ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭, ১২ সফর ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে কাঁদছে যুক্তরাষ্ট্র

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৪ আগস্ট, ২০২০, ১২:০২ এএম

সদ্য রানিংমেট করা কমলা হ্যারিসকে নিয়ে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন। বুধবারের নির্বাচনী প্রচারণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একহাত নিয়েছেন তারা। কমলা বলেছেন, যোগ্য ও যথাযথ নেতৃত্বের অভাবে যুক্তরাষ্ট্র কাঁদছে। প্রায় এক মাসের বিচার-বিশ্লেষণ শেষে মঙ্গলবার কমলাকে ‘রানিংমেট’ হিসেবে ঘোষণা করেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম এশিয়ান-আমেরিকান কিংবা কৃষ্ণাঙ্গ রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন ৫৫ বছর বয়সী এই নারী। বুধবারই বাইডেনের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন কমলা। সেখানে করোনা মহামারি মোকাবিলায় ট্রাম্পের নেতৃত্বের অযোগ্যতার প্রশ্ন তোলেন তিনি। কমলা বলেন, ভাইরাসটি প্রায় প্রতিটি দেশেই প্রভাব ফেলেছে। তবে যেকোনও উন্নত দেশের চেয়ে আমেরিকার যে বাজে পরিস্থিতি হয়েছে তার কারণ রয়েছে। এটি ট্রাম্পের ব্যর্থতা, শুরুতে তিনি এটিকে (করোনাভাইরাস) গুরুত্ব দেননি। করোনা পরীক্ষা, সামাজিক দ‚রত্ব অনুসরণ ও মাস্ক পরা নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেন। তিনি এমন উদ্ভট যে, তার বিশ্বাস তিনি বিশেষজ্ঞদের থেকেও ভালো জানেন। বলেন হ্যারিস। তিনি বলেন, শতাব্দীর সবচেয়ে জনস্বাস্থ্য সংকটে রয়েছে আমেরিকা। মহামারি নিয়ে প্রেসিডেন্টের (ডোনাল্ড ট্রাম্প) অব্যবস্থাপনা বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে ডুবিয়েছে। তিনি বলেন, ‘নতুন নেতৃত্বের জন্য কান্না করছে আমেরিকা। যদিও আমাদের একজন প্রেসিডেন্ট আছে, কিন্তু তিনি নিজেকে নিয়েই ভাবেন বেশি, মানুষদের নিয়ে নয়, যারা তাকে নির্বাচিত করেছিল।’ বুধবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, কমলা হ্যারিস যখন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন লাভ করতে ব্যর্থ হন তখন বাইডেনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, আমি দেখেছি তার জরিপের সংখ্যাগুলো বুম, বুম, বুম, করে নামতে নামতে প্রায় শ‚ন্যে পৌঁছে যায় এবং তিনি রাগে পাগল হয়ে যান। তিনি (কমলা) বাইডেনের সম্পর্কে ভয়ঙ্কর সব কথা বলেছেন। এমনকি একজন নারী যখন বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তখন তার কথাও হ্যারিস বিশ্বাস করেছিলেন বলে আমার ধারণা। তিনি আরো বলেন, এখন সেই তিনিই বাইডেনের রানিং মেট হয়ে গেলেন। আবার বাইডেন সম্পর্কে ভালো ভালো কথাও বলছেন। প্রসঙ্গত, জো বাইডেনের বিরুদ্ধে এর আগে কয়েকজন নারী অযাচিত ব্যবহার, স্পর্শ এবং চুম্বন করার অভিযোগ তুলেছেন। হ্যারিস এসব অভিযোগের বিষয়ে ২০১২ সালের এপ্রিলে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আমি ওই নারীদের বিশ্বাস করি। বাইডেন সেই সময়ে স্বীকার করেছিলেন যে, তাকে অবশ্যই ব্যক্তিগত বিষয়ের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। বাইডেনের বিরুদ্ধে এ বছর আরো গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন সাবেক এক সেনেটের সহযোগী। ১৯৯৩ সালে কংগ্রেসের হলে বাইডেন তাকে যৌন নির্যাতন করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করেন বাইডেন। এদিকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও বেশ কয়েকজন নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। যার সবগুলেঅ তিনি অস্বীকার করেছেন। বাইডেন-হ্যারিসের এই প্রচারণা অনুষ্ঠানের কিছুক্ষণ আগেই, ট্রাম্প এই লকডাউনের মধ্যে বাইডেনকে বাড়িতে থাকতে বলেছেন। ফার্স্টপোস্ট, বিবিসি বাংলা।

 

 

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন