ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭, ১৩ সফর ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন

প্লাবিত চিলমারী উপজেলা শহর

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৭ জুলাই, ২০২০, ১০:৫৮ এএম

কুড়িগ্রামে ৫০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীনপানি কিছুটা কমলেও এখনও ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯১ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়ায় বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি ব্রীজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৬২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে চিলমারী উপজেলা শহর। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও থান চত্বরসহ উপজেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এর আগে রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলা শহরও অনুরুপভাবে প্লাবিত হয়। শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা বাড়ি নিমজ্জিত রয়েছে।

জেলার ৫৬টি ইউনিয়নের ৪৭৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বাঁধ, রাস্তা ও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।
গত দু’দফা বন্যায় ১০ জন শিশু, একজন যুবক ও ২ জন বৃদ্ধসহ ১৩ জন পানিতে পানিতে ডুবে মারা গেছে। ১৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। টানা পানিতে থেকে এবং বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে দেখা দিয়েছে জ¦র, সর্দি ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগ ব্যাধি। সিভিল সার্জন অফিস জানিয়েছে, বন্যা কবলিত এলাকায় ৮৫টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। তবে বন্যার্ত মানুষের অভিযোগ তারা সরকারি টিমের দেখা পাচ্ছেননা।
এদিকে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা ও বাঁেধর উপর আশ্রিত বানভাসিদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘরে ঘরে দেখা দিয়ে খাদ্য সংকট।
জেলা প্রশাসক মোঃ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে ৪শ’ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ এসেছে। এরমধ্যে ১৭০ মেট্রিক টন চাল উপজেলা গুলোতে উপ-বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াওবরাদ্দ ১৩ লক্ষ টাকার মধ্যে ৪ লাখটাকা, ৪ হাজার শুকনা প্যাকেটের মধ্যে ২ হাজার প্যাকেট, ২ লক্ষ টাকার শিশুখাদ্য ও ২ লক্ষ টাকার গো-খাদ্য উপজেলা গুলোতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সরবারহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন