ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

চলতি বছরের হজযাত্রীর নিবন্ধন ২০২১ সালে বহাল থাকবে

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে ৮ নির্দেশনা জারি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ জুলাই, ২০২০, ৯:৪১ পিএম

১৪৪১ হিজরীতে হজ পালনের জন্য যাদের নিবন্ধনের মেয়াদ বৈধ ছিল তা’ আগামী বছর ২০২১ সালের জন্য বহাল থাকবে। এ তথ্য জানিয়ে আটটি নির্দেশনা সংবলিত জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয়ের হজ অনু-বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারি সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব দিকনির্দেশা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রাণঘাতী করোনা সংক্রমণের কারণে এ বছর সউদী আরবে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের মুসল্লি এবং সউদী নাগরিকদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে হজ অনুষ্ঠিত হবে। এমন অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত ও নিবন্ধিত ব্যক্তিদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় আটটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা ২০২১ সালের প্যাকেজ মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
২০২০ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল বিষয়ে ই-হজ সিস্টেমের ওপর সকল ব্যাংকের প্রতিনিধি, নিবন্ধন কেন্দ্রের প্রতিনিধি এবং নিবন্ধনকারী এজেন্সির প্রতিনিধিদের ১৩ জুলাই থেকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। হজ পালনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত কোনও হজযাত্রী নিবন্ধন বাতিল করতে চাইলে হজ পোর্টালে বা নির্দিষ্ট লিংকে নিজে বা নিবন্ধন কেন্দ্র থেকে আবেদন করতে পারবেন।
বাতিলের আবেদন অনুমোদিত হলে হজযাত্রীর অনুকূলে নিবন্ধন বাতিল ভাউচার তৈরি হবে এবং ২০২০ সালের নিবন্ধন ও প্রাক-নিবন্ধন দুটোই বাতিল হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে তিনি হজে যেতে চাইলে নতুনভাবে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তিকে কোনও ধরনের কর্তন ব্যতীত তার প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের টাকা ফেরত দেয়া হবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ নিবন্ধন বাতিলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংক থেকে প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ অনলাইনে সরাসরি হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত সমুদয় অর্থ হজযাত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী সরাসরি নিবন্ধনকারী ব্যাংক থেকে অনলাইনে হজযাত্রীর অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর অথবা এজেন্সির মাধ্যমে প্রদান করা হবে। একেক নিবন্ধনের জন্য জমাকৃত অর্থ পূর্বের মতো পরিচালক (হজ অফিস) থেকে হজযাত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী সরাসরি তাকে অথবা এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত দেয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতীত কোনও এজেন্সি ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলতে পারবে না। ২০২০ সালে নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকা যেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া কোনও এজেন্সি তুলতে না পারে সেজন্য হজযাত্রী নিবন্ধনকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা হজ নিবন্ধন বাতিলকারীর অর্থ ছাড় করার আগে যাত্রীদের পরিচয়পত্রের সঙ্গে ভাউচার নিশ্চিত করে নেবেন।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন