ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, ২০ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তিন মাস পরে কারফিউ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে সউদী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ জুন, ২০২০, ৫:৩৮ পিএম

সরকার লকডাউন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পরে সউদী আরবের রিয়াদে মুখে মাস্ক পরে তাহলিয়া স্ট্রিট দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেএক সউদী পরিবার।


তিন মাস পরে সউদী আরবে কারফিউ তুলে নেয়া হলে রোববার রাতে নাগরিকরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা উদযাপন করতে বেরিয়ে পড়েন। কেউ রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে যান, কেউ মোটরসাইকেলে ঘুরে বেড়ান। কেউ কেউ আবার পোষা প্রাণী নিয়ে হাঁটতে বের হন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত মার্চ মাস থেকে সউদীর বেশিরভাগ শহরে ২৪ ঘন্টা কারফিউ জারি করা হয়েছিল। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কেনাকাটা বা জরুরি চিকিৎসার কারণ ছাড়া নাগরিকদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছিল। গত রোববার থেকে এই কারফিউ প্রত্যাহার করা হয়। সউদী কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় তিন মাসের লকডাউন শেষে দেশটিতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। দেশটির রাস্তাঘাটে ফের প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা গেছে।

হার্লে-ডেভিডসন মোটরসাইকেল আরোহী দলের এক সদস্য হেশাম মাহরোস রাজধানী রিয়াদ ঘুরে বেড়িয়ে এসে বলেন, ‘আমরা শুনলাম যে কারফিউ শেষ হয়ে গেছে, আমরা তার পরেই দলের সবার সাথে যোগাযোগ করে বাইরে বেড়িয়ে পড়ি।’ তিনি বলেন, ‘জীবন আবার ফিরে এসেছে, এটি অন্যরকম অনুভূতি।’

কিছু রেস্তোঁরায় এই উপলক্ষে সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ বিষয়ে আলকোফাহ রেস্তোঁরায় ওয়েটার আহমদ মোয়াদ বলেন, ‘আমরা আমাদের অন্ত থেকে খুশি হয়েছি। আমরা আমাদের গ্রাহকদের সাথে গান গেয়েছি এবং মজা পেয়েছি। আমরা রিয়াদে সাধারণ জীবনের প্রত্যাবর্তন উদযাপন করেছি এবং ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই পুরো বিশ্ব স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে বলে আশা করি।’

নিজেকে উম দানা বা দানার মা বলে পরিচয় দিয়ে এক নারী বলেন, ‘আমার মেয়ে কারফিউয়ের সময় বাইরে যাওয়ার জন্য আমাকে পাগল করে তোলে। সে কাঁদতে কাঁদতে জেগে উঠত এবং বাইরে যেতে চাইত।’ তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে ধন্যবাদ, আজ আমি অনুভব করছি যে আমরা কেবল একটি দুঃস্বপ্ন থেকে জেগে উঠেছি।’

সউদী কর্তৃপক্ষ বলেছে, কারফিউ আর থাকছে না। সব ধরনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু হবে। তবে বিদেশি ভ্রমণকারী ও হজযাত্রীদের সউদী আরবে আসার ব্যাপারে আগের বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এ ছাড়া ৫০ জনের বেশি মানুষের সামাজিক জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন