবেন তা কোন দিনও হতে পারেনা। আর আপনার মত কিছু বেহায়া উলংগপনা কিছু মহিলাদের জন্যই আজকের যুব সমাজ ধবংসের দারপ্রান্তে চলে গেছে। একসাথে চলাফেরা করে অথচ দুইদিন পরে শুনা যায় বন্ধুটি তাকে ধর্ষন করেছে। আপনি সম্মানিত ব্যক্তি। যা করেছেন তার জন্য আল্লার নিকট মাফ চেয়ে তওবা করুন আর মেয়েদের নিকট গিয়ে বলুন আমি ভূল করেছি। আশা করি মনে রাখবেন। মনে রাখবেন বেশী বারাবরি করা মোটেও ভাল নয়।
Total Reply(0)
চৌধুরী মিজানুর রহমান ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১১:৫২ পিএম says : 0
ঐ শিক্ষিকার কাপড় খুলে নেয়া উচিত।
Total Reply(0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন