ঢাকা, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৯ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

আম্পান তান্ডবে নিহত ২৫

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০২০, ১২:০৪ এএম

ভেঙেছে ঘর-বাড়ি, গাছপালা ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের

 

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে তছনছ হয়ে গেছে উপক‚লীয় অঞ্চলসহ দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলা। প্রবল ঝড়ের তান্ডবে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়, জলোচ্ছাস ও অতিবৃষ্টিতে ভেঙে গেছে লাখ লাখ ঘরবাড়ি ও গাছপালা। উপড়ে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি, ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের। অনেক জেলায় বিদ্যুৎ সরবাহ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া আম, বোরো ধান তরিতরকারিসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এদিকে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর সচলের পথে চট্টগ্রাম বন্দর।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ এবং সাতক্ষীরা এলাকায় শুধু আমের আনুমানিক দুই হাজার কোটি টাকার বেশিক্ষতি হয়েছে বলে চাষিরা ধারণা করছেন। আম্পানে ভেসে গেছে খুলনায় ৫০ হাজার এবং বাগেরহাট জেলার ৪ হাজার ৬৩৫টি চিংড়ি ঘের। এতে কম পক্ষে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন চিংড়ি চাষিরা।
আম্পানের আঘাতে বিভিন্ন জেলায় ২৫ জনের মৃত্যুরও খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে যশোরে গাছ চাপা পড়ে মা মেয়েসহ ৮ নিহত হয়েছেন। পটুয়াখালীতে ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে ও মানুষকে সচেতন করতে গিয়ে নৌকাডুবিতে দুজন মারা গেছেন। ভোলায় গাছচাপা পড়ে ও ট্রলারডুবে দুই জন মারা গেছেন। পিরোজপুরের মঠবাড়িয়াতে শাহাজান মোল্লা নামে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মারা গেছেন দেয়ালে চাপা পড়ে। একই উপজেলার আমরাগাছী এলাকায় ৭০ বছর বয়সী গুলেনুর বেগম ও ইন্দুরকানীর উমিদপুরে ৫০ বছর বয়সী শাহ আলম ঝড়ের তাÐবের সময় স্ট্রোক করে মারা গেছেন। এছাড়া সাতক্ষীরা সদরে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। বগুড়ায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন দু’জন । এছাড়া চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ, বরগুনা, চট্টগ্রাম, ঝিনাইদহ ও রাজশাহীতে একজন করে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি ও ঝড়ে রাজশাহী, রগুড়া, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা এসব এলাকার বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া গাইবান্ধা, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, পাবনায়ও কৃষির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড় ও অতি বৃষ্টির কারণে পটল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, কাঁকরোলসহ বিভিন্ন তরকারির গাছ ঝড়ে ছিঁড়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে রাজশাহী ছাড়াও নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ থেকে পড়ে গেছে বেশিরভাগ আম। রাজশাহীতে প্রায় ২০ ভাগ আম গাছ থেকে পড়ে গেছে। চাষিরা বলছেন এতে আনুমানিক দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আম্পানে ভেসে গেছে বাগেরহাটের সাড়ে ৪ হাজার চিংড়ি ঘের। আম্পানের প্রভাবে বাগেরহাটে ৭-৮ ফুটের জলোচ্ছ¡াসে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার শরণখোলা গ্রামের ৩৫/৩ পোল্ডারের ২শ’ মিটার রিংবাঁধ ভেঙে গেছে। ভেসে গেছে জেলার ৪ হাজার ৬৩৫টি চিংড়ি ঘের।
চট্টগ্রাম : ঘূর্ণিঝড়ের শক্তির তুলনায় ঝড়-তাড়িত জলোচ্ছ¡াসেই সর্বাপেক্ষা বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার বিস্তৃতি ঘটেছে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের উপক‚ল অবধি। চর-উপক‚ল-দ্বীপাঞ্চলে বেড়িবাঁধ প্রায়ই বিধ্বস্ত এমনকি চিহ্নও নেই। অবশিষ্ট জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ প্রবল জোয়ার তথা জলোচ্ছ¡াসের তোড়ে ভেঙে গিয়ে শতাধিক গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফল-ফসল, মৎস্যঘের, গ্রামীণ অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র আসছে। অনেক জনপদ প্লাবিত থাকায় ঝুঁকি এড়াতে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ রেখেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঘূর্ণিঝড় রাতভর ধ্বংসলীলা চালিয়ে দুর্বল স্থল নিম্নচাপ কেটে যাচ্ছে ভারতের দিকে। এটি ঘণ্টায় ১৫১ কি.মি. গতিতে আঘাত হানে সাতক্ষীরা জেলায়। যা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ গতিবেগ। তারপর সারারাত ক্রমান্বয়ে খুলনায় এসে যশোর-নড়াইল-মাগুরা- রাজবাড়ী হয়ে পাবনায় পৌঁছায়। মূল ঘূর্ণিঝড়ের একাংশ আঘাত হানে রাজশাহীতে। এক পর্যায়ে আরও দুর্বল হয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে স্থল নিম্নচাপ আকারে উত্তর-পূর্ব দিকে জামালপুর, ময়মনসিংহ হয়ে মেঘালয় দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে কেটে যাচ্ছে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানকালে এক পর্যায়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪৫ কিলোমিটার গতি পেয়ে ‘সুপার সাইক্লোনে’ পরিণত হলে বিভিন্ন মিডিয়া এটি সিডরের সমান এমনকি ততোধিক শত্তিতে বাংলাদেশে আঘাতের আভাস দেয় (দৈনিক ইনকিলাব ব্যতীত)। বাস্তবে আঘাতের আগে সর্বোচ্চ গতি ছিল ১৮০ কি.মি.। ‘আম্পান’ স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় গতকাল মহাবিপদ সঙ্কেত নামিয়ে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা দেখানো হচ্ছে। এদিকে, চট্টগ্রামের স›দ্বীপে জোয়ারের পানিতে ডুবে মো. সালাউদ্দিন (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতক বুধবার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সচল চট্টগ্রাম বন্দর : আম্পান দুর্বল হওয়ায় ও মহাবিপদ সঙ্কেত প্রত্যাহারের ফলে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম গতকাল সকাল থেকেই স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল করতে শুরু করে। আইএসপিএস কোড অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষও নিজস্ব সতর্কতা তুলে নেয়। ৪৮ ঘণ্টা পর আমদানি-রফতানি পণ্যবাহী জাহাজের আসা-যাওয়া, জেটি-বার্থে ভিড়ানো, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং, খালাস, ডেলিভারি পরিবহন কার্যক্রম সন্ধ্যায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসে।
যশোর : সুপার সাইক্লোন আম্পান যশোর সাতক্ষীরা খুলনা ও ঝিনাইদহসহ দক্ষিণ পশ্চিমে রেখে গেছে ধ্বংসের চিহ্ন। ঘর বাড়ি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গাছপালা ভেঙে চুরে, মাঠের ফসল দলিত মথিত করে বিরাট ক্ষতি করেছে। আম্পানের তাÐবে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের কাজ চলছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ রাত থেকে যশোরসহ অনেক স্থানে বন্ধ রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক পার্থ প্রতিম সাহা দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে একটু সময় লাগবে। যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর জেলা এলাকায় প্রচুর আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, কলা গাছের ক্ষতি হয়েছে। উপড়ে গেছে রাস্তার পাশের গাছ। সূত্র জানায়, যশোরসহ ৬ জেলার ১লাখ ৫৩ হাজার ৭২১ হেক্টর শস্য ফসল মাঠের উপর দিয়ে আম্পানের তাÐব চলেছে।
এদিকে, যশোরে আম্ফান তান্ডবে শার্শা, চৌগাছা ও বাঘারপাড়ায় গাছ চাপা পড়ে ৮ জন নিহত হয়েছেন। গাছচাপা পড়ে চৌগাছা পৌরসভার হুদো চৌগাছা এলাকার ওয়াজেদ হোসেনের স্ত্রী চায়না বেগম (৪৫) ও মেয়ে রাবেয়া খাতুন (১৩) নিহত হন বুধবার রাতে। ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও মেয়ে নিহত হন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়া গাছচাপা পড়ে শার্শা উপজেলার মালোপাড়ার সুশীল বিশ্বাসের ছেলে গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস (২৮), গোগা পশ্চিমপাড়ার শাহজাহানের স্ত্রী ময়না খাতুন (৪০) ও বাগআঁচড়া জামতলা এলাকার আব্দুল গফুর পলাশের ছেলে মুক্তার আলী (৬৫) এবং বাঘারপাড়া উপজেলার দরাজহাট বুদোপাড়া এলাকার সাত্তার মোল্লার স্ত্রী ডলি খাতুন (৪৫) নিহত হন। এছাড়া মণিরামপুরে স্বামী-স্ত্রীর নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
রাজশাহী : রাজশাহীর মোহনপুরে আম্পানের ঝড়ের মধ্যে আম কুড়াতে গিয়ে মনোয়ারা বেগম (৪২) নামে এক নারী নিহত হয়েছে। সে উপজেলার হরিদাগাছি গ্রামের বারুইপাড়ার ইসহাক আলীর স্ত্রী।
খুলনা : ঝড়ের আঘাতে খুলনা সাতক্ষীরা বাগেরহাটসহ উপক‚লীয় এলাকাজুড়ে লÐভÐ হয়েছে কয়েক লক্ষাধিক ঘরবাড়ি। ফলে এ অঞ্চলের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের ঠাঁই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে। এদিকে ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানি বৃদ্ধিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে অর্ধ লক্ষাধিক মাছের ঘের ও পুকুর। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই উপক‚লীয় এলাকার ৫১ লাখের মতো গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আম্পানের প্রভাবে বুধবার রাতে সাতক্ষীরা, খুলনাসহ পশ্চিম উপক‚লে ৫ থেকে ৭ ফুট উঁচু জলোচ্ছ¡াস বয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে জোয়ার শুরু হলে ১৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু জলোচ্ছ¡াস হয়।
ঝালকাঠি : সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার চার উপজেলায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৫০ গ্রামের বাসিন্দা। জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলায় বেড়িবাঁধ ভেঙে ফসলের ক্ষেত ও বসতঘর তলিয়ে গেছে।
ভোলা : ভোলার মনপুরায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাÐবে ৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধসহ ১৩ কিলোমিটার মাটির রাস্তা বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৩৫১টি বসত-ঘরের আংশিক ক্ষতিসহ ১টি ঘর ও একটি হাফেজিয়া মাদরাসার টিনের ঘর সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ৫০ হেক্টর সবজি ক্ষেতের ক্ষতিসহ ১৭৭ টি পুকুর ও ১ টি চিংড়ি ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে।
পটুয়াখালী : পটুয়াখালী জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে জেলার ৭৩ টি ইউনিয়নে পাঁচটি পৌরসভায় ১০হাজার ৪৭৬টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাছের পুকুর ও ঘের ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে নদীও সাগরের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গিয়ে মাছ ভেসে যায়।
বরগুনা : আম্পানের তাÐবে বরগুনায় নয় হাজার আটশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলোচ্ছ¡াসে বিলীন হয়ে গেছে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাÐবে জেলার ছয়টি উপজেলায় ৪২টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভায় নয় হাজার আটশ ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বরগুনা জেলার সদর উপজেলার বালিয়াতলিতে কাজী শহীদ নামে ৬৩ বছর বয়সী একজন মারা গেছেন গাছচাপায়।
বগুড়া : ঘুর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বগুড়ায় অব্যাহত বর্ষণের পাশাপাশি ঝড়ে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন দু’জন।
সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জে সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাবে ঝড়ে হাওয়ায় গাছচাপায় দেলসাত আলী (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
চাঁদপুর: চাঁদপুরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের সময় আম কুড়াতে গিয়ে গাছচাপা পড়ে জান্নাত বেগম (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
ঝিনাইদহ : প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে ঝিনাইদহে ঘরের উপর গাছ ভেঙে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলায় হলিধানী গ্রামে বুধবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (10)
Apurbo Opu ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৩ এএম says : 0
আইলার চরম ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আম্পানের করাল থাবা, মাজা সোজা করে আজও দাঁড়াতে পারেনি সাতক্ষীরার জেলার আস পাসের উপকূলীয় মানুষগুলো। প্রকৃতির এই নির্মম ব্যবহার আজও উপকূলবাসির জন্য এক আত্নচিৎকার জানান দেয় প্রতিটি ক্ষনে আমার হৃদয়ে। সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই.....। রাজনৈতিক অবহেলার কারনে এই এলাকার মানুষগুলো দূরভোগের চরমসীমা পারকরে দিন কাটাচ্ছে দিনের পর দিন, এসব মানুষের সীমাহীন কষ্ট দেখা বা বোঝার কেউ নেই!!! আছে কি??? নদীর বেড়িবাঁধ ব্লক এর মাধ্যমে নির্মাণ করা এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সপ্ন আর তা আজও সপ্নই রয়ে গেল!!! তার করনে একটু ঝড় বৃষ্টি হলেই বেড়িবাধ ভেঙ্গে এলাকা লোনা পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে, বেড়ে যায় গরিব ও অসহায় মানুষগুলোর সীমাহীন কষ্ট। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে আকূল আবেদন যাহাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর সহ আস পাসের এইসব অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জিআই ব্যাগ ফেলে ব্লক দিয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মান ও উন্নয়ন করার জন্য আপনার একান্ত সু দৃষ্টি প্রার্থনা করছি। অসহায় মানুষের পক্ষ থেকে।
Total Reply(0)
Sarder Abdul Alim ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
বছরের পর বছরে কেন বেরীবাদ ভাংবে এইসব বেরীবাদ কি ভাংগার জন্যই নির্মাণ করা হয়।
Total Reply(0)
Sarder Abdul Alim ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
বছরের পর বছরে কেন বেরীবাদ ভাংবে এইসব বেরীবাদ কি ভাংগার জন্যই নির্মাণ করা হয়।
Total Reply(0)
জান্নাতুল নাঈম মনি ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
দেশে কোন দুর্যোগ হলে বা আইন পাশ হলে তখন এক শ্রেণির মানুষই শুধু লাভবান হয়। ত্রানের বরাদ্দ অমুক তমুক বলে সাধারণ জনগণের নাম ভাঙ্গিয়ে এভাবেই তো হরিলুট চলছে এ সিস্টেমে..আর বলতে গেলে মামলা নামক জুলুম তো রেডি আছে
Total Reply(0)
Md Sehab ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৪ এএম says : 0
অন্যান্য দেশে বেরিবাধ একবার হয় আমাদের দেশে বারবার হয় তারপরও এই অবস্থা কেন এটাই বুঝি উন্নয়নের নমুনা
Total Reply(0)
ash ২২ মে, ২০২০, ৩:১২ এএম says : 0
CHORER DESH E KOKHONO SHUFOL ASHE NA ! KUFFA LEGEI THAKE
Total Reply(0)
Abdul Latif ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৬ এএম says : 0
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, সর্বনাশ কি ভয়াবহ দৃশ্য! আল্লাহ তুমি আর কত পরীক্ষা নিবে? ক্ষমা কর, মুক্তি দাও।
Total Reply(0)
Mohona Khan ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৯ এএম says : 0
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন #আমীন
Total Reply(0)
HM Mokul SG ২২ মে, ২০২০, ১২:৫৯ এএম says : 0
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন হে আল্লাহ যারা মারা গেছে তাদের কে তুমি জান্নাতে যাওয়ার তৌফিক দাও আমিন
Total Reply(0)
আমার ভাবনা গুলি ২২ মে, ২০২০, ১:০০ এএম says : 0
আর এই পৃথিবীতে থাকা যাবে না, থাকার উপযোগী অন্য কোন গ্রহ বেঁচে নিতে হবে।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন