ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২০, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

নজিরবিহীন ঐক্য নেপালে

ভারতের সাথে সীমান্ত বিরোধ

এপি | প্রকাশের সময় : ১ জুন, ২০২০, ১২:১১ এএম

ভারত-নেপাল সর্বশেষ সীমান্ত বিরোধ দক্ষিণ-এশিয়ার দুই প্রতিবেশীর মধ্যে বহু শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কে ফাটল ধরিয়েছে। একই সময়ে এক বিরল ঘটনার জন্ম দিয়ে হিমালয়ের ক্ষুদ্র রাষ্ট্র নেপালে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক নজিরবিহীন ঐক্য গড়ে উঠেছে।
বিরোধী নেপালি কংগ্রেস দল তিব্বত ও চীনের সাথে কৌশলগত ত্রিমুখী সংযোগস্থলে একটি বিতর্কিত অঞ্চলে নির্মিত হিমালয় সংযোগ সড়কের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে ভারতের সাথে বিরোধে তাদের সরকারকে সমর্থন দেয়ার কথা জানিয়েছে।

প্রতিক্রিয়া হিসাবে, প্রধানমন্ত্রী খড়্গ প্রসাদ শর্মা অলি সরকার দেশের একটি নতুন রাজনৈতিক মানচিত্র প্রণয়ন করেছে যাতে তার সীমান্তের বিতর্কিত অঞ্চলটি দেখানো হয়েছে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা নেপালের বিরোধী এবং নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে অত্যধিক সমর্থন পেয়েছে। স্বাধীন বিশ্লেষক পুরঞ্জন আচার্য বলেছেন, ‘কেবল রাজনৈতিক দল নয় পুরো জনগণই এ ইস্যুতে সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে’।
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এ মাসের শুরুর দিকে ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) সড়কটি উদ্বোধন করেছিলেন, যেটি হিমালয়ের লিপু লেখকে বিভক্ত করেছে। ভারত এবং চীনের মধ্যে সবচেয়ে স্বল্পতম এবং সম্ভাব্য বাণিজ্য পথ হিসাবে বিবেচিত এটি।

নেপাল এ সড়ক উদ্বোধনের তীব্র বিরোধিতা করে এবং একে তার বৃহত্তর প্রতিবেশীর হুমকির এক নজির হিসাবে দেখে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটিকে নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কখনও ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে না থাকা নেপাল ব্রিটিশ রাজের সাথে ১৮১৬ সালে সুগৌলির চুক্তি অনুসারে লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি এবং লিপু লেখ অঞ্চলগুলি দাবি করেছিল, যদিও ১৯৬২ সালে চীনের সাথে যুদ্ধ করার পর থেকে এই অঞ্চলগুলি ভারতীয় সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এই অঞ্চলটিকে কেন্দ্র করে বিরোধটি দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন অবনতি ঘটিয়েছে, যার ফলে উভয় পক্ষের তীব্র-উচ্চারিত বক্তব্য এবং মতবিনিময় ঘটে।
ভারত নেপালের এই পদক্ষেপকে একতরফা আইন বলে আখ্যায়িত করেছে যা ঐতিহাসিক সত্যের ভিত্তিতে নয় এবং বলেছে যে, অসামান্য সীমানা ইস্যু সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা দ্বিপক্ষীয় বোঝাপড়ার বিরোধী।
উভয় পক্ষেই ক্ষোভ বাড়ার সাথে সাথে বিশ্লেষকরা বলছেন, উভয় দেশের মতপার্থক্য নিরসনে আলোচনার বিকল্প নেই। একজন স্বাধীন বিশ্লেষক ধুরবা অধিকারী বলেছেন, ‘একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে নেপালের কাছে কয়েকটি বিকল্প রয়েছে, তবে সবচেয়ে ভাল হল বসে বসে’ এবং ভারতের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা। নেপাল ও ভারতের মধ্যে এই প্রথম মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। (নেপালের আরো খবর পৃষ্ঠা ৪-এ)

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (12)
Reahman Sajid ১ জুন, ২০২০, ১:০৭ এএম says : 0
শুভ কামনা নেপালের জন্য ।
Total Reply(0)
Kamal Pasha Jafree ১ জুন, ২০২০, ১:০৭ এএম says : 0
ধন্যবাদ নেপাল কে তাদের সাহসিকতার জন্য,
Total Reply(0)
Tuhin Ahmed ১ জুন, ২০২০, ১:০৭ এএম says : 0
নেপালের জনগণ খুব সাহসী
Total Reply(0)
Naser Feni ১ জুন, ২০২০, ১:০৭ এএম says : 1
আমরা ও পারতাম কিন্ত দূর্ভোগ্য আমাদের সম্পর্ক স্বামী স্ত্রীর ??
Total Reply(2)
habib ১ জুন, ২০২০, ৯:১২ এএম says : 0
Bangladesh is not secure within .... hand.wait and see
সজীব ১ জুন, ২০২০, ৮:০৯ পিএম says : 0
স্বামী (ভারত) কিন্তু পরকিয়া করে। মাঝে মধ্যে ধরাও খায়
Imran Akbar ১ জুন, ২০২০, ১:০৮ এএম says : 0
শেখার অনেক কিছুই আছে
Total Reply(0)
Mohammed Kowaj Ali khan ১ জুন, ২০২০, ৯:১৫ এএম says : 1
ভারতের সাথে নেপালের যুদ্ধ হইলে ভারতের সুচনিয় পরাজয় হইবে। ভারতের উচিৎ এখনি নেপালের বাধ্য হওয়া, তা না হইলে নেপালের মাইরে ভারত নাযেহাল হইয়া যাইবে। ইনশাআল্লাহ।
Total Reply(1)
asif ১ জুন, ২০২০, ১০:৩০ এএম says : 0
dada ki **** khaye achen?
Rakibul Hasab ১ জুন, ২০২০, ১:২৫ পিএম says : 0
আমাদের খুব কষ্ট লাগে সরকারের এই নতজানু ইন্ডিয়া নীতি কে দেখে,, মরে গেলেও আমরা কখনও ইন্ডিয়াকে ভালবাসব না,,, প্রতারক জাতী ইন্ডিয়া
Total Reply(0)
মুহাম্মদ সুমন বিশ্বাস ২ জুন, ২০২০, ৫:৪৬ এএম says : 0
ভাই কিছুই বলার নেই আমাদের
Total Reply(0)
মোঃ মফিজুর রহমান ২ জুন, ২০২০, ৬:২১ এএম says : 0
ভারত হল কাপুরুষোচিত একটি দুর্বল মনের বড় রাষ্ট্র। সময় এসেছে এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও প্রতিবাদের ঝড় তোলা। কারণ ভারত কারণে-অকারণে সীমান্তে লাশ ফেলে যাচ্ছে। নেপালের প্রতিরোধ ভারতের জন্য অশুভ ইঙ্গিত। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভারত কোনঠাসা হয়ে পড়বে।
Total Reply(0)
Sajid ২ জুন, ২০২০, ৪:৩৩ পিএম says : 0
আমি জানতাম না এত এত মানুষ ভারতকে ঘৃণা করে আসলে আমাদের উচিত নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা ও দেশকে উন্নত করা না হলে আমরাও ভারতের আক্রমণের শিকার হতে পারি।
Total Reply(0)
Anwarul ৬ জুন, ২০২০, ৭:৫৬ পিএম says : 0
India may be divided into pieces unless Mr. Modi stops showing false superiority to the neighbouring countries.
Total Reply(0)
Toohidul islam ৭ জুন, ২০২০, ৪:১৫ পিএম says : 0
India is the big selfish country world number one.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন