ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩ আশ্বিন ১৪২৭, ২৯ মুহাররম ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রূপপুরের পারমাণবিক বর্জ্য ফেরত নেবে রাশিয়া

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ মার্চ, ২০২০, ১২:০০ এএম

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌ বাণিজ্য গতিশীল ও কার্যকর করতে দুই দেশের সইয়ের জন্য একটি প্রোটোকলের সংশোধনীতে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে সংশোধিত প্রোটোকল অনুমোদন দিয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংশোধিত প্রটোকল অনুযায়ী, দুই দেশ যৌথ অর্থায়নে সিরাজগঞ্জ থেকে দৈ খাওয়া পর্যন্ত ১৭৫ কিলোমিটার এবং আশুগঞ্জ থেকে জকিগঞ্জ পর্যন্ত ২৯৫ কিলোমিটার নৌ-রুট খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌ-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং উভয় দেশের সম্মতিতে বাংলাদেশের পানগাঁও ও ভারতের ধুবড়িকে পোর্ট অব কল হিসেবে নৌ-রুটে অন্তর্ভ‚ক্তি করা হয়েছে।দুই দেশের মধ্যে নৌ বাণিজ্য আরও গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য নতুন কয়েকটি পোর্ট অব কল ঘোষণা করা, সেগুলো পরে ডিফাইন করা। আর নতুন প্রোটোকল রুট সংযোজন করা। এছাড়াও আরিচা পর্যন্ত নৌ-রুট বর্ধিতকরণ-এগুলোই এডেন্ডামের মূল লক্ষ্য ছিল।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দুই দেশের যৌথ অর্থায়নে সিরাজগঞ্জ থেকে দৈ খাওয়া পর্যন্ত ১৭৫ কিলোমিটার এবং আশুগঞ্জ থেকে জকিগঞ্জ পর্যন্ত ২৯৫ কিলোমিটার নৌ-রুট খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। নৌ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এই রুট ভারত ব্যবহার করে, আমরা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করি না। খনন ও রক্ষণাবেক্ষণে ভারত ৮০ শতাংশ এবং বাংলাদেশ দেবে ২০ শতাংশ খরচ। তিনি সচিব বলেন, দুই দেশের মধ্যে মধ্যে নৌ বাণিজ্য আরও গতিশীল ও কার্যকর করার জন্য নয়াদিল্লি ও ঢাকায় ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে সভা হয়। সভায় দুই দেশের সম্মতিক্রমে দ্বিতীয় এডেন্ডাম প্রস্তুত তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এডেন্ডামে উভয় দেশের সম্মতিক্রমে ভারতের বদরপুর, সোনামুরা ও খোলাঘাট, ময়া ও জগিঘোপা এবং বাংলাদেশের ঘোড়াশাল, দাউদকান্দি, সুলতানগঞ্জ, আরিচা ও বাহাদুরাবাদকে প্রোটোকলের রুটে অন্তর্ভ‚ক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। নৌ রুটগুলো দুই দেশ ব্যবহার করতে পারেব।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন,রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে অপারেশন শুরুর পর থেকে সুষ্ঠুভাবে যাতে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা যায় সেজন্য রাশান ফেডারেশনের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেজন্য কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সংশোধন হলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আইজিএ-এর আওতায় রাশান ফেডারেশনের সহযোগিতা নেয়া সম্ভব হবে। যা এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রোটোকলটি ২০১১ সালের ২ নভেম্বর বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি সই হয়। এ সময় উপস্থিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সুরাইয়া আকতার জাহান বলেন, ওয়ারেন্টি পিরিয়ডের পরে পাওয়ার প্ল্যান্টের কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ হবে, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা ছিল না।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন