ঢাকা, রোববার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৭ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ক্যামেরার পেছনের ছবি যখন দৃষ্টিকটূ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৬ এপ্রিল, ২০২০, ২:৪২ পিএম | আপডেট : ২:৪৭ পিএম, ৬ এপ্রিল, ২০২০

করোনাভাইরাসের কারণে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ সারাদেশে জুমার নামাজের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয় ইসলামী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ছিল টানা ছুটির মধ্যে দ্বিতীয় জুমা। এ নিয়ে কৌতুহলও ছিল বেশ। আর গণমাধ্যম কর্মীরা এ সংক্রান্ত খবর তাৎক্ষণিক পৌঁছে দেয়ার জন্য ভীড় করেন বায়তুল মোকাররম মসজিদে।

প্রায় সবগুলো টিভি চ্যানেলের ক্যামেরাপারসন, জাতীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজপোর্টালের ফটোসাংবাদিকরা এদিন ছবি তোলেন। বিশেষ করে ভিডিও ও ছবি তোলার সময় কোনো কোনো ফটোসাংবাদিকের তৎপরতা এতটাই বিব্রত ছিল যে, নামাজ ও মোনাজাতের ব্যাঘাত ঘটে। অনেক ফটোসাংবাদিককে নামাজ চলাকালীন সময়ও এদিক-সেদিক দৌঁড়াতেও দেখা যায়।

মুসল্লিদের চোখে এ ধরনের আচরণ দৃষ্টিকটূ হলেও সেদিকে ফটোসাংবাদিকদের তেমন খেয়ালই ছিল না। তারা নামাজ ও মোনাজাতের মাঝখানেই ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

এদিন বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজের পর একজন মুসল্লি মোনাজাতে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন ফটোসাংবাদিক দ্রুত এসে তার ছবি তুলতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। তা দেখে আরো একজন ফটোসাংবাদিক ঠিক তার পেছনে এমনভাবে দাঁড়ান এবং যেভাবে অঙ্গভঙ্গি করে ছবি তুলছেন তা শুধু দৃষ্টিকটুই নয় মসজিদের পরিবেশকেও ক্ষুন্ন করেছে। কয়েকজন মুসল্লি এ দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এ সম্পর্কে বায়তুল মোকাররমের একজন সিনিয়র মুয়াজ্জিন বলেন, সাংবাদিকদের মসজিদে প্রবেশ ও ছবি তোলার ব্যাপারে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। সব সময় সাংবাদিকদের জন্য বায়তুল মোকাররম উন্মুক্ত। তবে মসজিদে নামাজ ও মোনাজাত চলাকালীন সতর্ক থাকা উচিত। কোনভাবেই যেন পরিবেশ নষ্ট না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখা উচিত।

এ সম্পর্কে জাতীয় প্রেসক্লাব ও ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সদস্য ও দৈনিক ইনকিলাবের চীফ ফটোসাংবাদিক ইকবাল হাসান নান্টু বলেন, ছবি তোলার সময় একজন ফটোসাংবাদিককে শুধু ছবিই কথায় চিন্তা করতে হয়। ছবিটা যেন সুন্দর এবং প্রাণবন্ত হয় সেজন্য প্রানান্তরকর চেষ্টা করতে হয়। তবে মসজিদ কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ছবি তোলার সময় অবশ্যই পরিবেশের দিকে লক্ষ লাখতে হবে। যেন কোনোভাবে নামাজী ও মোনাজাতর মুসল্লীর ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (3)
Joy ma Hasina ৬ এপ্রিল, ২০২০, ৩:৩৪ পিএম says : 0
Are the human being?
Total Reply(0)
Nesar Ahmed ৬ এপ্রিল, ২০২০, ৪:০৬ পিএম says : 0
A ta thik noy
Total Reply(0)
নাজমুল হাসান আরেফী ৬ এপ্রিল, ২০২০, ৪:২৪ পিএম says : 0
এগুলো ঠিক নয়
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন