ঢাকা, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, ০৪ শাবান ১৪৪১ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

এবার মসজিদে নামাজ বন্ধের পক্ষে ফতোয়া দিলো আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ মার্চ, ২০২০, ৬:৫৫ পিএম

বায়তুল্লাহ, মসজিদে নববী ও দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে ফতোয়া জারির পর এবার মিশরের জামিয়া আজহার (আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়) উলামা সুপ্রিম কাউন্সিল করোনার কারণে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় এবং জুমার নামাজ বন্ধ রাখার ফতোয়া জারি করেছে। -আল আরাবিয়া, ইন্ডিপেন্ডেন্ট (উর্দু), ডেইলি পাকিস্তান, এইওয়াতান (মিশর)
মিশরের আওকাফ (ওয়াকফ) মন্ত্রী ড. মুহাম্মদ মুখতার জুমা জোর দিয়ে বলেন, শুক্রবার প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্ত হ'ল এর প্রতিষ্ঠার জন্য সুরক্ষার প্রাপ্যতা এবং সুরক্ষা ধারণাটি হ'ল জনগণের জীবনের নিরাপত্তা। যেহেতু শুক্রবার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জনগণের জীবনের আশঙ্কা, তাই জুমা বন্ধ রাখাই উচিত।

জামিয়া আজহারের ফতোয়ায় বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় সরকারি নির্দেশনা মেনে মসজিদে জামাত এবং জুমার নামাজ আদায় থেকে বিরত থাকা যাবে।
ফতোয়াটিতে আরও বলা হয়েছে, ইসলামি শরিয়াতের বড় একটি উদ্দেশ্য হলো, জীবন বাঁচানো এবং সবরকম ক্ষতি ও আশঙ্কা থেকে নিজেকে রক্ষা করা। চলমান এই পরিস্থিতিতে মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য ভীড় করলে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতএব, মসজিদে নামাজ আদায় বন্ধ রাখতে হবে।


এদিকে পাকিস্তানের আলেমগণ পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, বাচ্চা এবং পঞ্চাশ বছরের বেশি বয়স্ক এবং যে কোনো ধরণের অসুস্থ রোগীরা মসজিদে আসা থেকে বিরত থাকবে।
বর্তমানকরোনা মহামারিময় পরিস্থিতিতে মক্কা-মদীনার পর মসজিদে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে ফতোয়া জারি করে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ। ফতোয়ায় বলা হয়, সরকার যেসব এলাকায় কারফিউ বা লকডাউন জারি করেছে, অথবা যেসব এলাকায় জমায়েত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, সেসব এলাকার আমজনতা মসজিদে না এসে নিজেদের ঘরেই নামাজ আদায় করবে। মসজিদগুলোতে জামাত চালু রাখার জন্য ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ দুএকজনে নামাজ আদায় করে নিবে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (13)
মাহে আলম ২৬ মার্চ, ২০২০, ৭:২৩ পিএম says : 0
তাই না??????
Total Reply(0)
Md.shariful islan ২৭ মার্চ, ২০২০, ১২:০৪ এএম says : 0
আপনার করোনা ভাইরাজের মালিক আল্লাহ্, সে আল্লাহর জন্যই ইবাদত, তা করোনাকে ভয় না পেয়ে আল্লাহ্ র ভয়েই জামায়াতে নামাজ আদায় রহিত না করা উত্তম।
Total Reply(0)
Md.shariful islan ২৭ মার্চ, ২০২০, ১২:০৫ এএম says : 0
আপনার করোনা ভাইরাজের মালিক আল্লাহ্, সে আল্লাহর জন্যই ইবাদত, তা করোনাকে ভয় না পেয়ে আল্লাহ্ র ভয়েই জামায়াতে নামাজ আদায় রহিত না করা উত্তম। করোনা ভাইরাজে আক্রান্ত ব্যাক্তি নামাজে জামায়াত থেকে বিরত থাকতে পারে।
Total Reply(0)
আশরাফুল ২৭ মার্চ, ২০২০, ১১:২২ এএম says : 0
যারা বলেন মসজিদে নামাজ আদায় করা থেকে বিরত থাকতে তারা মুনাফি। জীবন মরনের মালিক আল্লা। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম চৌদ্দশ বছর আগেই আল্লাহর জীবন বিধান কেমন হবে বলে গেছেন। দুনিয়ায় সমস্ত পযুক যেখানে ব্যাথ। মানুষ এখন আল্লাহর শক্তির ওরহমতের ওপর নিভরশীল। এরোগের একমাএ সমাধান কোরআন। যেখানে মুসলমান নামধারী মুনাফিক রা মসজিদে নামাজ বন্ধের কথা বলে।
Total Reply(0)
মুহাম্মাদ ছানা উল্লাহ ২৭ মার্চ, ২০২০, ১০:৫১ এএম says : 0
রাসুল স এর মাধ্যমে আমরা জামায়াতে নামাজের গুরুত্ব জানি, ঠিক তিনিই আবার বিভিন্ন সমস্যায় ঘরে নামাজ পড়তে বলেছেন,তাই অবস্থার আলোকে কাজ করাই আল্লাহ ভীতি।
Total Reply(0)
hosain Ahmad ২৬ মার্চ, ২০২০, ১১:৪১ পিএম says : 0
I want to thank Darul Uloom Deoband for declaring such a great Fatwa .
Total Reply(0)
Jubair Bin Iqbal ২৭ মার্চ, ২০২০, ১১:৩৮ এএম says : 0
দেখি আল্লাহ বাচায় কিনা। মূলত এটি হচ্ছে পরম করুণাময় এর পরীক্ষা নেয়া। এ ধরণের চিন্তা-ভাবনা মূলত তার সাথে ধৃষ্টতা দেখানো। মহানবী সঃ কে যখন কাফিররা আক্রমণ করতে আসল, তখন মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে নির্দেশ দিলেন গভীর রাতে পবিত্র মক্কা শহর ত্যাগ করতে। তখন তিনি তার অন্যতম সঙ্গি হযরত আলী রাঃ কে নিয়ে পবিত্র মক্কা শহর ত্যাগ করলেন এবং একটি পাহাড় এর গুহায় আশ্রয় নিলেন। এখানে কয়েকটি কথা আছে, এ পৃথিবীতে যত মানুষ ছিল, এবং যত মানুষ আসবে, তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি ঈমান ছিল, সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মাদ সঃ এর। আল্লাহ তায়ালার প্রতি তার ছিল অগাধ বিশ্বাস। তাহলেত তিনি বলতে পারতেন, আমি মক্কায় থাকব, যা ভাগ্যে আছে, হবে। আল্লাহর বান্দা আমি। তিনি বাচাবেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। তিনি পাহড়ের গুহায় আশ্রয় নিয়েছেন। এরপর যখন কাফিররা তাকে খুজতে খুজতে একেবারে গুহার মুখে চলে এল, তখন আলী রাঃ বললেন, হে নবী, আমরাত ধরা পরে গেলাম। কিন্তু নবী সঃ বললেন, আমাদের সাথে আল্লাহ আছেন। সে সময়ে কাফিররা দেখল, গুহার মুখে মাকরসার জাল এবং কবুতর এর ডিম। তখন কাফিররা ভাবল ভেতরে কেও নেই। অর্থাৎ, তিনি সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিয়ছেন এবং সেই সাথে আল্লাহ তায়লার উপরে পূর্ণ আস্থা রেখেছেন। আমাদেরও কর্তব্য এটাই। আমরা আস্থা রাখব আল্লাহ তায়ালার প্রতি। কেননা অসুস্থতা দেয়ার মালিক আল্লাহ তায়ালা, আবার সুস্থতা দেয়ার মালিকও আল্লাহতায়লা। কিন্তু সুস্থ থাকার জন্য যা যা করা দরকার, সেটা আমাকেই করতে হবে। এটাই ছিল নবিজী সঃ এর শিক্ষা। আমাদেরকে তার দেয়া ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করতে হবে। সকলেই সুস্থ থাকুন, ঘরে থাকুন। নিরাপদে থাকুন। নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।
Total Reply(1)
Mohd Haydar Ali ৩০ মার্চ, ২০২০, ৬:১০ এএম says : 0
Bhai you are right this is way we all have to think and react in the time of danger. There is small mistake in your narrative, at time of Hijrat from Macca to Madina of our beloved Prophet (SW) Hazrat Abubakar Siddique (RA) was with him.
MD. Shajidur Rahman ২৭ মার্চ, ২০২০, ২:২৭ পিএম says : 0
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর হিজরতের সঙ্গী হিসেবে হযরত আলী রাঃ ছিলেন না কি হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) ছিলেন? তবে অবশ্যই নির্দেশননা পালন করা উচিৎ।
Total Reply(0)
Mohammad Kawsar ২৭ মার্চ, ২০২০, ৮:১২ পিএম says : 0
কামাল পাশার ভূত চেপে বসেছে দেগযি আবারও,,,,
Total Reply(0)
৷৷৷৷ মোঃসুজন ২৯ মার্চ, ২০২০, ৪:১৪ পিএম says : 0
আল্লাহ বলেছেন জান বাচানো ফরজ এবং নামাজ আদায় করাও ফরজ আবার অন্যের জান বাচাঁনোও ফরজ এখন কি করলে সবগুলো ফরজ আদায় হবে তা ভেনে দেখুন এবং তাই করোন, আল্লাহ আমাদের সবাই কে হেফাযত করোন আমিন।
Total Reply(0)
Ahmed ২৯ মার্চ, ২০২০, ১১:৫৩ এএম says : 0
আল্লাহ সুবাহানাহু তায়ালা আমাদেরকে ইচ্ছা শক্তি দিয়েছেন, আমরা ইচ্ছা করলে অনেক কিছু করতে পারি ইচ্ছা করলে নাও করতে পারি আমাদেরকে গাইডলাইন দেওয়া আছে, কেউ ইচ্ছা করলে আত্মহত্যা করতে পারে অন্যকে খুন করতে পারে, যারা এখানে কমেন্ট করেছেন হায়াতের মালিক আল্লাহ কিন্তু আল্লাহ ইচ্ছা শক্তি দিয়েছেন তাদেরকে বলব আপনি বৈদ্যুতিক তারে হাত লাগান দেখি আপনার ঈমানের শক্তি কতটুকু .............. আরব দেশে............... বৃষ্টির সময় বাড়িতে নামাজ পড়লে হবে এমন হাদিস সকলের জানা, কিন্তু এখন এতবড় একটা মহামারী তাই বড় বড় আলেমরা আরবের বিশেষজ্ঞ আলেমরা বলেছে বাড়িতে নামাজ পড়লেই হবে I
Total Reply(0)
Sahih ৩০ মার্চ, ২০২০, ১:২৪ এএম says : 0
■ রোগের নিরাময় গ্রন্থের নামঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ) হাদিস নম্বরঃ [5278] অধ্যায়ঃ ৬৩/ চিকিৎসা পাবলিশারঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন‏ পরিচ্ছদঃ ২২৭৪. তিনটি জিনিসের মধ্যে রোগের নিরাময় আছে ৫২৭৮। হুসায়ন (রহঃ) … ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তিনটি জিনিসের মধ্যে রোগমুক্তির ব্যবস্থা নিহিত আছে। মধু পান করা ও ব্যবহার করা, শিঙ্গা লাগান এবং আগুন (তপ্ত লৌহ) দিয়ে দাগ লাগানো। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে দাগ লাগাতে নিষেধ করছি। হাদীসটি “মারফূ”। কুম্মী হাদীসটি লায়স, মুজাহিদ, ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে فِي الْعَسَلِ وَالْحَجْمِ‏ শব্দে বর্ননা করেছেন। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন