ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৭, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বাগরেহাটে ভেসে গেছে ৪৬৩৫ চিংড়ি খামার

বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২১ মে, ২০২০, ৬:৫১ পিএম

সুপার সাইক্লোন আম্ফানে জলোচ্ছাসে বাগরেহাট জেলায় ৪ হাজার ৬৩৫ চিংড়ি খামারের মাছ ভেসে গেছে।শরণখোলা উপজলোয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/৩ পোল্ডারের ২শ মিটার রিংবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকে শরণখোলার বগি গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে পানি কিছুটা নেমে যাওয়ার পর ক্ষতগ্রিস্ত বাঁধ নির্মানের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন র্বোড।

এদিকে বুক পেতে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তীব্রতা কমিয়ে দিয়ে লোকালয়ের মানুষদের এবারো রক্ষা করা সুন্দরনের বড় ধরনরে কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।


বাগরেহাটের র্পূব সুন্দরবন বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে ৮টি বন অফিসের টিনের চালা উড়ে গেছে ও সর্ম্পূণ ভেঙ্গে গেছে ৫টি জেটি।বনের জীববচৈত্র্যিরের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো পাওয়া যায়নি।

জেলায় কিছুকাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেঙ্গে গেছে।

সামান্য ক্ষতি হয়েছে আউস ধানসহ গ্রীষ্মকালীন সবজির। বৃহস্পতিবার সকালে জলোর ১ হাজার ৩১টি আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা প্রায় ৪ রাখ মানুষ তাদরে নিজ-নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।
বাগরেহাট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক জানান, ঝড়ে জেলার ৪ হাজার ৬৩৫টি মৎস্য ঘের ভেসে গেছে।সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে মোংলা, শরণখোলা, মোরলেগঞ্জ ও রামপাল উপজেলায়। এতে জেলার কয়েক হাজার চিংড়ি চাষীরা ক্ষতগ্রিস্ত হয়েছে।

সরকারিভাবে ক্ষতি ধরা হয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা। তবে বেসরকারি হিসাবে এক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি বলে জানিয়েছেন চিংড়ি চাষীরা।
বাগরেহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ উদ জামান জানান, সুপার সাইক্লোন আম্ফানের স্বাভাবিক জোয়ারের থেকে ৭ থেকে ৮ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে বাগেরহাটের শরনখোলা উপজলোয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/৩ পোল্ডারের২শ মাটির রিংবাধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে।এতে শরণখোলা গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক পরিবারর পানিবন্ধি হয়ে পড়ে।বৃহস্পতিবার সকালে পানি কিছুটা নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ নির্মানের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বাগেরহাটের র্পূব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন র্কমর্কতা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে বন তলিয়ে যাওয়ায় সুন্দরবনের কটকা, দুবলা, চরাপুটিয়া ও কোকিলমুনি বন অফিসের কম্পাউন্ডে দল বেধে আশ্রয় নেয়া কয়েক শত হরিণ বনে ফিরে গেছে।সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মনিটিে সুন্দরবনে প্রথমে আঘাত হানে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। রাতভর চলে ঝড়ের তান্ডব। প্রাথমিক ভাবে ৮টি বন অফিসের টিনের চালা উড়ে গেছে ও সর্ম্পূণ ভেঙ্গেগেছে ৫টি জেটি। কোন বন্য প্রাণী মারা যাবার খবর বা বনের গাছপালার ক্ষয়ক্ষতির হিসাবএখনো পাওয়া যায়নি।

বাগরেহাট জলো কৃষি সম্প্রসারণ অধদিপ্তরের উপ পরিচালক রঘুনাথ করের সাথে কথা হলে তিনি বলনে, র্ঘূণিঝড়ে আগেই জেলার বোরো ধান কৃষকেরা ঘরে তুলে ফেলতে সক্ষম হয়ছিল। তবে ঝড়ে আউস,পান বরজ ও গ্রীষ্মকালীন সবজির সামান্য ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপণের জন্য মাঠ র্পযায়ে কাজ শুরু হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন