ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭, ০৯ সফর ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্ত হয়নি : শ্রমিকদের আনবেন না

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৫ এপ্রিল, ২০২০, ৭:৫০ পিএম

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশে অঘোষিত লকডাউন চলছে। ৫ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ট্রেন-বাসসহ সবধরনের গণপরিবহনও বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সদস্যভুক্ত কারখানা মালিকরা যাতে শ্রমিকদের গ্রাম থেকে ডেকে ঢাকায় না নিয়ে আসে সে ব্যাপারে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
বিজিএমইএর ওয়েবসাইটে দেয়া মালিকদের উদ্দেশে এক বার্তায় এই আহ্বান জানানো হয়।
অনেক কারখানা থেকে ফোন করে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে বলা হচ্ছে। তাদের মোবাইলে ম্যাসেজও দেয়া হয়েছে। চাকরি বাঁচাতে অনেক শ্রমিক ঢাকায় আসছেন এমন খবরও পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএ এই নির্দেশনা দিলো।
কারখানা খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ক ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অর্থনীতি সচল রাখতে সার্বিক পরিস্থিত বিবেচনায় পোশাক কারখানা খোলা রাখার নির্দেশনা বিজিএমইএ দেবে। সেই নির্দেশনা পাওয়ার আগ পর্যন্ত যেসব শ্রমিক গ্রামে আছে, তাদের ঢাকায় আসতে না বলার অনুরোধ করা হচ্ছে। এখনো দেশের তৈরি পোশাক কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত হয়নি।
বার্তায় আরও বলা হয়, পর্যায়ক্রমে এলাকাভিত্তিক পোশাক কারখানা খোলার নির্দেশনা দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে শুরুতে কারখানা সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। ফলে প্রথম ধাপে কারখানার আশপাশে যেসব শ্রমিক থাকে, তাদেরই কাজে যোগদান করতে বলা যাবে।

মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় কোনো শ্রমিক ছাঁটাই না করার অনুরোধ জানিয়েছে বিজিএমইএ। এছাড়া যেকোনো পরিস্থিতিতে কোনো শ্রমিককে অসমর্থিত ও অনুপযুক্ত উপায়ে ঢাকা নিয়ে আসা হলে সংগঠন হিসেবে বিজিএমইএ কোনো সহায়তা করবে না বলেও ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে।
দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের (৮ মার্চ) ঘোষণার ১৭ দিন পরে সংক্রমণ ঠেকাতে আগে-পরে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। যে ছুটি পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে ৫ মে পর্যান্ত করা হয়। সর্বশেষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছুটিসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জরুরি প্রয়োজনে অফিস খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (4)
Mohammed Shah Alam Khan ২৫ এপ্রিল, ২০২০, ৮:৫৪ পিএম says : 0
সরকার তার সিদ্ধান্ত কারখানার মালিকদেরকে আগেই দিয়েদিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, প্রয়োজনে রপ্তানিমুখী পোষাক শিল্প কারখানা চালু রাখতে পারবে তবে কারখানার মালিকদেরকে নিজ দায়িত্বে পরিবহন যোগে শ্রমিকদেরকে এনে তাদের বাসস্থানের নিশ্চয়তা দিতে হবে। এখন যদি কোন রপ্তানিমুখি কারখানা সব রকম ব্যাবস্থা নিয়ে তাদের কারখানায় যেসব শ্রমিক কাজ করছিল তাদেরকেই এনে কারখানা খুলতে পারে তাহলেই খুলার ব্যাবস্থা করতে পারবে। আমরা জানি এমন কি বিজিএমইএও জানে পোষাক শিল্পের মালিকেরা কোন রকম দায়িত্ব নিয়ে শ্রমিকদেরকে আনবে না। তাই তারা কঠিন ভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যেহেতু গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে তাই গ্রাম থেকে শ্রমিদেরকে ডেকে আনা যাবে না। অনেকেই মনে করে কোন মালিক যদি তার নিজ দায়িত্বে পরিবহনের ব্যাবস্থা করে শ্রমিকদেরকে এনে কারখানার কাছা কাছি তাদের থাকার ব্যাবস্থা করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কারখানা চালু করে সে বিদেশীদের সাথে করা ওয়াদা মোতাবেক কাপড় প্রস্তুত করে রপ্তানী করতে অবশ্যই পারবে। এতে শুধু মালিই লাভবান হবেন না সরকার, দেশ তথা সাধারন জনগণও লাভবান হবেন এটাই সত্য। আল্লাহ্‌ আমাকে সহ সবাইকে এই মহামারীর সময়ে সকল দিক প্রস্তুত থেক এই মহামারীকে জয় করার শক্তি দান করুন। আমিন
Total Reply(0)
বি,এম, মাঈনুল হাসান ২৫ এপ্রিল, ২০২০, ১০:০১ পিএম says : 0
কোন খবরটা সটিক জানি না এক এক সময় এক এক কথা বলছে বিজিএমইএ
Total Reply(0)
মোঃ কুতুব উদ্দীন ২৬ এপ্রিল, ২০২০, ৫:৪০ পিএম says : 0
আসলে এঅবস্থায় মালিক পক্ষ কি সুষ্ঠু পরিবেশ শমিকদেরকে দিচ্ছে না দিচ্ছে না গায়ে গা লাগিয়ে তারা কাজ করছে নাই হ্যান্ডগ্লাবস নাই ডেস একজন শমিক মারা গেলে এর দায়ভার কে নেব বিজিএমই নেব না মালিক পক্ষ না সরকার কে জানতে চাই । এই মহামারি দূযোগের সময় টা এই সিদ্ধান্ত না নেয়া আমার মনে হয় বেটার ।
Total Reply(0)
মোঃ কুতুব উদ্দীন ২৬ এপ্রিল, ২০২০, ৫:৩৮ পিএম says : 0
আসলে এঅবস্থায় মালিক পক্ষ কি সুষ্ঠু পরিবেশ শমিকদেরকে দিচ্ছে না দিচ্ছে না গায়ে গা লাগিয়ে তারা কাজ করছে নাই হ্যান্ডগ্লাবস নাই ডেস একজন শমিক মারা গেলে এর দায়ভার কে নেব বিজিএমই নেব না মালিক পক্ষ না সরকার কে জানতে চাই । এই মহামারি দূযোগের সময় টা এই সিদ্ধান্ত না নেয়া আমার মনে হয় বেটার ।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন