ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১৯ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

করোনা ঝুঁকিতে কক্সবাজার মসজিদে বিশেষ দোয়া

বিশেষ সংবাদদাতা কক্সবাজার থেকে : | প্রকাশের সময় : ২৫ মার্চ, ২০২০, ১২:০৯ এএম

প্রচন্ড করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে পর্যটন এলাকা কক্সবাজার। বিশেষ করে পর্যটক সমাগম, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং মহেশখালী মাতারবাড়ির কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত বিদেশি এবং বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে বেশি। তবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন করোনা প্রতিরোধে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। সতর্ক করে যাচ্ছেন জনগণকে। মসজিদে মসজিদে অব্যাহত রয়েছে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত।
ইতোমধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে কক্সবাজারের সকল পর্যটন স্পট। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সৈকতের কিটকট ছাতাসহ সব ধরনের বিনোদন সরঞ্জাম। খালী করে দেয়া হয়েছে দুই শতাধিক হোটেল মোটেল। বিভিন্ন জায়গায় চেক পয়েন্ট বসিয়ে নিরুতসাহিত করা হচ্ছে পর্যটকদের।
এই পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ১১২ জনকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। আক্রান্তদের দ্রæত চিকিৎসা দেয়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও চকরিয়া হাসপাতালে।
জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠন সতর্কতামূলক প্রচারপত্র বিলি করে জনগণকে সতর্ক করে যাচ্ছেন। মসজিদে মসজিদে ইমাম সাহেবরা করোনার আক্রমণ থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত অব্যাহত রেখেছেন। ওদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্যাম্পে নতুন কোন বিদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অফিস আদালত হাসপাতাল-ক্লিনিকে ক্লিনার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা ছাড়া কাউকেই ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা।
ট্যুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল এসপি ফখরুল ইসলাম বলেন, পর্যটক এবং পর্যটক ব্যবসায়ীদের কষ্ট হলেও সাময়িকভাবে এই ব্যবস্থা জরুরী ছিল। হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ ও রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি নেতা আবুল কাশেম সিকদার বলেন, তাদের কোটি কোটি টাকা লস হলেও করোনা মহামারি প্রতিরোধে এই ব্যবস্থার বিকল্প নেই। সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজারে সর্বোচ্চ সতর্ক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হাসপাতল গুলোতে আইসোলেশন সেন্টারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। উখিয়ার ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, প্রয়োজনে আক্রান্তদের জন্য নতুন হাসপাতাল স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, এব্যাপারে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সাথে কথা বলে রাখা হয়েছে। নোটিশে তা করে নেয়া যাবে। এজন্য জায়গাও দেখে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিকে কক্সবাজার শহর এবং উপজেলা সদরের কাঁচাবাজারগুলোতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সঙ্কটের অযুহাতে কিছু কিছু ব্যবসায়ী চড়ামূল্যে মালামাল বিক্রি করায় জরিমানা ও শাস্তি দেয়া হয়েছে।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন