ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৩ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

বিনোদন প্রতিদিন

কোরবানি ঈদেও খুলছে না দেশের প্রেক্ষাগৃহ

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০২০, ৩:৪৩ পিএম

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে সিনেমা পাড়ার সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ছিলো। শুটিং তো বটেই, পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহ কিংবা সিনেপ্লেক্সে ঝুলছে তালা।

তবে সরকারি নির্দেশনা ও সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে গেল মাসের ৫ জুন থেকে এফডিসির দাপ্তরিক কার্যালয় ও শুটিং ফ্লোর খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় প্রেক্ষাগৃহ খোলার উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়নি।

এদিকে কোরবানি ঈদের বাকি রয়েছে দুই সপ্তাহের মতো। আসন্ন ঈদেও যে সিনেমা হল খুলছে না, তেমনটাই ঈঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা। প্রস্তুতি নেয়নি হল মালিকরাও। শুধু তাই নয়, হল মালিকদের একাংশ এবং প্রদর্শক সমিতির নেতারা বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফা মিটিং করেও কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেননি। তাহলে কি এবারের ঈদেও খুলছে না দেশের প্রেক্ষাগৃহ? প্রশ্ন থেকেই যায়।

দেশজুড়ে চলমান লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ থাকায় কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে হল মালিকদের। শুধু কি তাই, সিনেমা হলের সঙ্গে যুক্ত নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়েছেন বিপাকে। এমনকি, গেল রোজার ঈদে মুক্তি অপেক্ষায় থাকা সিনেমাগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা। সব মিলিয়ে জটিল একটি পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছে সিনেমা পাড়ায়।

বিষয়টি সম্পর্কে হল মালিক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ ইনকিলাবকে জানান, 'বর্তমান সঙ্কটের কারণে খুব খারাপ একটা সময় পার করছি আমরা। প্রায় ৫ মাস ধরে সিনেমা হল বন্ধ রয়েছে। প্রতি মাসেই লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। এমন পরিস্থিতি কবে যে দূর হবে বুঝতে পারছি না।'

এবারের ঈদে প্রেক্ষাগৃহ খুলছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে অকপটে তিনি জানান, সেরকম কোনও সম্ভাবনাই দেখছি না। ঈদের বাকি রয়েছে মাত্র কয়েকদিন। এই অল্প সময়ে হলগুলো গুছিয়ে নতুন সিনেমার মুক্তি সম্ভব নয়। হল খোলার ব্যাপারে মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তাতেও মনে হয় না কোনও সুরাহা হবে। আর সেকারণে এবারের ঈদেও আমরা সিনেমা হল খুলতে পারছি না।

নওশাদের কথায়, 'স্বাস্থ্যবিধি মানলেও এই পরিস্থিতিতে হলে দর্শক ফিরবে কিনা, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে তার। তবে ভালো গল্পের নতুন সিনেমার মুক্তি দিতে পারলে হলে দর্শক ফিরবে। এই পরিস্থিতিতে এর বিকল্প কোনো উপায় দেখছেন না তিনি। তবে এভাবে চলতে থাকলে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন হল মালিক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন