ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

তীব্র উত্তেজনা : লাদাখের কাছে চীনের ১৫০ যুদ্ধবিমান প্রস্তুত

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২:৪৪ পিএম

আসন্ন শীত মৌসুমেই কি লাদাখে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। একদিন চীন অন্য দিকে ভারত। দুই পক্ষ থেকেই সেই রকম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্যাটেলাইট ইমেজে স্পষ্ট, লাদাখ সীমান্তে বিপুল কাঠামো তৈরি করেছে চীন। শীতের কথা মাথায় রেখেই এগুলি তৈরি করা হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পারে দুই পক্ষই যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে তৈরি হয়ে আছে। চীন এলএসির খুব কাছে অন্তত ১৫০ যুদ্ধবিমান মজুত করেছে। এর মধ্যে ফাইটার, হেলিকপ্টার, ইলেকট্রনিক ওয়ার্নিং অ্যাসেট রয়েছে।

লাদাখের শুধু প্যাংগং অঞ্চলেই পাঁচ থেকে সাত হাজার সৈন্য জড়ো করেছে চীন এবং ভারত। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার দুই পারে দুই পক্ষই যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে তৈরি হয়ে আছে। এই মুহূর্তে লাদাখের বিভিন্ন সীমান্তে ৫০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় সেনা রয়েছে। সেনা বাহিনী সূত্রের খবর, সমসংখ্যক সেনা আছে চীনের প্রান্তেও। তবে এরই মধ্যে প্যাংগং লেকের উত্তর অংশে ফিঙ্গার পয়েন্ট চারে একটি পাহাড়ে নিজেদের আধিপত্য তৈরি করতে পেরেছে ভারতীয় সেনা। যেখান থেকে ফিঙ্গার পয়েন্ট চারের অন্য দিকে চীনা সেনার চলাফেরা দেখা সম্ভব।
সূত্র জানাচ্ছে, অতি সম্প্রতি প্রকাশিত স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা যাচ্ছে, প্যাংগংয়ের উত্তর প্রান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নতুন করে বিপুল পরিমাণ কাঠামো তৈরি করেছে চীন।

গত দুই দিনে লাদাখে ভারত এবং চীনের সেনার মধ্যে বড় কোনও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তবে সেনা সূত্র জানাচ্ছে, প্রায় প্রতিদিনই দুই পক্ষের মধ্যে ছোটখাটো সংঘাত হচ্ছে। সীমান্তের দুই পার থেকেই শূন্যে গুলি ছোড়া হচ্ছে। তবে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। বস্তুত, দুই পক্ষই যুদ্ধের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছে।

ভারতীয় সেনার এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বক্তব্য, চীন এলএসির খুব কাছে অন্তত ১৫০ যুদ্ধবিমান মজুত করেছে। এর মধ্যে ফাইটার, হেলিকপ্টার, ইলেকট্রনিক ওয়ার্নিং অ্যাসেট রয়েছে। এ ছাড়াও ট্যাঙ্কার এবং সারফেস টু এয়ার মিসাইল রয়েছে। ভারতীয় সেনার দাবি, তারাও সম পরিমাণ বিমান এবং যুদ্ধাস্ত্র লাদাখ সীমান্তে রেখেছে। বস্তুত, লে বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে। লে থেকে প্রতিদিন হেলিকপ্টার সীমান্তে টহল দিচ্ছে। এক প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, লে থেকে একটি ফাইটারের চীন সীমান্তে পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র আট মিনিট। ১৬ মিনিটের মধ্যে ফাইটারটি আবার লে বিমান বন্দরে ফিরে আসতে পারে। এ ছাড়াও ভারতের হাতে এখন পাঁচটি রাফাল যুদ্ধবিমান আছে। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যা বিমানবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। ফরাসি মন্ত্রীও সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন। রাফাল কী কী করতে পারে, তার মহড়া আজ দেখানো হবে আম্বালার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে। আরও বেশ কয়েকটি রাফাল কিছু দিনের মধ্যেই পৌঁছে যাবে ভারতে।

লাদাখের স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, সীমান্তে এখনও তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। যে কোনও সময় বড় কিছু ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে প্যাংগংয়ের দক্ষিণ প্রান্তে পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। চীন এবং ভারতের সেনা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। এরই মধ্যে প্যাংগংয়ের উত্তর প্রান্তে ফিঙ্গার পয়েন্ট চারে নতুন একটি উচ্চতার দখল নিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেখান থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার অন্যদিকে চীনের সেনার কার্যকলাপ দেখতে পাওয়া যায়। সেপ্টেম্বর মাসের একটি স্যাটেলাইট চিত্রও সেনার হাতে এসেছে। যাতে দেখা যাচ্ছে ফের প্যাংগংয়ের ধারে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিপুল পরিমাণ কাঠামো তৈরি করেছে চীনের সেনা।

শুধু লাদাখ নয়, সিকিম এং অরুণাচলেও সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করে রেখেছে ভারতীয় সেনা। এছাড়াও উত্তরাখণ্ডে নেপাল-ভারত-চীন সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করে রাখা হয়েছে। ডয়চে ভেলে

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (13)
Md Anwar Ahmed ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৯ পিএম says : 1
Congratulations
Total Reply(0)
Anik ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:০০ পিএম says : 1
ভারত যুদ্ধে জড়ালে ভুল করবে।
Total Reply(0)
Didarul Islam Didar ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৮ পিএম says : 1
ইন্ডিয়ান সব অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলো প্রচার করেছে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র নাকি শ্রেণীর জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং চায়না দখলের পথে সেখানে এরকম একটা খবর বড্ড বেমানান,,
Total Reply(0)
Abdul Matin ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৮ পিএম says : 1
চোর পুলিশ খেলা খেলে
Total Reply(0)
Mujahid Chowdhury ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৪ পিএম says : 1
সাবাস চীন
Total Reply(0)
Moktadir Monir ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪৫ পিএম says : 1
Good news
Total Reply(0)
ABU ABDULLAH ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:৫৩ পিএম says : 2
মুসলিম বাঙালি ও হিন্দু বাঙালিদের বাংলা ভাষার মধ্যে বিস্তার ফরখ আছে ইধানিং দেখতাছি বাংলাদেশী পাত্র পত্রিকায় হিন্দু বাঙালিদের বাংলা ভাষা বেবহার বেড়ে গেছে যেমন : (আধিকারিক) (মন্ত্রক ) ইত্যাদি অথচ বাংলাদেশে হিন্দু সাহিত্যিকের কোনো প্রয়াজন নাই মুসলিম সাহিত্যিকের সাহিত্যে বাংলাদেশী ভান্ডার ভরপুর হিন্দু কবি রবীন্দ্র নাথ বা অন্য হিন্দু সাহিত্যিকের কোনো দরকার নাই আমাদের
Total Reply(0)
Shahjahan Sarkar ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৭:১৭ পিএম says : 1
যুদ্ধ কোনো অবস্থায় গ্রহণ যোগ্য নয় এটা কারো পক্ষেই সুফল বয়ে আনেনা দুই পক্ষই সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজার অনুরোধ জানাচ্ছিI সবাই শান্ত হয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান করুন বিশেষ করে ইন্ডিয়ার উচিৎ চীনের সাথে বসে সমাধান খুজা নাহলে ইন্ডিয়া মারাত্মক বিপদে পড়বেI আমাদের সবাইর মনে রাখা উচিত এখানে শত্রু মিত্র কোনো প্রশ্ন আসতে পারে না এখানে মানুষের জীবন মরণ প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত তাই সবাই মিলে দোয়া করুন যাতে কোনো যুদ্ধ না বাধেI
Total Reply(0)
A R Sarker ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:১৯ পিএম says : 1
Oanek din hoy akta baro juddho hoy na hoyto eber setai hob a.
Total Reply(0)
a aman ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৭:৫০ পিএম says : 1
india is wrong its force become a killer
Total Reply(0)
A Salam ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:৪৫ এএম says : 1
India and China both are formidable enemies of muslims and Islam, may Allah swt destroy them by any means
Total Reply(0)
A Salam ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৩:৪৫ এএম says : 1
India and China both are formidable enemies of muslims and Islam, may Allah swt destroy them by any means
Total Reply(0)
Zaman ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৪২ পিএম says : 1
Communism (of communist) and Sirik (of Mushreq) both will be destroyed from this earth very soon Inshallah. Now both will engage in fighting face to face. From Prophecy, firstly India will win and communism will be looser. Next time, Sirik will be looser and Touhid be winner finally.
Total Reply(0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন