ঢাকা, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ২০ আষাঢ় ১৪২৭, ১২ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

বেনাপোল বন্দরে দেড় মাস ধরে আটকে পড়া ১৯ জন ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের দেশে ফেরার আকুতি

বেনাপোল অফিস | প্রকাশের সময় : ৩০ মে, ২০২০, ৩:২৩ পিএম

বেনাপোল বন্দরে গত দেড় মাস ধরে আটকে পড়া ১৯ জন ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভার দেশে ফিরতে চায়। তারা সাহায্য চায় না চায় শুধু দেশে ফিরতে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষই তাদের ফেরত নিচ্ছে না বলে অভিযোগ।
ফলে অনাহারে , অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে আটকে পড়া এসব বারথীয় ট্রাক চালক ও খালাসীরা।
বাংলাদেশে আমদানিকারক ও স্থানীয় সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা করোনাভাইরাস দুর্যোগে ভারতীয় ট্রাকচালকদের নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও তেমন ্একটা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানান, ভারতে লকডাউন ঘোষনার আগের দিন গত ২০শে মার্চ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের পন্য নিয়ে আসে এসব ট্রাক চালকরা। পন্যচালান বেনাপোল বন্দরে আনলোডের পর থেকে তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত নেয়নি ভারত।

ভারতের উত্তর প্রদেশে বাসিন্দা ট্রাক চালক সীতারাম বলেন,আমরা বাংলাদেশে মালামাল নিয়ে এসে আটকে পড়েছি। ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের নিচ্ছে না। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করতে পারছি না। কাছে যা টাকা পয়সা ছিল অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে।খেয়ে না খেয়ে গাড়িতেই ঘুমাচ্ছি।

বেনাপোল বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টের লোকজন মাঝে মাঝে কিছু খাদ্য সহয়তা দিয়েছে। তাতে জীবন চলে না। খাদ্য সহয়তা চাই না ,আমরা দেশে ফিরতে চাই বলে তারা দাবি করেন।

ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রী কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ও ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না থাকায় ট্রাক সহ চালকদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
আমরাও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনুমতি পেলেই ভারতীয় চালকরা ট্রাকসহ বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসবে।
বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ডেপুটি ডাইরেক্টর মামুন কবির তরফদার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্থলবন্দরের ইয়ার্ডের ভেতরেই ট্রাক ও চালকদের রাখা হয়েছে। বন্দর,কাস্টমস ও সিএন্ডএফ এজেন্টরা চালকদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত।
মাঝে মধ্যে চালকও হেলপাররা নিজেরাই রান্না করে খাচ্ছেন। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলেও জানান তিনি। অনুমতি পেলে যে কোন মুহর্তে চালক ও ট্রাক গুলো ফেরত পাঠানো হবে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন