ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

ইসলামী বিশ্ব

তুর্কি স্বার্থে আঘাত করলে হাফতার বাহিনীর ওপর প্রত্যাঘাত : তুরস্ক

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০২০, ১২:০৩ এএম

লিবিয়ার বহুল আলোচিত জেনারেল হাফতার বাহিনীকে হুঁশিয়ার করে তুরস্ক বলেছে, লিবিয়ায় তুরস্কের স্বার্থ ও ক‚টনৈতিক মিশনের ওপর যদি ওই বাহিনী হামলা অব্যাহত রাখে তাহলে হাফতার বাহিনীকে প্রত্যাঘাত করবে তুরস্ক। রোববার এ সতর্কতা দিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল-আরাবিয়া। এতে বলা হয়, লিবিয়ায় জাতিসংঘ স্বীকৃত ফায়েজ আল সরাজ নেতৃত্বাধীন গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একর্ড বা জিএনএ সরকারকে সমর্থন করে তুরস্ক। এই সঙ্গে হাফতারের বাহিনীকে তারা দেখে ‘পুটশিটস’ হিসেবে। পুটশিটস ওই বাহিনীকে আখ্যায়িত করা যায়, যাদেরকে শক্তি প্রয়োগ করে হটিয়ে দেয়া হয়। রোববারের দেয়া বিবৃতিতে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যদি লিবিয়ায় আমাদের মিশন ও স্বার্থে হামলা চালানো হয়, তাহলে আমরা হাফতার বাহিনীকে বৈধ টার্গেট হিসেবে দেখবো। উল্লেখ্য, ২০১১ সালের বিক্ষোভের পর থেকেই উত্তর আফ্রিকার এই দেশ লিবিয়া টালমাটাল। ওই বিক্ষোভের ফলেই ক্ষমতা থেকে বিচ্যুত হন শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি। পরে তাকে হত্যা করা হয়। এ দেশটিতে আল সরাজ সরকার মূলত টিকে আছেন মিলিশিয়াদের ওপর ভর করে। এর মধ্যে রযেছে কট্টরপন্থি, উগ্রপন্থি বিভিন্ন গ্রুপ। এসব ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে অথবা আগে সৃষ্টি হয়েছে। সূত্রমতে, লিবিয়ায় যুদ্ধ করার জন্য সিরিয়ায় সমমনাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে তুরস্ক। এসব সিরিয়ানের রয়েছে তুরস্কের নাগরিকত্ব। তারাই লিবিয়ায় উগ্রপন্থিদের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এমন চারটি গ্রুপকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে তুরস্ক। এর প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ৩৫ জন করে কট্টরপন্থি। তাদের কারো কারো রয়েছে যুদ্ধের খুব বেশি অভিজ্ঞতা। কারণ, তারা তুরস্কের সেনাবাহিনীর সাথে সিরিয়ায় যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। অন্যরা তুরস্কের ভিতর সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছে। সূত্র বলেছে, লিবিয়ার ভিতরে তুরস্কের সেনাদের অবস্থান নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছে তুরস্ক ও জিএনএ সরকারের মধ্যে। এর অধীনে লিবিয়ায় উপস্থিত তুর্কি সেনাবাহিনীর সব ব্যয়ভার বহন করবে জিএনএ। জাতিসংঘের মতে, জিএনএ’র প্রতি অনুগতদের কাছে এরই মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ দিয়েছে তুরস্ক। এর মধ্যে রয়েছে ট্যাংক ও ড্রোন। আল-আরাবিয়া।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (9)
তোফাজ্জল হোসেন ১২ মে, ২০২০, ১:২৯ এএম says : 0
হাফতার বাহিনীতে কোনো ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না। এরদোগান জয়ী হবে ইনশায়াল্লাহ।
Total Reply(0)
জাবের পিনটু ১২ মে, ২০২০, ১:৩০ এএম says : 0
সেদিন নিউজে দেখলাম আমেরিকা হাফতার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে এবং তুরস্ককে সমর্থন করেছে।
Total Reply(0)
হৃদয়ের ভালোবাসা ১২ মে, ২০২০, ১:৩১ এএম says : 0
েএকাধিক সরকার না রেখে যে কোনো একটি সরকার লিবিয়ায় প্রতিষ্ঠা করা গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
Total Reply(0)
নাসিম ১২ মে, ২০২০, ১:৩১ এএম says : 0
কিন্তু হাফতার বাহিনীর পেছনে তো বাশার আল আসাদ ও রাশিয়া মদদ দিচ্ছে।
Total Reply(0)
জোবায়ের আহমেদ ১২ মে, ২০২০, ১:৩২ এএম says : 0
লিবিয়ায় কবে যে শান্তি ফিরবে। কত সুন্দর একটা দেশ ছিল আর এখন...
Total Reply(0)
jack ali ১২ মে, ২০২০, ১২:৫৭ পিএম says : 0
O´Allah those who are helping Hafter Islam hater, wipe them out from Libya. Ameen
Total Reply(0)
Jahanur Rahaman ১২ মে, ২০২০, ১২:২৪ পিএম says : 0
Good
Total Reply(0)
Md.Murad Hossain ১২ মে, ২০২০, ৩:২১ পিএম says : 0
হাফতার বাহিনীতে কোনো ছাড় দেওয়া ঠিক হবে না। এরদোগান জয়ী হবে ইনশায়াল্লাহ।
Total Reply(0)
Md abul kalam ১৩ মে, ২০২০, ১০:২৫ এএম says : 0
আসসালামু যালাইকুম ও যা রাহমুতুললাহি ও যা বারকাতুহ । আমি অশিক্ষিত মানুষ হিসেবে কথাটা বলছি যে, জনাব মেজর জেনারেল হাফতার একজন লিবিয়ার বৈধ জেনারেল । আপনি কারো কথায় কান না দিয়ে, কারো বুদ্ধি না ধরে, আপনি যদি একজন খাঁটি ইমানদার মুসলিম হলে আপনি সরাসরি তুরস্কের বাদশা এরদোগান কে সাথে নিয়ে বৈঠকে বসেন এবং বাদশা এরদোগানের কথা মেনে চলুন । বড়ো ভাইয়ের কথা মতো চলবেন ।আপনার সকল মুসলিম সৈন্য কে যুদ্ধ বন্ধ করে দিয়ে, অস্ত্র ফেলে দিয়ে এক মুসলমান আর একজন মুসলমানের বুকের সাথে বুক মিলিত করেন । আপনারা মুসলমান হয়ে আর একজন মুসলমানের বুকের মধ্যে গুলি চালাবেন না । মা বাবার ভাই বোনদের বুক খালি করবেন না । বাংলাদেশের থেকে অনুরোধ করছি ।ধন্যবাদ
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন