ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

সারা বাংলার খবর

সিলেট সুরমা নদীর ‌‌দুই পার গ্রীন, রেড জোনে বিভক্ত

লকডাউনের কবলে পড়ছে প্রায় ৭ লাখ মানুষ

সিলেট ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৭ জুন, ২০২০, ১২:৫২ পিএম

করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর সর্বশেষ পন্থা হিসেবে সারা দেশের মতো সিলেট নগরীকেও ভাগ করা হয়েছে তিনটি জোনে। আক্রান্ত বিবেচনায় সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৪টিকে ঘোষণা করা হয়েছে ‘রেড জোন’ হিসেবে। নগরীর ৮ লাখ ৬০ হাজার ৪৪৫ জন মানুষের মধ্যে ৭ লাখ ৬৮ হাজার ৭২৪ জন পড়ছেন এই জোনের আওতায়। এছাড়া ৩ ওয়ার্ডের ৯২ হাজার ১২১ জন মানুষকে রাখা হয়েছে গ্রিন জোনে। তবে নগরীকে দুই ভাগে ভাগ করায় হলুদ বা ইয়েলো জোনে পড়েনি কোনো ওয়ার্ড। কাল বৃহস্পতিবার থেকে জোনভিত্তিক নতুন লকডাউন কার্যক্রম শুরুর কথা। মঙ্গলবার সিলেট সার্কিট হাউসে মাল্টিসেক্টরাল সভায় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জনসংখ্যা ও আক্রান্তের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী নগরীতে ৮ লাখ ৬০ হাজার ৪৪৫ জন নাগরিক বসবাস করেন। গত ১৪ দিনের আক্রান্ত বিবেচনায় প্রথমে সিটি করপোরেশনের ১৯টি ওয়ার্ডকে চিহ্নিত করা হয়েছিল ‘রেড জোন’ হিসেবে। কিন্তু লকডাউনের সুবিধার্থে মঙ্গলবার সভায় ১৯টি থেকে বাড়িয়ে ২৪টি ওয়ার্ডকে ‘রেড জোন’ হিসেবে করা হয় চিহ্নিত। সুরমা নদীর উত্তরপাড়ের ২৪টি ওয়ার্ডকে ‘রেড জোন’ আর দক্ষিণ পাড়ের ৩টি ওয়ার্ডকে গ্রিন জোন হিসেবেই চিহ্নিত করে তৈরি করা হয় লকডাউনের রূপরেখা। সরকারি সিদ্ধান্তে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় গড়ে প্রতি লাখে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে সেই এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত হবে। বর্তমানে নগরীতে জনসংখ্যা অনুপাতে আক্রান্তের হার লাখে ২৮ দশমিক ৪৭ জন। সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম সুমন জানান, ‘রেড জোনে’ সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা ও টাউনবাসসহ কোনো ধরনের গণপরিবহন চলবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় তথা মুদি দোকান বিকাল ৪টা ও ফার্মেসি খোলা রাখা যাবে ২৪ ঘণ্টা।

এদিকে, নগরীর মতো জেলার প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে করা হয়েছে ভাগ। জেলা প্রশাসন থেকে সিভিল সার্জনের কাছে দেওয়া হয়েছে একটি তালিকা ।

জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, সিলেটের আক্রান্ত ইউনিয়ন, ওয়ার্ড বা নির্দিষ্ট এলাকাগুলো করা হচ্ছে ‘রেড জোন’র আওতাভুক্ত। আজ বুধবার সিভিল সার্জন জোনভিত্তিক এলাকা ঘোষণা করবেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান বলেন, জেলার কোনো উপজেলাকেই লকডাউন করা হবে না পুরোপুরি। উপজেলাগুলোতে রেড জোন চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট এলাকাকে নতুন লকডাউন নীতিমালার আওতায় নিয়ে আসা হবে কেবল।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন