মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮, ১৮ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

ফের আলোচনায় টঙ্গীর সেই টাম্পাকো

মো. হেদায়েত উল্লাহ, টঙ্গী থেকে : | প্রকাশের সময় : ২০ মে, ২০২০, ১২:০১ এএম


মহামারি সংক্রামকব্যাধি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লকডাউনের মধ্যে টঙ্গী, গাজীপুরসহ আশপাশের শিল্প এলাকায় শ্রমিকরা যখন বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে কারখানা ভাঙচুরসহ মহাসড়ক অবরোধ করছে, ঠিক তখন ২০১৬ সালের আলোচিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো টঙ্গীর সেই টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড’র সকল কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের শতভাগ বেতন ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা জানান, করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য মালিক পক্ষ আমাদের কারখানার ভিতরেই আবাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এতে আমরা অনেক নিরাপদে আছি। আমাদের বেতন ভাতাসহ ঈদ বোনাসের টাকা সময় হওয়ার আগেই কোম্পানি পরিশোধ করে দিয়েছেন। কারখানার মালিকপক্ষ আমাদের খোঁজখবর রাখছেন নিয়মিত। প্রতিনিয়ত খবর নিচ্ছেন সবার সুস্থতাসহ অন্য কোন বিষয়ে সমস্যা আছে কি না।
কারখানায় কর্মরত একাধিক শ্রমিক ও কর্মকর্তা জানান, শ্রমিকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করেছে টাম্পাকো ফয়েলস্ লিমিটেড। টাম্পাকো কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুুযোগ সুবিধা দেয়ার ফলে শ্রমিকদের কারখানার বাইরে যেতে হয় না। এতে শ্রমিকরা অনেকটাই নিরাপদে রয়েছেন বলে তারা জানান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কারখানার শ্রমিকরা মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূূরত্ব বজায় রেখে তাদের প্রতিদিনের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ইকুইপমেন্ট কোম্পানির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করায় কাজ করছেন স্বাচ্ছন্দে।
টাম্পাকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ ফ্লেক্সিবল প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সাফিউস সামি আলমগীর বলেন, সংক্রামক ব্যাধি করোনা এখন সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। এ বাস্তবতা মেনে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। জীবন থেমে থাকবে না, ঠিক তেমনি আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। করোনার প্রভাব কাটাতে মানুষের জীবন জীবিকা এবং কৃষি শিল্পের উৎপাদনশীলতায় জোর দিতে হবে। আমি আশা করি, আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগে ব্যবসা বাণিজ্য আবার স্বাভাবিক হবে ও অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। আমাদের কারখানার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল অনেকগুলো পরিবার। তাই শুরু থেকেই আমরা সরকারের সকল নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কারখানা চালাচ্ছি। করোনা মহামারি থেকে রেহাই পেতে শ্রমিকদের জন্য বিনামূল্যে থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া আমরা প্রতি মাসের বেতন নিয়মিত দিয়েছি এবং ঈদ বোনাস ঈদের দুই সপ্তাহ আগেই অগ্রিম দিয়ে দিয়েছি। শ্রমিকদের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করেই আমরা কাজ করছি।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন