ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৫ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার থেকে পণ্য লোপাট জড়িত সংঘবদ্ধ চক্র

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ৪ মে, ২০২০, ৯:৫১ এএম

চট্টগ্রাম বন্দরের হেফাজতে থাকা কন্টেইনারের পণ্য লোপাটের ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
কন্টেইনারের অরজিনাল সিল ভেঙে শুল্ককর পরিশোধ ছাড়া পণ্য গায়েব করে দেওয়ার ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে এমন তথ্য জানা গেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ওই কনটেইনারে ২৬ হাজার ৩০০ কেজি কাপড় ছিলো।

কাস্টম হাউসের নিজস্ব গোয়েন্দা এআইআর শাখার কর্মকর্তারা ঘটনায় জড়িত একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে। অন্য একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ৩০০ গ্রাম পুরুত্বের আর্টকার্ডের চালান খালাসের সময় ৪টি কাভার্ডভ্যানের জায়গায় ৬টি কাভার্ডভ্যান বন্দরের ইয়ার্ডে ঢুকিয়ে ৪০ ফুট লম্বা কন্টেইনারটির ফেব্রিক্স (কাপড়) পাচার করেছে।

কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার (এআইআর) নূর এ হাসনা সানজিদা অনসূয়া বলেন, আগ্রাবাদ লাকি প্লাজার সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান গত ১৯ এপ্রিল আরেকটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের আর্ট কার্ডের চালান খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ৪টি গাড়ির অতিরিক্ত ২টি গাড়ি বন্দরে আনে। ওই দুটি গাড়িতে এসব পণ্য বের করে নেওয়া হয়।
ঢাকার সবুজবাগের কেমস ফ্যাশন লিমিটেডের নামে ১০০ ভাগ রফতানিমুখী পোশাক শিল্প কারখানার ফেব্রিক্স হিসেবে চীন থেকে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এমসিসি ডেনাং জাহাজে বন্দরে আসে ৪০ ফুট দীর্ঘ কন্টেইনারটি।
দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চালানটি খালাসে কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি দাখিল কিংবা শুল্ককরাদি পরিশোধ করেনি।
এতে সন্দেহজনক কন্টেইনারটি আটক করে রাখা হয়। রোববার বিকেলে সেটি খুলে পরীক্ষা করতে গিয়ে লোপাটের বিষয়টি ধরা পড়ে।
কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা বলেন, ওই দুইটি গাড়ির মধ্যে একটি কাভার্ড ভ্যান চট্টগ্রাম বন্দর থানায় আটক রয়েছে।

এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে রাজস্ব ফাঁকি ও চোরাচালানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী মামলা (এফআইআর) দায়েরসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান কাস্টমস কর্মকর্তারা।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন