ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৭ আশ্বিন ১৪২৭, ১৪ সফর ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

একেক দেশে একেক নামে পরিচিত ঈদুল আজহা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩১ জুলাই, ২০২০, ৩:০২ পিএম

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ দেশে দেশে পালিত হয় ঈদুল আজহা। আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আর আগামীকাল বাংলাদেশসহ বাকী অঞ্চলে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। আর সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র হজ। এবার ভিন্ন পেক্ষাপটে ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে।

‘ঈদুল আজহা’ বিশ্বের সব মুসলমানের কাছে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবে পশু কোরবানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি একটি প্রতীকী আনুষ্ঠানিকতা। এর অর্থ উৎসর্গ করা। বিশ্বের সব দেশের মুসলমানরা আনন্দের মধ্য দিয়ে পশু কোরবানি দিয়ে এ ঈদ পালন করে থাকে। সৌদি আরবের মক্কায় কাবা শরিফ কেন্দ্র করে মুসলিম দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সম্মেলন হজ শুরু হয়। হজ শেষে হাজিরা পশু কোরবানি করেন। হাজিদের সঙ্গে অনেক দেশে একই দিন অথবা তার পরদিন সারা বিশ্বের মুসলমানরা এ উৎসব পালন করেন।

ঈদুল আজহা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানরা বিভিন্ন নামে পালন করে থাকে। যেমন, আমরা এ ঈদকে বলি ঈদুল আজহা। কিন্তু মরক্কো, আলজেরিয়া, সিরিয়া, তিউনিশিয়া, মিসর, ইয়েমেন এবং লিবিয়ায় এ ঈদ ‘ঈদ এল্ কিবির’ নামে পরিচিত। যার অর্থ বড় ঈদ। পশ্চিম আফ্রিকায় বলা হয় ‘তাবাসকি’, নাইজেরিয়ায় বলা হয় ‘বাব্বার সাল্কাহ’, সোমালিয়া, কেনিয়া ও ইথিওপিয়ায় বলা হয় ‘সিদওয়েনি’। বসনিয়া হারজেগোভিনা, আলবেনিয়া, কসোভো, বুলগেরিয়ান মুসলমানরা বলেন ‘কুরবান বাজরাম’। ইরান ও আফগানিস্তানে বলা হয় ‘ঈদ এ কোরবান’। ভারত ও পাকিস্তানে ঈদুল আজহাকে বলা হয় ‘বরা ঈদ’। অর্থ বড় ঈদ। দক্ষিণ আফ্রিকায় বলা হয় ‘বকরা ঈদ’।

ভারতেও সংক্ষেপে বলা হয় ‘বকরিদ’। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতে ছাগল বা বকরি কোরবানি দেওয়ার রীতি প্রচলিত বলেই সেখানে এ ঈদের নাম হয়েছে ‘বকরা ঈদ’ বা ‘বকরিদ’। ভারতের তামিলনাড়– প্রদেশে এ ঈদের নাম ‘পেরু নাল’ বা ‘বকরা ঈদ পেরু নাল’। অর্থ বড়দিন বা উৎসর্গের বড়দিন। শ্রীলংকায় বলা হয় ‘হাজ্জি পেরু নাল’ বা হজের উৎসব। তুরস্কের মুসলমানরা বলেন ‘কোরবান বাইরামি’।

এ ছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাভাষী মুসলমানরা তাদের নিজ নিজ ভাষায় উচ্চারণ করেন এ ঈদের নাম। এ ঈদে সব দেশের মানুষ কি গরু কোরবানি করে? না। যে দেশে যে প্রাণী সহজলভ্য, সেই দেশের মানুষ সেই প্রাণীটিই কোরবানি করে। যেমন- আমাদের দেশে গরু আর ছাগল সহজলভ্য বলে এ দুটি প্রাণীই বেশি কোরবানি করা হয়। যেসব দেশে গরুর সংখ্যা কম অথবা নেই বললেই চলে, সেখানে কোরবানি করা হয় ছাগল অথবা ভেড়া। মরু এলাকার দেশগুলোয় কোরবানি করা হয় উট অথবা ভেড়া। গড় হিসেবে দেখা যায়, মুসলিম দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি কোরবানি দেওয়া হয় ছাগল ও ভেড়া। পুবের কলম

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
সাদ্দামহুসাইন ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:৪৯ এএম says : 0
১৯৯১ সালের ঈদুলআজহা কোন মাসের কতো তারিখে হয়েছে জানালে অনেক উপকৃত হব।
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন