ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬, ১২ শাবান ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ মানুষ

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য দাম বৃদ্ধি : বিভিন্ন রাজনীতিক দল

পঞ্চায়েত হাবিব | প্রকাশের সময় : ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০৬ এএম

দুই বছর পর আবারো বাড়লো বিদ্যুতের দাম। মার্চ থেকে গ্রাহককে ইউনিট প্রতি দাম বেশি দিতে হবে ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা করা হয়েছে। এ দিকে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করায় ক্ষুব্ধ কৃষকসহ সারা দেশের সাধারণ মানুষ। জনগণের পকেট কাটতেই বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই বর্তমান লুটেরা সরকার জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করতে চায় না দাবি করেছে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনীতিক দলের নেতরা।

গতকাল শুক্রবার বিএনপি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির (একাংশ), গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১১ বছরে ৯ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। জনগণকে শোষণ করে আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি-এলডিপির (একাংশ) সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেছেন, জনগণের পকেট কাটতেই বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণাকে যুক্তিহীন ও একপেশে অভিহিত করে বর্ধিত দাম প্রত্যাহারের আহŸান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি, সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। দুর্নীতির টাকা যোগান দিতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় শিল্প খাতগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। একই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন পোশাক শিল্প মালিক সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির মতো ব্যয়ভার বহন করা এখন শিল্পের জন্য কষ্টকর বলে মন্তব্য করেছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। রাজধানীর উত্তরা আব্দুল্লাহ পুরের বাসিন্দা মো: সাহেব আলী (৪৫) ইনকিলাবকে বলেন, সরকার ভোটের আগে ভালো কথা বলে। ভোট শেষ হলে জনগনের ওপর বিদ্যুতের বোঝা চাপিয়ে দেয়। এটা বন্ধ করা উচিত।

মহাখালীর বাসিন্দা আল আমিন (৫০) ইনকিলাবকে বলেন, বার বার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে বঙ্গবন্ধুর মর্যাদা নষ্ট করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন মুজিববর্ষে এটা বন্ধ করুন।
রাজধানীর মতিঝিল এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী জাহেদুল ইসলাম বলেন, সরকারের জনপ্রিয়তা নষ্ট করার জন্য এ গুলো করা হচ্ছে। আমার মতে প্রধানমন্ত্রীর উচিত দেশের স্বার্থে জনগণের স্বাথে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি বন্ধ করা।
গত বৃহস্পতিবার বিকালে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির আদেশ ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। মাত্রাতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা কমাতে তেলভিত্তিক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মেয়াদ না বাড়ানোরও আদেশ দিয়েছে বিইআরসি। অন্যদিকে দাম কমাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভোক্তারা। আর দাম বাড়ানোকে অন্যায় বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ডিসেম্বরের গণশুনানিতে ভোক্তা প্রতিনিধিদের করা আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্য হলো। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিট প্রতি ৩৬ পয়সা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আদেশ ঘোষণা করেছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

সবশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করে আদেশ দিয়েছিল এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। মার্চ থেকে কার্যকর হবে নতুন এই বিদ্যুতের দাম। ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৩৬ পয়সা। অর্থাৎ খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫.৩ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সা করা হয়েছে। খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানোয় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কিনতে হবে গড়ে ৭ টাকা ১৩ পয়সায়। বিদ্যমান হারে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম পড়ছে গড়ে ৬ টাকা ৭৭ পয়সা। এদিকে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ। আগামী মার্চ থেকে বর্ধিত এ ম‚ল্য কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

কমিশনের আদেশে বলা হয়, আবাসিকের লাইফ লাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা (শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট), সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৩ টাকা ৭৫ পয়সা (শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট), এরপর সাধারণ গ্রাহকদের প্রথম ধাপে ৪ টাকা ১৯ পয়সা, দ্বিতীয় ধাপে ৫ টাকা ৭২ পয়সা (৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট), তৃতীয় ধাপে ৬ টাকা (২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট), চতুর্থ ধাপে ৬ টাকা ৩৪ পয়সা (৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট), পঞ্চম ধাপে ৯ টাকা ৯৪ পয়সা (৪০১ থেকে ৬০০) ও ষষ্ঠ ধাপে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা (৬০০ ইউনিটের ঊর্ধ্বে)। সেচ বা কৃষিকাজে ব্যবহ‚ত প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ১৬ পয়সা। ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম গড়ে ৮ টাকা ৫৩ পয়সা। নির্মাণ খাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১২ টাকা। শিক্ষা, ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ক্ষেত্রে ৬ টাকা ২ পয়সা। রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা ৭০ পয়সা। ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট গড়ে ৭ টাকা ৬৪ পয়সা। বাণিজ্যিক ও অফিসের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট ঘণ্টায় গড়ে ১০ টাকা ৩০ পয়সা। এছাড়া অস্থায়ী ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিট ১৬ টাকা। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব মূল্যায়নে কমিশন জানিয়েছে, লাইফ লাইন গ্রাহকের (আবাসিক) ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিল বাবদ ব্যয় বাড়বে মাসে ৫ থেকে ১৭ দশমিক ৫০ টাকা।

নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, নিম্ন মধ্যবিত্ত গ্রাহকের (আবাসিক) গড়ে মাসে বিল বৃদ্ধি পাবে ৪৪ টাকা (প্রায় ৫ দশমিক ৯ শতাংশ), মধ্যবিত্ত গ্রাহক (আবাসিক) বিল বৃদ্ধি পাবে গড়ে ১১৪ টাকা (প্রায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ), সেচ গ্রাহকদের বাড়বে ১৮৮ টাকা (৫ দশমিক ৮ শতাংশ), ক্ষুদ্র শিল্প গ্রাহক ৮১০ টাকা (৪ দশমিক ৯ শতাংশ), মাঝারি শিল্প গ্রাহকের ১৭ হাজার ৩৪০ টাকা (প্রায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ), বৃহৎ শিল্প গ্রাহকের জন্য ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা (প্রায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ)।

গতকাল বিইআরসির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জলিল। নতুন ম‚ল্যহার অনুযায়ী, পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ টাকা ১৭ পয়সা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৪ টাকা ৭৭ পয়সা। এছাড়া বিদ্যুতের সঞ্চালন ম‚ল্য বা হুইলিং চার্জ ভারিত গড় শ‚ন্য দশমিক ২৭৮৭ টাকা থেকে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়িয়ে শ‚ন্য দশমিক ২৯৩৪ টাকা করা হয়েছে। বিদ্যুতের এমন দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমদানিকৃত কয়লার ওপর ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট ধার্য, ক্যাপাসিটি চার্জের পরিমাণ বৃদ্ধি, অপচয় ব্যয় বৃদ্ধি, তুলনাম‚লক কম ম‚ল্যে পল্লী বিদ্যুতের অধীনে সমিতিগুলোর অধিক পরিমাণ বিদ্যুৎ ক্রয় বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ঋণের অর্থে যেসব বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হয়েছিল, সেগুলোর সুদ পরিশোধ ও প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের ওপর ১০ পয়সা হারে ডিমান্ড চার্জও বিদ্যুতের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ।

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব সম্পর্কে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তার ৫৮ শতাংশের বেশি বিদ্যুৎ ক্রয় করেন পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা। তাদের জন্য আমরা ৩ টাকা ৭৫ পয়সা প্রতি ইউনিটের ম‚ল্য নির্ধারণ করেছি। বিদ্যুৎ না কিনেও কেন্দ্রগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়ার প্রভাবে দাম বেড়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশন সদস্য বজলুর রহমান বলেন, চুক্তি অনুযায়ী যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ রয়েছে, সেগুলো মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত থাকবে। আর মেয়াদ শেষ হওয়া কেন্দ্রগুলোর যাতে আর মেয়াদ বৃদ্ধি করা না হয়, সেজন্য কমিশনের আদেশে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিদ্যুতের ম‚ল্যহার পরিবর্তনে বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের ওপর গত বছরের ২৮ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি। ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনের সিদ্ধান্ত জানানোর বিধান রয়েছে।

২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের ম‚ল্য বাড়ানো হয়। সে সময় ইউনিট প্রতি ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ হারে ম‚ল্য বাড়ানো হয়, যা একই বছরের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়। তবে ওই সময় পাইকারি বিদ্যুতের ম‚ল্য বাড়ানো হয়নি। সর্বশেষ ২০১৫ সালে পাইকারি বিদ্যুতের ম‚ল্য ১৮ দশমিক ১২ শতাংশ বাড়ানো হয়।

বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, এ রকম অবস্থায় বিদ্যুতের দাম বাড়ায় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়ে মারাত্মক সঙ্কটের মধ্যে পড়বে রফতানিমুখি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো। আর স্থানীয় বাজারনির্ভর শিল্পগুলো রুগ্ন হয়ে যাবে।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক ইনকিলাবে বলেন, সিদ্ধান্তটি শিল্প সহায়ক নয়। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির মতো ব্যয় বহন করা শিল্পের জন্য এখন কষ্টকর হবে। তিনি বলেন, গত চার বছরে আমাদের ব্যয় বেড়েছে ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (9)
Md Mizanur Rahman Mizan ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩১ এএম says : 0
এখন থেকে তারে কারেন্ট খেয়ে ফেলবে
Total Reply(0)
আকাশ চৌধুরী ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩১ এএম says : 0
যা বেতন পাই,,,বাড়ি ভাড়া দেবার পর কষ্টে মাসের অর্ধেক যায় না।এভাবে একটু একটু করে না মেরে ,,,এক লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে আমাদের মেরে ফেলেন।আমরা আর পারছি না।
Total Reply(0)
Ying Xiong ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩১ এএম says : 0
এটা কি সরকার এর বাবার দেশ, যখন যা ইচ্ছে হবে তাই করবে,, দুনিয়ার মধ্যে বাংলাদেশই এমন একটা দেশ শুধু বাড়তে থাকে, লজ্জা করে না এইসব হিজড়া টাইপ রাজনীতিবিদদের
Total Reply(0)
হিমালয় কন্যা ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩২ এএম says : 0
নাগরিকদের এভাবে শোষণ করে দেশ চালানোর ফলাফল ভালো হয় না। অন্যান্য দেশের স্বৈরশাসকেরা বেশি দিন ক্ষমতায় ছিল নাগরিকদের সকল সুবিধা দিয়ে, এভাবে শোষণের যাঁতাকলে পিষে নয়।
Total Reply(0)
Sakiul Islam ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩২ এএম says : 0
বিদ্যুৎতের দাম বেশি বাড়ালে দেশে আর বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না।দাম না বাড়িয়ে দূর্নীতিবাজদের ধরতে পারলে, আরো কম দামে বিদ্যুৎ দেয়া যাবে।
Total Reply(0)
Mohmmad Ansary ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩২ এএম says : 0
এই সরকার চোর আওয়ামী আমলাদের কিছু করতে পারবে না, শুধু সাধারণ মানুষের দৈনিক ব্যায় ভারিয়ে দিতে পারে, বার বার গ্যাস বিদ্যুৎ এবং গরীবের সুশনের ব্যবস্হা করতে পারে, লম্বা লম্বা আশা দেখান।
Total Reply(0)
Abbas Ahmed ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩২ এএম says : 0
দাম না বাড়ালে সরকার তাদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন দিবে কোত্থেকে??? সাধারণ মানুষ তো আর সরকারের এখন কোন কাজে লাগে না সুতরাং যারা কাজে লাগবে তাদের কে তো সন্তুষ্ট রাখতে হবে।
Total Reply(0)
Manir Haque ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩৩ এএম says : 0
গরিব মারার সরকার.. আর ধনী রা দেশের হাজার কোটি টাকা চুরি করলে ও তাদের কোন বিচার নাই.. গরিবের টাকা দে আর সরকার কিছু চোরকে সে টাকা চুরি করার ব্যবস্তা করে দে..
Total Reply(0)
Amir Johnsan ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১:৩৩ এএম says : 0
হুম সরকার তো বর্তমানে দেশের সবকিছু মগের মুল্লুক মনে করে। প্রথমে চাল,পেয়াজ, বাস ভারা, সিগারেট, সোনা রুপা,গ্যাস পানি থেকে শুরু করে পুরো জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলছে এই সরকার।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন