ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

খেলাধুলা

আগামী বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনও বাতিল হতে পারে

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ মে, ২০২০, ৫:১৫ পিএম

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম বাতিল হলো টেনিসের বিশ্বকাপ খ্যাত গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্ট উইম্বলডন। একই সঙ্গে করোনার কারণে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে ফরাসি ওপেনও। তবে এ টুর্নামেন্টটি চলতি বছর আয়োজন সম্ভব কি না তা নিয়ে শঙ্কা থেকেই গেছে। এমনকি বছরের শেষ গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্ট ইউএস ওপেন অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। পাশপাশি আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিতব্য অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজন নিয়ে এখনই শঙ্কা দেখা দিয়েছে! খোদ টেনিস অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকেই সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে- আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজন সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে। টেনিস অস্ট্রেলিয়ার প্রধান ক্রেগ টিলে এমনই এক সম্ভাবনা উসকে দিয়ে জানান, করোনার কারণে যে খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এটা আরো বেশি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার করোনার প্রভাব পুরো পৃথিবীতে পড়ার কারণে অস্ট্রেলিয়া সরকার আন্তর্জাতিক বিমান পরিসেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কড়াকড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক বিমান পরিসেবায় নিষেধাজ্ঞা কবে উঠবে, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন টিলে।

মূলতঃ জানুয়ারি মাসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় টেনিস মৌসুম। ১৮ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের খেলা। টিলে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, ‘আগামী বছর জানুয়ারিতেও আন্তর্জাতিক বিমান উড়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে তা মোটেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের জন্য ভালো খবর নয়।’ পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা উঠলেও অন্যদেশের অনুরাগীরা কতটা অংশগ্রহণ করতে পারবেন, তা নিয়েও চিন্তিত টেনিস অস্ট্রেলিয়ার প্রধান।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে ক্রেগ টিলে বলেন, ‘এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে আমাদের হাতে চারটি পথ খোলা রয়েছে। প্রত্যেকটি বিকল্প পথ নিয়েই আমরা পর্যালোচনা করছি। তবে আমার মতে সবচেয়ে নিরাপদ মনে হয় কেবলমাত্র অস্ট্রেলিয়ার অনুরাগীদের নিয়েই আগামী বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আয়োজন করা এবং প্রত্যেক খেলোয়াড়ের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা।’

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৮৯৬ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৯৭ জন। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সীমানা খুলে দেয়ার ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করেছে সে দেশের সরকার। প্রাথমিকভাবে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিসেবার ক্ষেত্রে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন