ঢাকা, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৯ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

নীরব বেসরকারি হাসপাতাল

করোনার উপসর্গ নিয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই

হাসান সোহেল | প্রকাশের সময় : ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০০ এএম

চিকিৎসা হলো ‘সেবা’ জাতীয় পেশা। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা হয়ে থাকে কার্যত ব্যবসার পাশাপাশি মানুষের (রোগী) সেবা দেয়ার জন্য। সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় এখনো পিছিয়ে থাকলেও দেশে গত কয়েক বছরে গড়ে উঠেছে কয়েক হাজার হাসপাতাল। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ে একই চিত্র। ব্যাক্তিমালিকানাধীন চোখ ধাঁধানো বিল্ডিং। স্থাপিত এসব হাসপাতালে চিকিৎসা ও পরীক্ষায় রমরমা ব্যবসা চলে। রোগী পেলে প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার নামে কসাইয়ের মতো গলা কাটা হয়ে থাকে। রমরমা ব্যবসার খাতিরে রোগীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে নিতে ডাক্তারদের বাড়তি অর্থও দেয়া হয়। করোনাভাইরাসে গোটা বিশ্ব বিধ্বস্ত। আক্রান্ত বাংলাদেশও। এ অবস্থায় সবকিছুই বন্ধ এবং দেশের বহু অঞ্চল লকডাউন করা হয়েছে। সরকার করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করছে এবং রোগীর চিকিৎসা দেয়ার জন্য সরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত করছে। কিন্তু ব্যাক্তিমালিকানাধীন কয়েক হাজার হাসপাতাল যেন চিকিৎসার কপাটবন্ধ করে দিয়েছে। গত কয়েকদিনে নানা রোগে প্রায় শতাধিক রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা গেছে। করোনা রোগীর চিকিৎসা না করলে ব্যাক্তিমালিকানাধীন হাসপাতালগুলোর কি করবে? করোনা দুর্যোগময় মুহূর্তে ‘কপাট বন্ধ’ করা কি চিকিৎসাশাস্ত্রের নিয়মে পড়ে। রোগী দেখে বিপদ এড়াতে উটপাখির মতো বালুতে মুখ লুকিয়ে রাখা বেসরকারি হাসপাতালগুলো করোনা রোগীদের জন্য খুলে দেয়ার জন্য কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। জানতে চাইলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ চাহিদা বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের মাধ্যমে পূরণ হয়। করোনা রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলো এখনও তেমনভাবে যুক্ত নেই।

সূত্র মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও তিন জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ২০। এছাড়া, নতুন শনাক্ত হয়েছেন ৫৪ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে ২১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হলেও পরবর্তীতে দেশে পরীক্ষা হার কম হওয়ায় এবং রোগী শনাক্তে বিলম্ব হওয়ায় গত কয়েকদিন থেকে ভয়াবহতা ছড়াচ্ছে এটি। গত ৫ দিনের ৯, ১৮, ৩৫, ৪১ ও ৫৪ শনাক্তের পরিসংখ্যানেও তা স্পষ্ট। এই সময়েই ১৫৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। অথচ গত ৩ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বমোট শনাক্ত রোগী ছিল মাত্র ৬১ জন। ওই সময় পর্যন্ত মৃত্যু ছিল ৬ জনের। যা বর্তমানে ২০। করোনার ভয়াবহতা বাড়ার পাশাপাশি দেশে বর্তমান পরিস্থিতিতে ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোগী মৃত্যুর সংবাদ আসছে। অতীতে সাধারণ জ্বর-সর্দিতে এত অল্প সময়ে এত বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা শোনা যায়নি। আর তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সবার আগে সামনে আসছে চিকিৎসার দিকটি।

খোদ প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি হাসপাতাল মালিক ও চিকিৎসক সংগঠনগুলোকে সব চিকিৎসককে রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রীও বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এমনকি চিকিৎসা না দিলে ব্যবস্থা নেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কোনো বেসরকারি হাসপাতালই চিকিৎসাসেবায় এগিয়ে আসছে না। এমনকি প্রথম দিকে চিকিৎসকরা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের (পিপিই) ও মাস্কের অভাবের কথা বলেছে। পরে সমস্যার সমাধানে যখন সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসকদের সংগঠনগুলো পিপিই ও মাস্ক প্রদান করল। এতে চিকিৎসকদের নানা অজুহাত থামলেও দেশের চিকিৎসাসেবার পরিবর্তন আসেনি। অথচ দেশে প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। তখন আর এটা নেই ওটা নেই বলছে না। নিজেরাই চাহিদা মাফিক আমদানি করছে। অথচ এখন দেশের এই ক্রান্তিকালে তারা এই নেই ওই নেই, সরকার কি সাহায্য দিবে তার দিকে চেয়ে আছে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের এমন আচরণে বিশেষজ্ঞরাও উদ্বিগ্ন। তাই দেশের এই ক্রান্তিকালে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি দ্রæত বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে চিকিৎসাসেবার কাজে লাগনোর তাগিদ দিয়েছেন। এমনকি না আসলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন। তাদেরকে কাজে লাগাতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

সূত্র মতে, করোনাভাইরাসের সঙ্গে চিকিৎসা যুদ্ধে গোটা বিশ্ব ব্যস্ত। পৃথিবীর অনেকে দেশের চিকিৎসক অবসর ভেঙে ফিরেছেন চিকিৎসাসেবায়। দেশ এবং দেশের মানুষের সেবার মহানব্রত নিয়ে তারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সসহ অন্য কর্মীদের উপস্থিতি কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। উপস্থিতির গড় হার ১৫ শতাংশের মতো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রাণঘাতী এই ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে সাহায্য করছেনা বেসরকারি হাসপাতালগুলো। এখন পর্যন্ত সরকারের যে প্রস্তুতি তা অপ্রতুল। স্বাস্থ্যসেবার প্রায় ৭০ শতাংশজুড়ে অবস্থান করা বেসরকারি ব্যবস্থাপনা চিকিৎসা সেবায় কাজে আসছে না। অন্যদিকে দেশে করোনা সংক্রমণের পর পরই বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে। আবার কোনো কোনো হাসপাতাল-ক্লিনিক মালিকরা নিজ উদ্যোগে তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছেন। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করা চিকিৎসকরাও তাদের চেম্বার বন্ধ রেখেছেন।

যদিও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কাজে না লাগানোর অভিযোগ করেছেন ল্যাব এইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীম। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে বেড আছে ২ লাখ ৭০ হাজার। এর মধ্যে ২ লাখই বর্তমানে ফাঁকা। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি স্টেডিয়ামে হাসপাতাল করছেন, ৫ হাজার বেড, ১ হাজার বেড করতেছেন। চায়না থেকে লোক নিয়ে আসছেন। আমাদেরকে কেন ব্যবহার করছেন না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ চাহিদা বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের মাধ্যমে পূরণ হয়। তবে করোনা রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এখনও তেমনভাবে যুক্ত নেই। কেন নেই, তা স্বাস্থ্য বিভাগ ভালো বলতে পারবে। তবে আমার প্রস্তাব হচ্ছে, বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মালিকদের সংগঠনের সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জরুরিভিত্তিতে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হাসপাতাল মালিকরাই সরকারকে জানাবে, কোন হাসপাতালগুলোকে তারা করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবার জন্য ছেড়ে দিতে চান। এভাবে সারাদেশে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও যুক্ত করতে হবে। কারণ বিশ্বব্যাপী পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ পদ্ধতি চালু আছে। সরকারকে এ বিষয়ে দ্রæত ভাবতে হবে।

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের প্রস্তুতির বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারাদেশের আটটি বিভাগে মোট পাঁচ হাজার ৯২৬টি সাধারণ শয্যা ও ৯৮টি আইসিইউ শয্যার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় এক হাজার ৫৫০টি সাধারণ শয্যা এবং ৬৭টি আইসিইউ শয্যা এবং ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগে চার হাজার ৩৭৬ সাধারণ শয্যা এবং ৩১ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউর প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া বাকিগুলো এখনও প্রস্তুত হয়নি। অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, দেশে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৫৪ হাসপাতালে ৫১ হাজার ৩১৬টি শয্যা রয়েছে। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পাঁচ হাজার ৫৫ হাসপাতাল-ক্লিনিক মিলিয়ে মোট শয্যা ৯০ হাজার ৫৮৭টি। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশে মোট এক হাজার ১৭৬টি আইসিইউ শয্যা আছে। সরকারিতে আছে ৪৩২টি।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি প্রফেসর ডা. রশিদ-ই মাহবুব বলেন, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখের মতো শয্যা রয়েছে। এখান থেকে এক-তৃতীয়াংশ শয্যা করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবার জন্য প্রস্তুত করা যেতে পারে। কারণ চীন, ইতালি, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের দিকে তাকালে দেখা যায়, ওই সব দেশে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হয়ে দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এবং মহামারী আকার ধারণ করেছে। আমরাও কিন্তু সেদিকে যাচ্ছি। সুতরাং প্রস্তুতি নিতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা চাচ্ছি সারাদেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলো রোগী দেখুক। পাশাপাশি কেউ যদি স্বেচ্ছায় হাসপাতালকে শুধুমাত্র করোনা চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা করতে চায় তাহলে আমরা স্বাগত জানাব। তবে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য কিছু হাসপাতালের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং বড় বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

এদিকে আর অবহেলা না করে দ্রুত দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের আহবান জানিয়েছে ‘প্রজন্মের চেতনা’। গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ গোলাম নবী হোসেন ও যুগ্ম-আহ্বায়ক এম এম রাশেদ রাব্বি এবং শাজাহান কবির সুমন এ আহ্বান জানান। তাদের মতে, দেশের সর্বত্র এখন চিকিৎসা ব্যবস্থায় হযবরল অবস্থা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে যে সমস্ত হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকসহ চিকিৎসক এবং নার্সরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করেছে, তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (7)
Jannatul Minal ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:১২ এএম says : 0
করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির একমাত্র ঔষুধ আল্লাহর একত্ববাদ স্বীকার করে নেওয়া, এবং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করা। যদি গোটা বিশ্ব তাওবা করে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য, আশাকরি বিশ্ব জাহানের প্রতিপালক আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে এই আযাব থেকে মুক্তি দিবেন, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর ক্ষমতার সামনে সবাই এক নগণ্য বস্তু সেটাই আজকে আবার প্রমাণিত সত্য।
Total Reply(0)
সত্য রায় ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:১৭ এএম says : 0
আমি ভবিষ্যতে শুধু অন্ধকার দেখতেছি,স্বজন হারানোর বেদনায় ছল ছল চোখ দেখতেছি। ক্রমে ক্রমে আমরা অন্ধকার থেকে থেকে আরও গভীর অন্ধকারে চলে যাচ্ছি,গিয়েছি। এর জন্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে সরকার সবাই দায়ী।
Total Reply(0)
সত্য রায় ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:১৭ এএম says : 0
আমি ভবিষ্যতে শুধু অন্ধকার দেখতেছি,স্বজন হারানোর বেদনায় ছল ছল চোখ দেখতেছি। ক্রমে ক্রমে আমরা অন্ধকার থেকে থেকে আরও গভীর অন্ধকারে চলে যাচ্ছি,গিয়েছি। এর জন্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে সরকার সবাই দায়ী।
Total Reply(0)
Riaz Ahmed Jacky ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:১৮ এএম says : 0
People kept on denying the severity of this pandemic. Hopefully this should help people to be more cautious. May Allah save us all.
Total Reply(0)
Arham Arham Hoq ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:২১ এএম says : 0
বাংলাদেশে শুরু হয়ে গেছে। আল্লাহ গরীব মানুষ গুলোকে মেরোনা।
Total Reply(0)
Asma Ul Hosna ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:২৬ এএম says : 0
কোন হাসপাতালে ডাক্তার নাই। অন্যান্য সাধারণ রোগীরাও চিকিৎসা পাচ্ছে না। এদেশে করোনা আক্রান্ত মানুষগুলো চিকিৎসা না পেয়েই মারা যাবে। আল্লাহ ছাড়া আমাদের হেফজতকারী আর কেউ নাই।
Total Reply(0)
Babul ৯ এপ্রিল, ২০২০, ১:৪৪ এএম says : 0
গলাকাটা বেসরকারি হাসপাতালগুলো কে বাধ্য করা হোক চিকিৎসাসেবার জন্য....
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন