ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১৭ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

রাজধানীর পল্টনে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৫ জুন, ২০২০, ১০:২৮ পিএম

রাজধানীর পল্টন এলাকায় এক গৃহকর্মীকে (১২) মারধর ও শরীরে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার ওই কিশোরীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) সমন্বয়ক বিলকিস বেগম বলেন, পল্টনের একটি বাসায় ওই কিশোরীকে নির্যাতন করা হয়। পরে ওই কিশোরী ওসিসিতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। কাজে সামান্য ত্রæটি হলেই গৃহকর্ত্রী মারধর করতো। সর্বশেষ গত ১৫ মে ওই কিশোরীর শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই শেখ মো. জসীম উদ্দিন বলেন, গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন। নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর বড় বোন ঢাকার মুগদা এলাকায় বসবাস করেন। চার মাস আগে ওই কিশোরীকে চার হাজার টাকা বেতন দেয়ার কথা বলে কাজে নেন গৃহকর্ত্রী আছমা খানম।
তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি, ওই কিশোরীকে প্রায় প্রতিদিনই মারধর করতেন আসামি আছমা খানম ও তার ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আছমা খানম স্বীকার করেছেন, কাজে ত্রুটি পেলে তিনি মেরেছেন।
কিশোরীর বড় বোন বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমার বোন ওই বাসায় চার হাজার টাকা বেতনে কাজ শুরু করে। লকডাউন শুরু হলে বহুবার আমার বোনের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা দেখা করতে দেয়নি। গত ১৫ মে দুপুরে তার বোনকে ঝাড়– এবং ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে নির্যাতন করে গুরুতর জখম করেন আসামিরা। গত ২৯ মে বাসা থেকে পালিয়ে আসে তার ছোট বোন। পরে থানায় মামলা করা হয়।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Mohammed Shah Alam Khan ৫ জুন, ২০২০, ১১:২২ পিএম says : 0
এধরনের ঘটনায় বেশীর ভাগ পুলিশ আপোষ নিষ্পত্তি করে দেয়ার চেষ্টা করে এটাই সত্য। বিষয়টা চিন্তা করলে পুলিশকে কোন দোষ দেয়া যায়না কারন এই ধরনের ঘটানায় পুলিশ প্রথমেই গ্রেফতার করে মামলা শুরু করে দেয় এটাই তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব। এরপর মামলা চলে যায় উকিলদের হাতে আর উকিলেরা অমানবিক ভাবে তাদের পকেট ভরার জন্যে মামলাটাকে লম্বা করতে থাকে ফলে ভুক্তভুগী ও পুলিশের আদালতে দৌড়াদৌড়ি করতে করতে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থার সৃষ্টি হয়। সাথে সাথে মামলাটাও ঝুলতে ঝুলতে মাটিতে মিশতে থাকে। আমি আমার লিখায় সবসময়ই সমাজের নানাবিধ সমস্যার জন্যে প্রথমে উকিলদের ও শেষে সাংবাদিকদেরকে দায়ী করে থাকি। এখানে যেমন এটা পরিষ্কার যে গৃহকর্তি কাজের মেয়েকে মারধর করেছে এবং পুলিশকে বলেছে। এরপর উকিল মিয়া এই গৃহকর্তিকে দিয়ে বলাবেন তিনি পুলিশের অত্যাচারের ভয়ে বলেছেন আসলে তিনি মারেন নি এটা দূর্ঘটানায় হয়েছে। শুরু হয়েগেল মামলা এভাবে এই মামলাটাকে টানতে টানতে উকিল মিয়া ৫/৭ বছর নিবেন তারপরও রায় হবে না। এখানে স্পষ্ট যে, উকিল মিয়ার কারনে এসব অন্যায়ের বিচার হচ্ছে না। আবার এসব ঘটনা ঘটার পর পুলিশের মাধ্যমেই প্রথমে সাংবাদিকরা জানেন এবং খবরটা প্রচার করেন এরপর আর কোন খবর তারা নেয়না। ফলে এটা কি আলোর মুখ দেখছে নাকি অংকুরেই বিনাশ হয়ে যাচ্ছে বা কি হচ্ছে সেটা অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছে। এভাবে এসব অন্যায়ের বিচারের হচ্ছে না তাই একের পর এক একই অপরাধ ঘটে চলছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব হচ্ছে সমাজে ঘটে যাওয় অন্যায়কে নিয়ে লিখা লিখি করে সেটাকে সমাজে প্রচার করে প্রতিবাদের ঝড় তুলে অন্যাকে চিরতরে সমাজ থেকে বিনাশ করে দেয়া। এখন কেহ যদি আমার মত করে সমাজের অন্যায় নিয়ে গবেষণা করেন তাহলে আমার মতই আপনারাও বলবেন উকিল মিয়া ও সাংবাদিক মিয়া এনারা দুইজনই হচ্ছেন...... তাই আমি সবসময় বলেথাকি সমাজের আইনকানুন সঠিক ভাবে চলবে তখনই যখন সমাজের উকিল (আইনজীবী) ও সাংবাদিকেরা তাদের দায় দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করবে। আসুন আমরা সবাই মিলে আল্লাহ্‌র দরবারে মুনাজাত করি তিনি যেন আমাদের দেশের উকিল ও সাংবাদিকদেরকে সত্য কথা বলতে, সততার সাথে চলতে ও তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে ক্ষমতা প্রদান করেন। আমিন
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন