বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরী

জাতীয় সংবাদ

কাঁচা পাট রফতানি বন্ধের দাবি দুই সংগঠনের

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:০১ এএম

চলতি বছর পাটের উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় কাঁচা পাট রফতানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে বেসরকারি পাটকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুট মিল অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ) ও বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ)। একইসঙ্গে পাটশিল্প বাঁচাতে প্রতি মেট্রিক টন কাঁচা পাট রফতানির ওপর ২৫০ মার্কিন ডলার রফতানি শুল্ক আরোপের সুপারিশ করেছে সংগঠন দুটি।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে সংগঠন দুটি আনকাট বাংলা তোশা রিজেকশন (বিটিআর) ও বাংলা হোয়াইট রিজেকশন (বিডবিøউআর) জাতের পাট রফতানি বন্ধের অনুরোধ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন বিজেএমএ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী ও বিজেএসএ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহিদ মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে বিদ্যমান পাটকলের সংখ্যা ২৫৯টি। এই পাটকলগুলো পরিচালনায় বছরে প্রয়োজন হয় ৬০ লাখ বেল কাঁচা পাট। বেসরকারি এই শিল্প খাতে কর্মরত আছেন ২ লাখ শ্রমিক। পরোক্ষভাবে এই শিল্প খাতে ৪ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান। বছরে প্রায় ৬.৭০ লাখ মেট্রিক টন পাটপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করে ৫ হাজার ২০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। মোট পাটপণ্য উৎপাদন হয় ৭ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা জানান, এবারের বন্যা ও খরায় পাটের উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রতিবছর ৭৫ লাখ বেল পাট উৎপাদন হলেও এ বছর ৫৫ লাখ বেলের বেশি উৎপাদন হবে না। এই অবস্থায় কাঁচা পাট রফতানি হলে এই শিল্প সংকটে পড়বে। নেতারা বলেন, সরকার যদি আমাদের দুটি সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত সুপারিশ ২টি বাস্তবায়ন করে তাহলে দেশের পাটশিল্প বর্তমান পরিস্থিতি উঠে আসতে পারবে। দেশের অর্থনীতিতে আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। অন্যথায় পাটশিল্প বন্ধ হয়ে যাবার আশঙ্কা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুট স্পীনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান ফারিয়ান ইউসুফ, পরিচালক নাজমুল হক, পরিচালক মৃধা মনিরুজ্জামান, জেনারেল সেক্রেটারি শহীদুল করিম ও সদস্য কাজী ইনাম আহমেদ।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন