ঢাকা, সোমবার, ০১ জুন ২০২০, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৮ শাওয়াল ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

কুষ্টিয়ায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে এগিয়ে এসেছে সেনাবাহিনী

কুষ্টিয়া থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০২০, ৮:৩৩ পিএম

কুষ্টিয়া জেলায় ঘূর্ণিঝড় আমফানের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে বেসামরিক প্রশাসনের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১০ থেকে সেনাবাহিনীর যশোর সেনানিবাস ২০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট’র সেনা সদস্যরা কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন এবং বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করেন। একই সাথে বেসামরিক প্রশাসন’র সাথে সমন্বয় করে এই তালিকার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে।

করোনা মহামারির মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় আমফান সুপার ঘূর্ণিঝড়ের রূপে ধেয়ে আসে দেশের উপকূলে। বুধবার ভোর রাতে এটি তান্ডব চালায় কুষ্টিয়া জেলায়।

কুষ্টিয়ায় ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহযোগিতায় এগিয়ে আসে ২০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, যশোর সেনানিবাসের সেনা সদস্যরা।সেনা সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে ঝড়ে ভেঙে যাওয়া গাছপালা সরিয়ে মহাসড়ক এবং আঞ্চলিক সড়কসমূহ চলাচলের উপযোগী করেন। ঝড়ে রাস্তায় পড়ে থাকা গাছপালার কারণে তৈরি হওয়া দীর্ঘ যানজট নিরসনে কার্যকরী ভূমিকা পালনসহ ঝড়ের কবলে গৃহহীন ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এর অনুসন্ধান, তালিকা প্রস্তুত এবং জরুরী সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে সেনাবাহিনী।

প্রসঙ্গত, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ২০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট যশোর সেনানিবাসের সেনা সদস্যরা কুষ্টিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসকল কৃষক করোনা কারণে সবজি বিক্রি করতে পারছেন না সে সকল ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ক্ষেত থেকে ন্যায্য মূল্যে সবজি ক্রয় করে সেনানিবাসের সেনা সদস্যদের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে সেই সবজি ও নিজেদের প্রাপ্ত রেশন কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিদিন ১৫০ দুস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করে আসছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
দেবদও গাইন ২৪ মে, ২০২০, ১০:৫০ পিএম says : 0
বাংলাদেশ সেনাবাহিনি অনেক প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের অসহায় এবং দুস্ত মানুষদের সরকার যে ত্রাণ দিয়ে থাকে, সে গুলা বাংলাদেশ সেনাবাহিনির মাধ্যমে দেওয়া হোক। আমি খুলনা জেলার দাকোপ থানার, লক্ষ্মীখোলা গ্রামের বাসিন্ধা,ঝড়ে আমার একটি মাত্র থাকার ঘর, ভেঙ্গে তছনছ করে দিচ্ছে। কিন্তু আমি কোন সাহায্য সহযোগিতা পাই নাই।গ্রামের চেয়ারম্যান, মেম্বর,চৌকিদার কেও আমার বাড়ি প্রর্যন্ত আসি নাই।
Total Reply(0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন