বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৫ রবিউস সানী ১৪৪৩ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

‘যে কোনো খোঁজ নেয় না, তার সঙ্গে কিসের সংসার করবো’

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৪ মার্চ, ২০২০, ২:৩৫ পিএম

অনিক মাহমুদ হৃদয়কে বিয়ে করে সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের একসময়কার তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। বিয়ের পরের বছরই এ দম্পতির ঘর আলোকিত করে আসে এক পুত্রসন্তান। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভেঙে গেল সেই সংসার!

২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনিককে বিয়ে করেন শাবনূর। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি স্বামীকে তালাকের নোটিশ পাঠান শাবনূর। ডিভোর্স নোটিশে স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অনেক অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রী শাবনূর। নিজের সই করা নোটিশটি অ্যাডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে স্বামীকে পাঠিয়েছেন তিনি।

শাবনূর বলেন, সে আমার আর সন্তানের কোন দায়িত্বই নেয়নি। কোনো খোঁজও নেয় না। তাহলে তার সঙ্গে কিসের সংসার করবো?

শাবনূর মনে করেন, এমন সংসার থাকার ছেয়ে না থাকাই ভালো। যে বাবা ছেলের জন্মের পর থেকে সে আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে এবং অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আলাদা বসবাস করছে। তার সঙ্গে থাকা সম্ভব না।

নোটিশে অনিকের সঙ্গে ‘বনিবনা হয় না’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নোটিশের অনুলিপি অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজী অফিস বরাবরও পাঠানো হয়েছে। এই তালাক নোটিশে সাক্ষী রয়েছেন মো. নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামে দুজন।

শাবনূর জানিয়েছেন, সব সময় মদ্যপ থাকার কারণে স্ত্রী-সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন করেন না অনিক। অস্ট্রেলিয়ায় এমন একাকি জীবনে ঠিকমতো শাবনূরের যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করে না।

এরপরও সব মেনে নিয়ে স্বামীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলে উল্টো অমানসিক নির্যাতন সইতে হয়েছে শাবনূরকে। এসব কারণে তার জীবনে অশান্তি নেমে আসে। এক সময় বিরক্ত হয়েই শাবনূর স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে শাবনূরের স্বামী অনিক মাহমুদের সঙ্গে ডিভোর্স চেয়ে নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে কথা হলে তিনি শাবনূরের এমন কোন নোটিশ পাননি বলেই জানান। অনিক বলেন, কে বা কারা এই ধরনের খবর ছড়িয়েছে। অনিকের দাবি, আজ সকালেই শাবনূরের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। কিন্তু ডিভোর্সের ব্যাপারে তো কোনো কিছু বলেননি।

উল্লেখ্য, বছর তিনেক আগেও মিডিয়ায় শাবনূর-অনিকের ছাড়াছাড়ির গুঞ্জন ওঠে। সে সময় অনিক মিডিয়াকে বলেছিলেন এমন কিছু হয়নি। তাঁরা একসঙ্গেই আছেন, ভালো আছেন। কিন্তু অনিকের নতুন পাসপোর্টে এখন স্ত্রীর নামের জায়গায় আয়েশা আক্তারের নাম দেওয়া আছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন