ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ৬ কার্তিক ১৪২৭, ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

আন্তর্জাতিক সংবাদ

আফগান সরকার-তালেবান ‘ঐতিহাসিক’ শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:২১ পিএম

দীর্ঘ ২৪ বছরের যুদ্ধ ও সহিংসতা বন্ধের লক্ষ্যে আফগান সরকারের সঙ্গে তালেবানদের 'ঐতিহাসিক' শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার কাতারের রাজধানী দোহায় বহুকাক্সিক্ষত এই শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
শান্তি আলোচনায় আফগান সরকারের পক্ষ থেকে সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মাসুম স্টানেকজাইয়ের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের একটি দল অংশ নিয়েছে। অপর দিকে তালেবানদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মৌলভী আব্দুল হাকিম, যিনি সশস্ত্র সংগঠনটির প্রধান বিচারপতি এবং সংগঠনটির ঘনিষ্ঠ সহযোগী দলের প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদার।
এদিকে শান্তি আলোচনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কাতারে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানদের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি হওয়ার পরই এই শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে আফগান বন্দিবিনিময়ের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে দেরি হওয়ায় তার বিলম্ব ঘটে।
তবে এ আলোচনা থেকে দ্রুত উল্লেখযোগ্য ফলাফল নাও আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শান্তি আলোচনার শুরুতে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। তিনি বলেন, এই আলোচনায় সফল হতে কঠোর পরিশ্রম এবং বড় ধরনের ত্যাগ প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ ভয়াবহ বিমান হামলার ১৯তম বার্ষিকীর একদিন পর আফগান শান্তি আলোচনা শুরু হলো। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হস্তান্তর করতে রাজি না হওয়ায় তালেবান সরকারকে উৎখাতে যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে অভিযান চালায়।
নভেম্বরে পুননির্বাচনে ভোটের লড়াই নামা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসানে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তিনি চান আগামী বছর নাগাদ সকল বিদেশি সৈন্য আফগানিস্তান ত্যাগ করুক।
আফগানিস্তানের ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ শান্তি চুক্তি করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। আর এটি নির্ভর করবে দেশটির প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর ইচ্ছার ওপর।
এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির সরকারকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানো তালেবান একটি ইসলামিক ‘আমিরাতের’ ব্যাপারে আফগানিস্তানকে ঢেলে সাজানোর ব্যাপারে চাপ দেবে।
অন্যদিকে গনির প্রশাসন পশ্চিমা সমর্থিত সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের স্থিতাবস্থা বজায় রাখা চেষ্টা চালাবে। পশ্চিমা ধাঁচের এ সংবিধানে নারীদের ব্যাপক স্বাধীনতা দেওয়াসহ আরও অনেক অধিকারের কথা সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

 

Thank you for your decesion. Show Result
সর্বমোট মন্তব্য (0)

এ সংক্রান্ত আরও খবর

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন