ঢাকা, বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

বিদেশ ফেরত শ্রমিকদের সহায়তা করুন : আইওএম

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০২০, ১২:০৫ এএম

করোনার কারণে বিদেশ থেকে দেশে ফেরত আসা ও বিদেশে খুব বেশি ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য তাৎক্ষণিক খাদ্য, আশ্রয় ও স্বাস্থ্যসেবা মেটানো প্রয়োজন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এজেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) প্রধান জর্জি গিগাউরি এক সতর্কবার্তায় এ কথা বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, মধ্যম থেকে দীর্ঘ মেয়াদে তাদের জন্য প্রয়োজন ঋণ সহায়তা, জীবিকা নির্বাহের জন্য বৈচিত্রময় সহায়তা এবং সমাজের সঙ্গে যাতে টেকসইভাবে মিশে যেতে পারেন, তা নিশ্চিত করা। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আইওএম বলেছে, দেশে ফেরত আসা শ্রমিকদের ফেরানোর পরিকল্পনা, তাদের গ্রহণ করা এবং সমাজে তাদের একীভ‚ত করার পরিকল্পনায় বাংলাদেশ সরকারকে সমর্থন করছে আইওএম। বিশে^র বিভিন্ন দেশে নানারকম শ্রমে নিয়োজিত রয়েছেন বেশ কয়েক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক। ওইসব দেশে করোনাভাইরাসকে কেন্দ্র করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এ বছর যখনই শিথিল হবে এবং ফ্লাইট চালু হবে, তখন কয়েক হাজার বাংলাদেশি অভিবাসী দেশে ফিরবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

জর্জি গিগাউরি বলেছেন, এসব শ্রমিক তাদের আয়ের উৎস হারিয়েছেন। আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন বৈশি^ক মন্দার কারণে। তাই তাদের অনেকেই দেশে ফিরতে চান না।
ব্র্যাকের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এজেন্সি আইওএম। তারা দৃষ্টি দিয়েছে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে ফেরত আসা অভিবাসীদের দিকে। বলেছে, ঝুঁকিতে থাকা এসব অভিবাসীকে সহযোগিতা করার জন্য। একই সঙ্গে তাদেরকে অতিরিক্ত তহবিল দিয়ে সহায়তা করার কথা বলা হয়েছে। এমন সহায়তা দিতে বলা হয়েছে পারস্য সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো থেকে ফেরত আসা শ্রমিকদের জন্য। ওইসব দেশে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি অবস্থান করেন। কিন্তু তেলের দাম পড়ে যাওয়ায় বিপুল পরিমাণ শ্রমিক ছাঁটাই করা হচ্ছে।

আইওএম বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মার্চ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে ঝুঁকিতে থাকা ৮০৬ জন অভিবাসীকে শনাক্ত করতে পেরেছে তারা। তাদেরকে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত তথ্য জানানো হয়েছে। করোনা মহামারিতে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হবে সে বিষয়ে তাদেরকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের প্রধান রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ক বলেছেন, করোনা মহামারিতে অভিবাসীসহ সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা স¤প্রদায়ের নেতিবাচক প্রভাব সমাধানে বাংলাদেশ সরকারকে সাহায্য করতে প্রস্তুত ইইউ। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেছেন, এই সঙ্কটের সময়ে ভয়াবহ দুর্ভোগের শিকার অভিবাসী শ্রমিকরা। দেশে এবং বিদেশে তাদেরকে সহযোগিতা করা আমাদের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন