ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

সারা বাংলার খবর

জেগে উঠছে ভূরুঙ্গামারীর বন্যাকবলিত নিম্নাঞ্চল: তীব্রতা বাড়ছে ভাঙ্গনের

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৩ আগস্ট, ২০২০, ২:৩৬ পিএম | আপডেট : ২:৪২ পিএম, ৩ আগস্ট, ২০২০

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে গত চার দিনের টানা রোদে, উপজেলার দুধকুমার, ফুলকুমার, কালজানী, সংকোশ, গঙ্গাধরসহ সবকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে ফলে প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চল জাগতে শুরু করেছে।পাশাপাশি নদ নদীগুলোর ভাঙ্গনের তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তীরবর্তী বাসিন্দারা।
উপজেলার সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সদর ইউনিয়নের নলেয়া, কামাত আঙ্গারিয়া, চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা, পাইকডাঙ্গা, সোনাহাট ব্রীজের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিনপাড়, বলদিয়া ইউনিয়নের হেলডাঙ্গা, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ধাউরারকুঠি, তিলাই ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে যে পানি ঢুকে পড়েছিলো তা নামতে শুরু করেছে। কয়েকদিনের অব্যাহত খরায় চরাঞ্চলের আবাদি জমি সহ দ্বীপচরগুলো জেগে উঠেছে। যদিও খাল, বিল, নালা, ডোবা, পুকুর, জলাশয়গুলো পানিতে টইটুম্বুর হয়ে আছে। নিমজ্জিত হওয়া পাট, ভুট্টা, কাউন, চিনা, বাদাম, মরিচ, পটল, ঝিংগাসহ নানা রকম সবজির ক্ষেত, বীজতলা ও বেশ কিছু এলাকার আউশ ধানের ক্ষেত জেগে উঠলেও পঁচে একাকার হয়ে গেছে।
নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। লোকজন বাধ্য হয়ে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। নদী ভাঙ্গনের ফলে বিলীন হচ্ছে বিস্তীর্ন জনপদ। বদলে যাচ্ছে এলাকার মানচিত্র। আতংকিত হয়ে পরেছে ভাঙ্গনকবলিত এলাকার মানুষ। বসতভিটা, বাঁশঝার, গাছবাগান ও আবাদী জমি চলে যাচ্ছে নদীগর্ভে। বসতভিটা হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করছে মানুষ।
তিলাই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফরিদুল হক শাহিন শিকদার, চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফজলুল হক, শিলখুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন ইউসুফের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের ইউনিয়নের প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চল জেগে উঠছে । মানুষের দুর্ভোগ কমাতে তারা আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাঙ্গন কবলিত মানুষের দুর্দশা লাঘবে সরকারী সহযোগিতার জন্য অপেক্ষা করছেন তারা ।
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরুজুল ইসলাম বলেন, আমি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শণ করেছি। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় যেমন আমরা প্রস্তুত ছিলাম তেমনি নদী ভাঙ্গন রোধেও প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইনসাআল্লাহ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (1)
Md.Faridul islam ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৩২ পিএম says : 0
জেগে
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন