ঢাকা, সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০১ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রাষ্ট্র-সরকারপ্রধানরাও নিরাপদ নন

ইসলামী ভাষ্যকার | প্রকাশের সময় : ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:০১ এএম

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, মৃত্যুর চেয়ে আতঙ্কেই মানুষ বেশি কাহিল হয়ে পড়ছে। আক্রান্তের হার চীনে যা ছিল যুক্তরাষ্ট্র তা পার হয়ে গিয়েছে। ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, পর্তুগাল, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও আমেরিকা এখন গ্রাফ ওঠানামার চক্রে পড়ে গেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক করছেন, তার পোশাক দেখে মনে হয়, তিনি কোনো নভোচারি বা ডুবুরি।
পিপিই বা পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট তার এতো জবরজঙ্গ যে, দেখে মনে হয় ভাইরাস তাকে ধরতে পারবে না। ধরলে তার মন্ত্রীদের কিংবা দুনিয়ার অন্যসব লোকদের ধরবে। যারা তার মতো এমন সতর্ক বেশ ধারণ করেননি। কিন্তু কোরআন এমন বলে না।

কোরআন বলে, ‘বলো, আমাদের কখনোই এমন কোনো বিপদ স্পর্শ করবে না, যা আল্লাহ আমার ভাগ্যে লিখে না রেখেছেন। তিনি আমাদের অভিভাবক। অতএব, ঈমানদাররা যেন শুধু তার ওপরই ভরসা করে।’ (আল-কোরআন-৫১) হযরত নূহ (আ.)-এর অবাধ্য পুত্রকে তিনি যখন কাফেরদের দল ছেড়ে তার সাথে কিশতিতে চড়তে ডেকেছিলেন, তখন সে বলেছিল, আমি এই বন্যা থেকে আত্মরক্ষা করতে ওই উঁচু পাহাড়ে আশ্রয় নিব। তখনই একটি পর্বতসমান ঢেউ এসে পিতা-পুত্রের মাঝখানে বাধা হয়ে যায় এবং এই সংলাপটি এখানেই শেষ হয়।

তখন হযরত নূহ (আ.) বলেছিলেন, আজকে আল্লাহর হাত থেকে কেউই রক্ষা পাবে না কেবল তারা ছাড়া যাদের তিনি রহম করবেন। (আল-কোরআন-৪৩) এখানে কর্তব্য হলো, সতর্কতার আগে আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পণ করা। সতর্কতার পাশাপাশি তার ওপরই পূর্ণ ভরসা করা। পৃথিবীতে যে কয়জন ব্যক্তি সর্বোচ্চ সতর্কতায় ছিলেন তাদের মধ্যে প্রথমে একটি ধাক্কা খান ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিকভাবে কাটিয়ে উঠেছেন বোধহয়। এখন আক্রান্ত আছেন ব্রিটেনের রাণী, প্রিন্স চার্লস, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক, ফ্রান্সের এক রাজকুমারী মারিয়াসহ উন্নত দেশের কিছু উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তি।

এছাড়া বিশ্বের প্রায় সকল রাজা-বাদশাহ, চ্যান্সেলর, রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানগণসহ সকল শ্রেণির ভিভিআইপিরা স্পেশাল আইসোলেশন বা কোয়ারান্টাইনে নিজেদের রেখেছেন। আসলে বিশ্বের প্রায় আটশ’ কোটি মানুষের কত পার্সেন্ট এমন আছে যারা সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে দীর্ঘসময় ঘরে আটকে থাকতে পারবে। আল্লাহ সবার জন্য নিরাপত্তা বিস্তৃত করে দেন। এই আযাব থেকে তিনি যেন মানবজাতিকে সহজেই নিষ্কৃতি দান করেন।

একটি খবরে মানুষ আরো বেশি হয়রান, চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভাইরাস এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বার তার চরিত্র বদল করেছে। সম্ভাবনা আছে, মানুষের মাধ্যমে নিজেকে না ছড়িয়ে বাতাসের মাধ্যমে ছড়াবার চেষ্টা করার। তখন আর শারীরিক দূরত্ব কিংবা বার বার হাত ধুয়েও এর হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারবে না।

বাতাসে যদি ভাইরাস ছড়ানো শুরু হয়, তাহলে হোম কোয়ারেন্টাইন কিংবা ডেড আইসোলেশনেও খুব একটা কাজ হবে বলে মনে হয় না। বর্তমান চরিত্রেও কিন্তু নিরাপত্তার সব ব্যুহ ভেদ করে এ ভাইরাস এমন কিছু মানুষকে ধরেছে যাদের নিরাপত্তার কথা আমরা কেবল কল্পনা করতে পারি। মিডিয়ায় জানতে পারি, কিন্তু নিজেদের জীবনে তৈরি করতে পারি না।

মিসরের একজন আল্লাহওয়ালা জ্ঞানী ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন, এই ভাইরাস যদি আল্লাহ মানবজাতিকে ধ্বংসের জন্য দিতেন তাহলে শতকরা ১০০ জনকেই এর দ্বারা তিনি মৃত্যু দিতে পারতেন। যেহেতু মৃত্যুর চেয়ে আরোগ্যের হার বেশি, অতএব আমরা মনে করতে পারি, তিনি এটি আমাদেরকে সতর্ক করার জন্য দিয়েছেন। আমরা যেন তওবা করি।

এর আলোকে আমরা দুনিয়ার সকল মানুষকে তা নিজের কৃতকর্মের একটি আত্মবিশ্লেষণ করে নেয়ার আহবান জানাই। সবাই আসুন, নিজেকে সংশোধন করি। সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ও আস্থা স্থাপন করি। মানুষের প্রতি কৃত অন্যায়-অত্যাচার থেকে ফিরে আসি। সৎকাজ ও মানবতার কল্যাণে বাকিটা জীবন ব্যয় করি। এই মহামারীতে মারা গেলেও এমন ঈমান ও আমলের ওপর থাকি, যেন শহীদী মৃত্যু পাই।

পবিত্র কোরআনে মহান রাব্বুল আলামীন বলেন, ‘তাদের ওপর ততক্ষণ আজাব আসবে না যতক্ষণ তাদের মাঝে আল্লাহর রাসূল রয়েছেন। আর আমি ততক্ষণ তাদের ওপর আজাব দিব না যতক্ষণ তারা ক্ষমাপ্রার্থনা করতে থাকবে।’ (আল-কোরআন-৩৩) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় মুসলিম মনিষীগণ বলেন, আল্লাহর রাসূল তো বর্তমানে উম্মতের মাঝে নেই। আছে কেবল ক্ষমাপ্রার্থনার সুযোগ।

অতএব, তাওবা-ইস্তেগফার করতে থাকা এবং বেশি বেশি আল্লাহর রাসূলের সুন্নাতের ওপর আমল, তার শিক্ষা ও আদর্শের চর্চা, বিশেষ করে তার ওপর অধিক দরুদ ও সালাম পেশ করার মাধ্যমে উম্মত যে কোনো আজাব থেকে রক্ষা পেতে পারে। অতীতে অনেক সময় দেখা গেছে, মদিনা শরিফে বৃষ্টির জন্য সাহাবায়ে কেরাম যখন দোয়া করতেন তখন উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়েশা (রা.)-এর পরামর্শে নবী করিম (স.)-এর কবর মোবারকের ওপর থেকে আকাশ দেখা যায়, এমনভাবে জানালা খুলে দেয়া হয়েছিল। তখন অঝোরধারায় বৃষ্টি বর্ষিত হয় এবং অতিবৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য শেষ পর্যন্ত হযরত ওমর (রা.) এই জানালা বন্ধ করে দেয়ার অনুরোধ জানান।

আরেকবার কোনো এক বিপদের সময় হযরত ওমর (রা.) নবী করিম (স.)-এর পবিত্র রওজা মোবারকের ওপর থেকে খেজুর গাছের পাতা সরিয়ে আকাশ দেখা যাওয়ার মতো পথ তৈরি করে বিশেষভাবে দোয়া করেন এবং সে বিপদ কেটে যায়। যে জন্য ওসমানী খলিফারা রওজা শরিফের ওপর সবুজ গম্বুজ নির্মাণের সময় এতে একটি জানালা রেখে দেন। উম্মতের বিপদের সময় যেন এ জানালা খুলে দেয়া যায়। বর্তমানে সবুজ গম্বুজের ওপর এই জানালা দৃশ্যমান।

মুসলমানরা আজাব থেকে রক্ষার জন্য অধিক দুরুদ-সালাম ও ব্যাপক তওবা-ইস্তেগফারের চর্চা করবে এটাই স্বাভাবিক। ইনশাআল্লাহ, এতে তারা যে কোনো আজাব-গজব থেকে রক্ষা পাবে। তবে, অমুসলিমদের জন্য এই আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো, প্রকৃত সৃষ্টিকর্তা, ক্ষমতাবান, মহাপরাক্রমশালী এক আল্লাহকে চেনা ও বিশ্বাস করা। এছাড়া, যারাই এ আজাবে পাকড়াও হবে তারা অনন্তকাল আজাবেই নিপতিত থাকবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (12)
Zakir Hosen ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫২ এএম says : 0
একটি ভাইরাস, বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী! অত্যাধুনিক সব টেকনলজি, ক্ষমতা, সৈন্য, অস্ত্র, জোট, মহাজোট, পরাশক্তি, সব অসহায় হয়ে কেবল স্রষ্টার সাহায্য কামনা করছে! এরপরও কোন সলিমুদ্দীন কলিমুদ্দিন যদি বলে আমরা করোনার চেয়ে শক্তিশালী তখন তাকে পাগল বলা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না!
Total Reply(0)
Bablur Rahman ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৩ এএম says : 0
হে পৃথিবীর মালিক, তুমি এই মহামারী থেকে পৃথিবী বাসিকে রক্ষা করো, আমরা একসাথে সুন্দর ভাবে সবাই বাঁচতে চাই।
Total Reply(0)
Motiulla Mondal ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
এই পৃথিবীটি শান্ত হওয়া দরকার। আমরা অতীতে অনেক ভুল করেছি। এই পৃথিবী সবার জন্য এবং শুধুমাত্র মানুষের জন্য নয়। সুতরাং মানুষের উচিত প্রকৃতির প্রতি তাদের আচরণ পরিবর্তন করা। প্রকৃতির চেয়ে মূল্যবান আর কিছু হতে পারে না। আমাদের অবশ্যই আমাদের ভুল পরিশোধ করতে হবে এবং একটি নতুন বিশ্ব শুরু করতে হবে। নিরাপদে থাকুন এবং বাড়িতে থাকুন।
Total Reply(0)
Saeed Md Humayun Kobir ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
বাংলা‌দেশী দুর্নী‌তিবাজ ও শেয়ারবাজার এর চো‌রেরা ক‌রোনা ভাইরা‌সে আক্রান্ত হোক । হে আল্লাহ তু‌মি এ‌দে‌শের ফেরাউন‌দের ও তা‌দের দুর্নী‌তিবাজ সহ‌যোগী‌দের ক‌রোনা ভাইরাস দি‌য়ে ধ্বংস ক‌রো । আর সেই সা‌থে এই নব্য ট্রাম্প‌কেও ধ্বংস ক‌রো ।
Total Reply(0)
Khan Samir ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৫ এএম says : 0
সকল ক্ষমতা আল্লাহ জনগন বা মানুষ নয় তা আজ প্রমানিত। পৃথিবীর এত শক্তিধর দেশগুলো আজ অসহায়, এত পারোবানবিক অস্র কতো আধুনি শক্তিশালি অস্র কোনো শক্তি নেই,যেনো আল্লাহর শক্তির কাছে হারমানছে।অথচো এই বরবরেরা কিছু দিন আগে ও দিল্লীর অসহায় মানুষ উপর নিরমম হত্যা ও মুসলিম নিধনে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করছিলো।আজ জাতিসংঘ মানোবতার কথা বলে যখন নেটো যোট, ইজরাইল, আমেরিকা, সব কুফফার বাহিনি এক হয়ে মুসলিমদের গণহত্যা চালায় তখন তেমাদের মানোবতা থাকে কোথায়। ৩০০০০ হাজার মরেছে এখনই তোমাদের মানবতা কাফের। ১ লাখের উপরে সিরিয়াতে বেসামরিক নারী,পুরুষ, শিশু, হত্যা করা হইছে কোথায় মানোবতা,মায়েনমারে গণহত্যা,কাশ্মীরে নিরর্মম অত্যাচার কোথায় থাকে মানোবতা।
Total Reply(0)
Murshed Aziz ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
I wonder how these high profiled people are getting corona. I doubt if researchers have found all the possible ways of spreading. Recent spreads in Italy, France, and the USA lead us to the same question as all the countries were lock downed long before. Then how it's happening there??
Total Reply(0)
Shahanara Begum ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
বিদেশী ব্যাংকে যেসব বাংলাদেশী টাকার বস্তা রেখেছেন এখনও সময় আছে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় এগুলো ব্যায় করুন। কিছুদিন পর আর টাকা নাও পেতে পারেন। কারণ ওরা সব টাকা পুড়ে ফেলে জীবানু নাশক দিয়ে ব্যাংক ধুয়ে ফেলবে। অতএব আপনাদের আমও গেল ছালাও গেল
Total Reply(0)
Sahab Uddin Bhuiyan ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
হে আমার মালিক আমার রব ইয়া আল্লাহ্ আপনি এক আল্লাহ্ আপনি সব শক্তি মান আল্লাহ আপনি আকিমুল হাকিম আপনি বড বিচারক হিসেবে আমাদের বাংলাদেশের জনগণের মাপ করে দিন আমাদের কে হেফাজত করেন ছুম্মা আমিন
Total Reply(0)
MD Monir ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৭ এএম says : 0
কে বড়, কে ছোট, কে ধনী, কে গরিব, এই ভাইরাস কিন্তু চেনে না,তাই আসুন সবাই মিলে এই দুঃসময়ে গরীব মানুষ গুলোর পাশে দাড়ায়,আপনার হয়তো টাকা আছে আপনি ২ মাসের বাজার করে নিশ্চিন্তে বসে আছেন কিন্তু যারা দিন আনে দিন খায় তাদের কথা কি একটুও ভেবেছেন??এটাই সঠিক সময় আসুন গরীব দুস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে আসি।
Total Reply(0)
Forkanul Islam ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৭ এএম says : 0
সরকার প্রধান যদি (তাও আবার ব্রিটেন এর মত পরাশক্তি)আক্রান্ত হয়, আন্দাজ করা যায় দুনিয়ার পরিস্থিতি এখন কোন পর্যায়।
Total Reply(0)
Abdul Ali ২৯ মার্চ, ২০২০, ১২:৫৭ এএম says : 0
সব শক্তিধর দেশ-জাতী -ব্যাক্তি আজ ভেজা বিড়াল একটি অদৃশ্য ক্ষুদে অনুজিবের কাছে।আসলে সব কিছুর নিয়ন্ত্রন তো সেই একজনই সুপার পাওয়ার, তার ইচ্ছে তেই সমাপ্তি হবে সব বিপর্যয়, আমারা সচেতন হয়ে চলবো আর ক্ষমা চাইবো তার কাছে! বাঁচি কিংবা চলে যাই,এটাই এ মূহুর্তে সর্বশেষ সত্যি!!!!!!!
Total Reply(0)
Jahangir Miah ২৯ মার্চ, ২০২০, ৩:০৪ এএম says : 0
Dear Sisters and Brothers, There is not yet an ironclad scientific consensus on exactly how coronavirus is spreading, but experts are getting a pretty good sense of it. From conspiracy theories to geopolitical realism, new growing leading economical war power, the possibility to treat COVID-19 as a biological weapon has been finally accepted in the public sphere. The recent statement by the Chinese spokesman Zhao Lijian, is formally accusing the U.S. of bringing coronavirus to China, has highlighted a series of new opinions about the pandemic. The hypothesis of biological warfare behind the global pandemic has already been raised by Russian experts some weeks ago. The supreme leader of the Islamic Republic of Iran, Ayatollah Khomeini says, “The establishment of a headquarters to fight the outbreak [of COVID-19] occurs due to the presence of evidence that indicates the possibility of a biological attack, signaling that it is necessary that all coping services [to the coronavirus] be under the command of a unified headquarters”. Biological weapons are methods that have long been used, and that form a fundamental part of modern warfare, are those whose costs are less than the methods of direct confrontation of the old wars of mobilization – and whose benefits are greater. (Bio-weapon always win, but bio- weapons are un-controllable) With a big question mark, what the mainstream western media has called a “conspiracy” has been manifested in U.S. defense programs for a long time. Let’s briefly recall the official document named “Rebuilding America’s Defenses”, published by the conservative think tank “Project for a new American Century”, where we can clearly read: “(…) advanced forms of biological warfare that can target specific genotypes may transform biological warfare from the realm of terror to a politically useful tool “. Most of the bio-weapon research analyst think that Chinese activities are highly suspicious, but China strongly denies that they make germ weapons. The most important thing to do is to dispel the myth that biological wars are conspiracy theories. We must begin to take our possibility seriously and analyze the evidences in search of real solutions. Open question to all of us: Is COVID-19 a biological weapon? Please work on it. A very special note – In this crisis, some people can’t stay home, and those people are often the ones we need most. Army, policemen, firefighters, utility technicians, delivery folks and medical professionals; we’re all screwed if they stop showing up to work. But I’m not talking to them, I’m talking to you. Tell everyone to stay at home, so in this way, we can surely lessen the spread of the coronavirus. Kindest Regards DR. Jahangir Miah
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন