ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

এ কেমন টিভি সাংবাদিকতা?

স্টালিন সরকার | প্রকাশের সময় : ২৯ এপ্রিল, ২০২০, ১২:০৪ এএম

গণমাধ্যমকে বলা হয় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গত ২০ বছরে টেলিভিশন সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটে যাওয়ায় এই স্তম্ভ এখন আরো পোক্ত। দেশে ২০ থেকে ২৫টি টেলিভিশন দিনরাত সচিত্র খবর প্রচার করছে। বিজ্ঞানের বদৌলতে লাইভ সচিত্র প্রতিবেদন দেখছে দর্শক। কিন্তু এই খবর জনগণের উপকার করছে না অপকার?

করোনাভাইরাস নিয়ে গোটা বিশ্ব টালমাটাল। বাংলাদেশেও করোনা আক্রমন করেছে। মরণঘাতী করোনাভাইরাস নিয়ে সব মহলে উৎকণ্ঠা, শঙ্কা। সবার মধ্যে ভীতি এই বুঝি করোনায় আক্রান্ত হলাম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা পৃথিবীকে এমন ভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে; করোনাকাল শেষ হলে পৃথিবী নতুন ভাবে পথচলা শুরু করবে। এ সময় প্রয়োজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা। কিন্তু কর্পোরেট হাউজ প্রতিষ্ঠিত টেলিভিশনগুলো সংবাদ প্রচারের প্রতিযোগিতার নামে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রচার করছে কি? করোনাভাইরাস নিয়ে লাইভ নিউজ, ব্রেকিং নিউজ, সদ্য নিউজ, এই মাত্র পাওয়া খবর এবং করোনা নিয়ে নানা কিসিমের টক-শো দশর্কদের উপকারে আসছে না কি মানুষের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি করছে? টিভিগুলোর করোনা নিয়ে খবর প্রচারের প্রতিযোগিতায় অনেক সাধারণ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। হার্টের রোগীদের বেহাল দশা।

‘ছুরি’ একটি হাতিয়ার। এই ছুরি দিয়ে গৃহিনী তরকারি কাটেন, ডাক্তার রোগীর অপারেশন করেন, ছিনতাইকারী রাস্তাঘাটে ছিনতাই করেন এবং কসাই গরু জবেহ করেন। কোন কাজে ব্যবহার হচ্ছে সে দায় ছুরির নয়, দায় ব্যবহারকারীর। টিভিগুলোর টক-শো নিয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। টক-শো’র নামে আলোচনা এমন স্তরে নামানো হয়েছে যে, যিনি করোনাভাইরাস শব্দটি ঠিকমতো লিখতে পারবেন না তিনিও টিভির বদৌলতে হয়ে গেছেন করোনা বিশেষজ্ঞ। জাতিকে করোনা নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন। টক-শো কার্যত সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবী তৈরির প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

করোনা সারাবিশ্বের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে। মহাপরাক্রমশালী ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে শি জিং পিং-এর হার্ট দুর্বল করে দিয়েছে করোনাকরোনার ছোঁবল থেকে রক্ষা পেতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘পরীক্ষা পরীক্ষা পরীক্ষা’র পরামর্শ দিয়েছেন। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘সামাজিক দূরত্ব’ সৃষ্টিই কেবল করোনা থেকে মুক্তির পথ। করোনাভাইরাস নিয়ে যাতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক-ভীতির সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারে চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন। এ জন্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা করোনা নিয়ে পরিশিলিত খবর প্রচার করছে। এমনকি পাশের দেশ এনডিটিভি একই পথ অনুসরণ করেছে।

করোনা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ভীতি থাকায় সতর্কতার সঙ্গে খবর প্রকাশ করেছে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিশ জনসনের করোনা আক্রান্তের পর বিসিসি ‘ব্রেকিং নিউজ’ প্রচার করলেও সিএনএন ও আল জাজিরা ব্রেকিং নয় গুরুত্বসহকারে প্রচার করেছে। করোনা নিয়ে ওই গণমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশে সতর্কতায়ও শেখার রয়েছে। বাংলাদেশের টিভিগুলোতে খবর প্রচারের প্রতিযোগিতার নামে কি হচ্ছে?

ডিজিটাল যুগ আলোড়ন তৈরি করার মতো অনেক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এখন মিডিয়ার অভূতপূর্ব ক্ষমতা। এক্ষেত্রে সংবাদ প্রকাশের কৌশল হবে ডিজিটাল আর মানবিক। এক্সক্লুসিভ খবর প্রকাশের লড়াইটা হবে এই দুইয়ের সমন্বয়ে। কিন্তু আমরা কি দেখছি? ৭ বছর আগের রানা প্লাজার খবর প্রচারে টিভিগুলোর অমানবিক প্রতিযোগিতার কেলেঙ্কারী দেখেছি।

রিমোর্ট টিপলেই করোনা খবর। যেন হৈহৈ কান্ড রৈরৈ ব্যাপার। দেশের টিভিগুলো ২৪ ঘণ্টা করোনার খবর প্রচার করছে, দেশের এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তের। খবরের মধ্যে লাইভ সচিত্র প্রতিবেদন প্রচার করা হচ্ছে। এসব খবরে দেখা যায়, কোনো এক গ্রামে একজন করোনায় আক্রান্ত, কোনো একটি দোকান লকডাউন, কোনো এক হাসপাতালে রোগীর পরীক্ষা হচ্ছে, কোনো গ্রামে মানবদেহে করোনার আলামত পাওয়া গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি
এমনভাবে এসব খবর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে লাইভ প্রচার করা হচ্ছে যে, সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভীতির সৃষ্টি হচ্ছে। হার্টের রোগী এবং যাদের হার্ট দুর্বল তারা পড়ে গেছেন বিপর্যয়কর অবস্থায়। জনমনে ভীতি ছড়ানো শঙ্কা থেকে সিএনএন-আলজাজিরা বরিস জনসনের করোনা আক্রান্তের খবর ‘ব্রেকিং নিউজ’ হিসেবে প্রচার করেনি।

অথচ বাংলাদেশে একজন রিকশাওয়ালা করোনায় আক্রান্ত হলেই সে খবর টিভিতে লাইভ প্রচার হচ্ছে (দুঃখিত রিকশাওয়ালাকে খাটো করছি না)। মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির বদলে খবর পৌঁছে দেয়ার নামে ভীতি ছড়ানো কি সাংবাদিকতা? এটা ঠিক দেশের বড় বড় কর্পোরেট হাউজগুলো মিডিয়া প্রতিষ্ঠা করেছে নিজেদের সম্পদ রক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য। সেটা অন্য প্রসঙ্গ। কিন্তু কার আগে কে প্রচার করবে সে প্রতিযোগিতায় ছোট্ট খবরকে ‘বিরাটভাবে’ প্রচার করে জনমনে ভীতির সৃষ্টি সুষ্ঠু সাংবাদিকতার সঙ্গে যায় না।

আগেই বলেছি, দেশে টিভি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটেছে। নানান বিষয়ে টিভিতে সচিত্র খবর প্রচার হওয়ায় মানুষ উপকৃত হচ্ছে। কিন্তু অনুসন্ধানী এবং নির্ভেজাল সাংবাদিকতায় আমরা কতদূর এগিয়েছি? কয়েকবছর আগে গাইবান্ধার সাঁওতাল পল্লী পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় তো দেশের টিভিগুলোর নিউজের ক্যারিশমার প্রমাণ দিয়েছে। সাঁওতাল পল্লী পুড়ে যাওয়ার ১৫ দিন পর আল জাজিরার সচিত্র খবর প্রচারের পর দেশের মানুষ জানতে পেরেছেন আগুন কারা লাগিয়েছিল। পরে অবশ্য দেশের সব মিডিয়া আল জাজিরার খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করেছে।

প্রশ্ন হচ্ছে করোনাকালে টিভিগুলোর সংবাদ প্রচারে এই বেখেয়ালি প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে কবে? এক সময় মানুষ শুধু বিটিভি দেখতো। পরবর্তীতে আরো দুই তিনটি বেসরকারি টিভি এলো। এখন অনেক টেলিভিশন। বিজ্ঞানের বদৌলতে দ্রুত খবর প্রচারে টিভির অনেক সুযোগ-সুবিধা। কিন্তু সেটা যেন ডাক্তারের ‘ছুরি’ ব্যবহারের মতো হয়, কসাই-ছিনতাইকারীর মতো নয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (13)
Md.Shafiqul Islam ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১২:৩১ এএম says : 0
কতাগুলো ১০০%সত্য। কেউ বিশ্বাস করুক বা নাই করুক আমি খবরগুলো দেখিই না। তার চেয়ে আমি ভারতের সিআইডি দেখি
Total Reply(0)
ম নাছিরউদ্দীন শাহ ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ২:০৮ এএম says : 0
করোনা ভাইরাসই সারাবিশ্বের মানুষের বিবেচনা বিবেক মন মেজাজ চিন্তা চেতনা মানুষিক পরিবর্তনগুলো চুখে পড়ার মত। মানবতার মহান আদশ‍্য সরকারের প্রধান দেশ জাতির কল‍্যানে করে যাচ্ছেন। আইন শৃংখলা বাহিনী ডাক্তার আক্রান্ত হয়ে মানবতা অন‍্যন‍্য নজির স্থাপন করে যাচ্ছেন। বিশ্ব বাস্তবতাই কঠিন চ‍্যালেন্জের মাঝখানে সরকার। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অদৃশ্য শক্তি ভাইরাস সংক্রমণজনিত জীবাণুবাহিত আক্রান্তের ব‍্যাপারে যাদের বলার যোগ্যতাই নাই। তারাই ইউটিউবে প্রচারণা জাতীয় প্রচার মাধ্যমে নানান তথ্য উপাপ্ত দিচ্ছেন কেন? এটি সমগ্র জাতির সমাজকাঠামোয় সমস্যা। সরকারের পক্ষের রাজনৈতিক নেতাদের আলোচনা এক রকম। আর বিরোধী মতামতের আলোচনা অন‍্য রকম। নিরাপেক্ষ গঠন মূলক অনুসন্ধানমূলক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন খুবই জরুরী। রাষ্ট্রের জন্যে সমাজের জন্যে। সরকার প্রধান বিরাট মনুষ্যত্বের পরিচয় দিয়ে বিরোধী দলের নেত্রী মুক্ত করে দিলেন। জাতীয় পয‍্যাবে সরকার কে কতজন অভিনন্দন জানিয়ছেন???। আন্তর্জাতিক প্রচারণায় জাতীয় সংঘের প্রতিবেদনে বিশ্ব লক্ষ মানুষ হতাহতের ভয়ংকর তথ্যের নিরাপেক্ষ সুত্রের প্রতিবেদন জাতির বিবেক সাংবাদিক সমাজ পরিস্কার করে জাতি কে জানাতে পারেননি কেন????। এ কেমন টিভি সাংবাদিকতা গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম। টকশোতে যত গুলো সম্মানিত আলোচক এই যাবত মানুষ দেখছেন। ওনাদের দেখার সাথে সাথেই বলতে পারেন দেশের মানুষ ওনি কোন পক্ষের????। এটি বাস্তবতা। করোনা পরা যদি আর ভয়াবহ বিরানাও হয়ে আসেন। এক শ্রেণির মানুষ শ্রেণিবিদ্বেষ অপপ্রচার করে যাবেন। কারণ ওদের কাজ হলো বিরোধীতা। কঠিন সময়ই সরকার কে দেশের জন গন সহযোগিতা করা উচিত। তাইতো মাননীয় প্রধান মন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিলেন। একজন ফকির তাহার জীবনের সমস্ত আয় মানবতার সেবায় দান করে সমস্ত জাতি শিক্ষা দিলেন। সবার উচিৎ দায়িত্ব নিয়ে কথা বলা। আল্লাহ্ আমাদের বুঝার তৌফিক দিক। অকার্যকর লক ডাউনে অপরিকল্পিত গার্মেন্টস শ্রমিক যাত্রা। রাস্তায় মানুষের বিরাট সমাগম। অর্থনীতির গতিপথকে পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় পয‍্যাবে জরুরী চিন্তা করতে হবে। সতের কোটি আশি লাখ মানুষের জীবনের চাকা কি হবে। জাতীয় সংঘের প্রতিবেদনে থাকা উচিৎ ছিলো আল্লাহ্ আমাদের সবাই হেফাজত করুন। আমিন।
Total Reply(0)
মেহেদী ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১:০৪ এএম says : 0
সময় উপযোগী একটা বাস্তবিক বিসয় তুলে ধরায় লেখককে শুকরিয়া জানাচ্ছি। আসলে মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস নিয়ে।
Total Reply(0)
হৃদয়ের ভালোবাসা ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১:০৫ এএম says : 0
মিডিয়ার িএসব নোংরা প্রতিযোগিতা সহ্য না করতে পেরে আমি আপাতত টিভি দেখাই বাদ দিয়েছি।
Total Reply(0)
জাহিদ খান ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১:০৬ এএম says : 0
অধিকাংশ মিডিয়ায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বাজারে আসছে। তাদের বাণিজ্যিই মুখ্য উদ্দেশ্য, সঠিক তথ্য তুলে ধরা তাদের ইস্যু না।
Total Reply(0)
সাইফুল ইসলাম চঞ্চল ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১:০৭ এএম says : 0
মিডিয়া আজ নিরপেক্ষ তো নয়ই, বরং এখানেও রাজনৈতিক বিভক্তি। আর যখন যে ক্ষমতায় থাকে বেশিরভাগ মিডিয়া তখন সেই দলের চামচামি করে।
Total Reply(0)
জন্মভুমি ছাতক ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১:০৮ এএম says : 0
গণমাধ্যমের অবস্থা হচ্ছে- দেশ গোল্লায় যাক আমার ব্যবসা হলেই হবে।
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৮:০১ পিএম says : 0
জনাব, মুহাম্মদ রাইহান রাযী সাহেব, আপনার লিখার প্রথম লাইন একরকম, দ্বিতীয় লাইনে বলেছেন শিক্ষিত হলেই সাংবাদিক হওয়া যায়না আমি এখানে দ্বিমত পোষন করছি। আমার মতে উচ্চ ডিগ্রী হলেই সাংবাদিক হওয়া যায়না, কম ডিগ্রী নিয়ে শিক্ষিত (নানা বিষয়ে প্রচুর পড়া শুনা করে) হলেই সাংবাদিক হওয়া যায়। যারা শিক্ষিত নন তারা সাংবাদিক হতে পারেন না এটাই আমার দৃষ্টিতে সত্য। আর আমাদের দেশে সেজন্যেই সাংবাদিকদের সেই মর্যাদা আজকাল নেই। পত্রিকার সাথে সংযুক্ত হলেই তার সাংবাদিক পরিচয় পত্র হয়েযায় আর তিনি রাস্তা ঘাটে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বাহাদুরী করে বেড়ান এটাও আমার নজরে এসেছে। আবার কেহ যদি প্রচুর লেখা পড়া করে প্রকৃত শিক্ষিত না হয় তাহলে সেই ব্যাক্তিও সাংবাদিক হতে পারেনা এটাও সত্য। তবে আমি দেখেছি কম ডিগ্রী নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করেও ভাল সাংবাদিক হয়েছেন। একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক হতে হলে তাঁকে নানা বিষয়ে জ্ঞান রাখতে হয় সেজন্যেই প্রচুর পড়াশুনার প্রয়োজন। আবার মিডিয়ার মালিককে খুশী করার জন্যে লিখতে চাইলে তেমন পড়াশুনার প্রয়োজন নেই শুধু লিখার জ্ঞান থাকলেই চলবে। ............... করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে থাকুন, ভাল থাকুন, ঘরে থেকে অন্যকে ভাল থাকতে সাহায্য করুন আমিন
Total Reply(0)
shafiq465 ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৭:১৫ এএম says : 0
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে পজেটিব প্রচার দরকার।
Total Reply(0)
Imamul Muttakin ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৮:৫০ এএম says : 0
Thanks lot to the daily Inqilab for exceptional news at the right time
Total Reply(0)
Mohammed Shah Alam Khan ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ৮:২০ এএম says : 0
ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক স্টালিন সরকারের লিখা খুবই তথ্য বহুল ও জনগণের উপকারের উদ্দেশ্যেই লিখা হয়ে থাকে। অনেক সময় ওনার লিখায় বিএনপির সমর্থন ফুটে উঠে তারপরও ওনার লিখা ভাল লাগে কারন সেসব লিখাতে বিরোধী দল (বিএনপি) ও সরকারি দলের অনেক দুর্বলতা সামনে আসে যানাকি সংশোধন করলে উভয় দলই শক্তিশালী দল হিসাবে দাড়াতে পারবে। আজ তার এই লিখা যদিও সরকারের কিছুটা সমর্থনে এসেছে কিন্তু খবরটা খুবই বস্তুনিষ্ঠ খবর। এখন সরকারি দল টেলিভিশনের সাংবাদিক ও মালিক পক্ষকে সমীহ করে চলে ভয়ে যে, কখন কি হয়ে বসে। প্রধানমন্ত্রীর সময়ের মূল্য এত মূল্যবান যে, প্রকৃত পক্ষে বিশেষ কোন খবর নিয়মিতভাবে দেখা তার পক্কে সম্ভব নয়। কিন্তু বাংলাদেশের টিভির মালিকেরা এমনই অবস্থার সৃষ্টি করেছে যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত ভাবে কিছু কিছু টিভির টকশো সরাসরি দেখেন যদি না পারেন তাহলে রেকর্ড করে পরে দেখে নেন। তাহলে বুঝুন এসব টিভি চ্যালেনের মালিকেরা কতটা বেপরোয়া ভাবে নিজের স্বার্থ রক্ষার জন্যে প্রধানমন্ত্রীকেও দুর্বল করে রেখেছে!!! আমি জানি এই লিখা টিভি চ্যালেনের মালিকদের বিবেককে নাড়া দিতে পারবেনা, এরা যেমন আছে তেমনই থাকবে। তবে ইনকিলাবের পাঠকেরা বিষয়টা উপলব্ধি অবশ্যই করবেন এবং সেইভাবেই টিভিকে মূল্যায়ন করবেন ইনশ’আল্লাহ। পরিশেষে আল্লাহ্‌র দরবারে প্রার্থনা তিনি যেন সরকারকে যোগ্যতা দেন যাতে করে সরকার মিডিয়ার আইন এমন ভাবে বানান যাতে করে কোন ব্যাবসায়ী এইসব প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে না পারেন। আমিন
Total Reply(0)
jack ali ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১১:২১ এএম says : 0
We have many Alem in our country. All the TV should broadcast their lecture, it will help all the bangladeshi muslim to know about Islam. In our country few people know about Islam.
Total Reply(0)
মুহাম্মাদ রাইহান রাযী ২৮ এপ্রিল, ২০২০, ১০:০৭ এএম says : 0
বর্তমান মিডিয়াগুলো অনেকটাই পাক্ষিক নিউজ করলেও আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অনলাইন মিডিয়া সাংবাদিক সত্য প্রকাশে তারা নিরলস ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। আমি মনে করি শুধু শিইক্ষিত হলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না! প্রয়োজন আমার দেশ সম্পাদক: মাহমুদুর রহমানের মতো ক্ষুরধার কলমের অধিকারী। হতে হবে আম্র দেশ সহ-সম্পাদক মাওলানা শরীফ মুহাম্মাদ সাহেবের তীক্ষ্ণ চিন্তার যুগোপযোগী কুরআন-হাদীসের তথ্যসূত্রে আলোচনা করার মতো যোগ্যতা।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন